ঢাবিতে ৩ নারী শিক্ষার্থীকে কটূক্তি, ছাত্র ইউনিয়নের বিক্ষোভ

ঢাবিতে ৩ নারী শিক্ষার্থীকে কটূক্তি, ছাত্র ইউনিয়নের বিক্ষোভ
ঢাবি সংবাদদাতা

নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুন্ডকার, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি অঞ্জু অরিন্দম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোস্তাকিমের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত এগারোটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস অভিমুখে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, নারী কমরেডদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর বহিরাগত এবং ছাত্রদলের মিছিল থেকে কয়েকজন এসে হামলা চালায়।
ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়, হামলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুন্ডকার আহত হয়েছেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ, নারী কমরেডদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাদের নেতাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখন পর্যন্ত আমরা কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি এবং যারা অভিযোগ করেছেন, তারাও প্রমাণস্বরূপ কোনো ভিডিও বা ফুটেজ দিতে পারেননি। আসলে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর এ ধরনের উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হওয়ার সুযোগ নেই। এখন অনেকেই ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করছেন। কেউ ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের অপকর্ম অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে কি না, আমরা সেটিও শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’
প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার বিষয়টি উল্লেখ করে শিপন আরও বলেন, ‘আসলে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বা কারা ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করতে আমরা প্রক্টর অফিসকে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করতে বলেছি। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে কেউ ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছে, তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যমকে প্রক্টর বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং প্রক্টরিয়াল টিমকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, ঘটনার সূত্রপাত মূলত ইভটিজিং (নারী হেনস্তা) থেকে। তবে সত্যতা যাচাই করতে হবে।’
পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি। ভুক্তভোগীদের একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। আমার টিমের সদস্যরা সেখানে গিয়েছেন। যদি ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব।’

নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুন্ডকার, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি অঞ্জু অরিন্দম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোস্তাকিমের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত এগারোটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস অভিমুখে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, নারী কমরেডদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর বহিরাগত এবং ছাত্রদলের মিছিল থেকে কয়েকজন এসে হামলা চালায়।
ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়, হামলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুন্ডকার আহত হয়েছেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ, নারী কমরেডদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাদের নেতাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখন পর্যন্ত আমরা কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি এবং যারা অভিযোগ করেছেন, তারাও প্রমাণস্বরূপ কোনো ভিডিও বা ফুটেজ দিতে পারেননি। আসলে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর এ ধরনের উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হওয়ার সুযোগ নেই। এখন অনেকেই ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করছেন। কেউ ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের অপকর্ম অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে কি না, আমরা সেটিও শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’
প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার বিষয়টি উল্লেখ করে শিপন আরও বলেন, ‘আসলে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বা কারা ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করতে আমরা প্রক্টর অফিসকে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করতে বলেছি। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে কেউ ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছে, তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যমকে প্রক্টর বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং প্রক্টরিয়াল টিমকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, ঘটনার সূত্রপাত মূলত ইভটিজিং (নারী হেনস্তা) থেকে। তবে সত্যতা যাচাই করতে হবে।’
পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি। ভুক্তভোগীদের একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। আমার টিমের সদস্যরা সেখানে গিয়েছেন। যদি ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব।’

ঢাবিতে ৩ নারী শিক্ষার্থীকে কটূক্তি, ছাত্র ইউনিয়নের বিক্ষোভ
ঢাবি সংবাদদাতা

নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুন্ডকার, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি অঞ্জু অরিন্দম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোস্তাকিমের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত এগারোটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস অভিমুখে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, নারী কমরেডদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর বহিরাগত এবং ছাত্রদলের মিছিল থেকে কয়েকজন এসে হামলা চালায়।
ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়, হামলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুন্ডকার আহত হয়েছেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ, নারী কমরেডদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাদের নেতাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখন পর্যন্ত আমরা কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি এবং যারা অভিযোগ করেছেন, তারাও প্রমাণস্বরূপ কোনো ভিডিও বা ফুটেজ দিতে পারেননি। আসলে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর এ ধরনের উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হওয়ার সুযোগ নেই। এখন অনেকেই ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করছেন। কেউ ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের অপকর্ম অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে কি না, আমরা সেটিও শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’
প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার বিষয়টি উল্লেখ করে শিপন আরও বলেন, ‘আসলে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বা কারা ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করতে আমরা প্রক্টর অফিসকে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করতে বলেছি। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে কেউ ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছে, তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যমকে প্রক্টর বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং প্রক্টরিয়াল টিমকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, ঘটনার সূত্রপাত মূলত ইভটিজিং (নারী হেনস্তা) থেকে। তবে সত্যতা যাচাই করতে হবে।’
পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি। ভুক্তভোগীদের একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। আমার টিমের সদস্যরা সেখানে গিয়েছেন। যদি ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব।’








