মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা

মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার দুটি পথে মেট্রোরেল নির্মাণে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। দেশের অর্থনীতির এই ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যে এসব ব্যয়বহুল প্রকল্পে সরকারের ঋণের বোঝা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া এতে যাত্রীদের ওপর ভাড়ার চাপও বাড়বে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, গণপরিহন ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের লাইন-৫ (এমআরটি-৫ উত্তর লাইন) ও এমআরটি-১ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। এই ব্যয় প্রকল্প দুটির অনুমোদিত ব্যয়ের দ্বিগুণের বেশি। অস্বাভাবিক এই ব্যয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি–একনেক বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএল।
ব্যয়ের সঙ্গে প্রকল্প দুটির নির্মাণকালও ৫ ও ৬ বছর করে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো রাজধানীর উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব অংশের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ ও সাশ্রয়ী করার জন্য নেওয়া হয়েছে। এগুলোর নির্মাণকাজ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখন পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট ভৌত অবকাঠামো বিভাগ এই অস্বাভাবিক ব্যয়ের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে।
কমিটির প্রধান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, পাঁচ থেকে সাত বছর আগে মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির পর থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সব উপকরণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রকল্প দুটির নকশা ও প্রস্তাবিত কাঠামোর ভিত্তিতে চালানো এই সমীক্ষায় বলা হয়, কয়েকটি প্রধান স্টেশনের নকশাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতে ডিজেল, লোহা, সিমেন্ট ও পাথরের মতো কাঁচামাল দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে প্রায় সব উপকরণই আমদানি করতে হয়। ফলে দিল্লি বা কলকাতার সঙ্গে বাংলাদেশের নির্মাণ ব্যয়ের তুলনা টানা যৌক্তিক নয়।
জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান বলেন, ডিএমটিসিএলের প্রস্তাব তারা পেয়েছেন। এখন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে কী কারণে এত বেশি ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।
এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ৬৮ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি
দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল, বিমানবন্দরের সঙ্গে কমলাপুরকে সংযুক্ত করা এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ১২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিএমটিসিএল। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে এটি হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রকল্প। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বর্তমানে একমাত্র চালু মেট্রোরেলের মোট ব্যয়ের প্রায় চার গুণ।
২০১৯ সালের একনেক সভায় মেট্রো-১ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। নির্মাণকাল ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন প্রস্তাবে নির্মাণের জন্য সময় চাওয়া হয়েছে ২০৩৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। বর্তমানে প্রকল্পের ১২টি প্যাকেজের মধ্যে ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়নসংক্রান্ত সিপি-১ প্যাকেজের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি ১১টি প্যাকেজের ক্রয় প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই প্রকল্পে বরাদ্দ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বরাদ্দ রাখা হয়েছে সাত হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ গুণ। গত অর্থবছরে সংশোধিত বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮০১ কোটি টাকা।
অন্যদিকে পূর্বাচল রুটটি প্রধানত উড়াল (এলিভেটেড) পথ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার। স্টেশন হবে ৯টি। এর মধ্যে নতুন বাজার ও নদ্দা স্টেশন দুটি বিমানবন্দর রুটের সঙ্গে ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন হিসেবে কাজ করবে। দুই রুটে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী এই মেট্রোরেল ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রকল্পের প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের মধ্যে জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা জাইকা দিচ্ছে ৮৫ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে যা ১১৭ শতাংশ বেশি। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের অংশ থেকে ব্যয় বাড়ছে ১৬৯ শতাংশ। প্রস্তাব অনুযায়ী সরকার দেবে ৩৫ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের দেওয়ার কথা ছিল ১৩ হাজার ১১১ কোটি টাকা।
ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রাক্কলিত খরচের চেয়ে ঠিকাদারদের অনেক বেশি দর দাবিই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার মূল কারণ। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের ফলেও খরচ বেড়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই পরিচালনা করেছিল জাইকা। সেই সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করেই মূল ডিপিপিতে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তী সময়ে জাপানি পরামর্শকরা তাদের প্রাক্কলন সংশোধন করে বিভিন্ন অংশের খরচ বাড়িয়ে দেয়, যার ধারাবাহিকতায় জাপানি ঠিকাদাররাও ব্যয় বাড়াতে চান।
এমআরটি-৫ উত্তর লাইন প্রকল্পের ব্যয় ৫২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি
হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত রুট নিয়ে এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পটি ঢাকার পশ্চিম অংশের সঙ্গে পূর্ব অংশের পরিবহন যোগাযোগ সহজ করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ১২৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে। প্রস্তাবে নতুন করে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। অথচ ২০১৯ সালে একনেকে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। নতুন করে ব্যয় বাড়ছে ৫১ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
নতুন প্রস্তাবে নির্মাণকালও ৬ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অনুমোদিত সময়সীমা ছিল ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই প্রকল্পটিও কারিগরি ও ঋণসহায়তা দিচ্ছে জাইকা। নতুন প্রস্তাবে জাইকার ঋণ বাড়বে ১৩৭ শতাংশ। অতিরিক্ত অর্থ ৩৯ হাজার ৮১৪ কোটি টাকা। জাইকার মোট ঋণ দাঁড়াবে ৬৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা। অনুমোদিত ঋণ ছিল ২৯ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে সরকারের ব্যয় জোগানোর অংশ বাড়বে দ্বিগুণ। মোট জোগানের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৪ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদনের সময় এই পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ১২১ কোটি টাকা।
রাজধানীর উত্তর অংশকে পূর্ব-পশ্চিমে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ (পাতাল) ও উড়াল (এলিভেটেড) পথের সমন্বয়ে গঠিত এই রুটটির মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে হেমায়েতপুর থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত পাতাল অংশ সাড়ে ১৩ কিলোমিটার। উড়াল অংশ নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার। মোট স্টেশন সংখ্যা ১৪টি। ৯টি পাতাল ও ৫টি উড়াল।
এ ছাড়া অন্যান্য এমআরটি লাইনের সঙ্গে ইন্টারচেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী এই লাইনটি ব্যবহার করার কথা। হেমায়েতপুরে এই লাইনের মূল ডিপো ও ওয়ার্কশপ নির্মিত হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের এডিপিতে প্রকল্পটির বরাদ্দ প্রায় পাঁচগুণ করে তিন হাজার ৯১০ কোটি টাকা করা হয়েছে। গত অর্থবছরে যা ছিল মাত্র ৮৬৩ কোটি টাকা। এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটে এই অর্থবছরে হেমায়েতপুরে অবস্থিত ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কয়েকটি প্যাকেজের দরপত্র চূড়ান্ত করা ও প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি এবং তা অনুমোদনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকার দুটি পথে মেট্রোরেল নির্মাণে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। দেশের অর্থনীতির এই ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যে এসব ব্যয়বহুল প্রকল্পে সরকারের ঋণের বোঝা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া এতে যাত্রীদের ওপর ভাড়ার চাপও বাড়বে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, গণপরিহন ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের লাইন-৫ (এমআরটি-৫ উত্তর লাইন) ও এমআরটি-১ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। এই ব্যয় প্রকল্প দুটির অনুমোদিত ব্যয়ের দ্বিগুণের বেশি। অস্বাভাবিক এই ব্যয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি–একনেক বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএল।
ব্যয়ের সঙ্গে প্রকল্প দুটির নির্মাণকালও ৫ ও ৬ বছর করে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো রাজধানীর উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব অংশের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ ও সাশ্রয়ী করার জন্য নেওয়া হয়েছে। এগুলোর নির্মাণকাজ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখন পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট ভৌত অবকাঠামো বিভাগ এই অস্বাভাবিক ব্যয়ের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে।
কমিটির প্রধান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, পাঁচ থেকে সাত বছর আগে মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির পর থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সব উপকরণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রকল্প দুটির নকশা ও প্রস্তাবিত কাঠামোর ভিত্তিতে চালানো এই সমীক্ষায় বলা হয়, কয়েকটি প্রধান স্টেশনের নকশাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতে ডিজেল, লোহা, সিমেন্ট ও পাথরের মতো কাঁচামাল দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে প্রায় সব উপকরণই আমদানি করতে হয়। ফলে দিল্লি বা কলকাতার সঙ্গে বাংলাদেশের নির্মাণ ব্যয়ের তুলনা টানা যৌক্তিক নয়।
জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান বলেন, ডিএমটিসিএলের প্রস্তাব তারা পেয়েছেন। এখন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে কী কারণে এত বেশি ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।
এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ৬৮ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি
দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল, বিমানবন্দরের সঙ্গে কমলাপুরকে সংযুক্ত করা এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ১২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিএমটিসিএল। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে এটি হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রকল্প। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বর্তমানে একমাত্র চালু মেট্রোরেলের মোট ব্যয়ের প্রায় চার গুণ।
২০১৯ সালের একনেক সভায় মেট্রো-১ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। নির্মাণকাল ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন প্রস্তাবে নির্মাণের জন্য সময় চাওয়া হয়েছে ২০৩৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। বর্তমানে প্রকল্পের ১২টি প্যাকেজের মধ্যে ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়নসংক্রান্ত সিপি-১ প্যাকেজের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি ১১টি প্যাকেজের ক্রয় প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই প্রকল্পে বরাদ্দ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বরাদ্দ রাখা হয়েছে সাত হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ গুণ। গত অর্থবছরে সংশোধিত বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮০১ কোটি টাকা।
অন্যদিকে পূর্বাচল রুটটি প্রধানত উড়াল (এলিভেটেড) পথ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার। স্টেশন হবে ৯টি। এর মধ্যে নতুন বাজার ও নদ্দা স্টেশন দুটি বিমানবন্দর রুটের সঙ্গে ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন হিসেবে কাজ করবে। দুই রুটে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী এই মেট্রোরেল ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রকল্পের প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের মধ্যে জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা জাইকা দিচ্ছে ৮৫ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে যা ১১৭ শতাংশ বেশি। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের অংশ থেকে ব্যয় বাড়ছে ১৬৯ শতাংশ। প্রস্তাব অনুযায়ী সরকার দেবে ৩৫ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের দেওয়ার কথা ছিল ১৩ হাজার ১১১ কোটি টাকা।
ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রাক্কলিত খরচের চেয়ে ঠিকাদারদের অনেক বেশি দর দাবিই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার মূল কারণ। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের ফলেও খরচ বেড়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই পরিচালনা করেছিল জাইকা। সেই সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করেই মূল ডিপিপিতে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তী সময়ে জাপানি পরামর্শকরা তাদের প্রাক্কলন সংশোধন করে বিভিন্ন অংশের খরচ বাড়িয়ে দেয়, যার ধারাবাহিকতায় জাপানি ঠিকাদাররাও ব্যয় বাড়াতে চান।
এমআরটি-৫ উত্তর লাইন প্রকল্পের ব্যয় ৫২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি
হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত রুট নিয়ে এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পটি ঢাকার পশ্চিম অংশের সঙ্গে পূর্ব অংশের পরিবহন যোগাযোগ সহজ করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ১২৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে। প্রস্তাবে নতুন করে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। অথচ ২০১৯ সালে একনেকে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। নতুন করে ব্যয় বাড়ছে ৫১ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
নতুন প্রস্তাবে নির্মাণকালও ৬ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অনুমোদিত সময়সীমা ছিল ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই প্রকল্পটিও কারিগরি ও ঋণসহায়তা দিচ্ছে জাইকা। নতুন প্রস্তাবে জাইকার ঋণ বাড়বে ১৩৭ শতাংশ। অতিরিক্ত অর্থ ৩৯ হাজার ৮১৪ কোটি টাকা। জাইকার মোট ঋণ দাঁড়াবে ৬৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা। অনুমোদিত ঋণ ছিল ২৯ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে সরকারের ব্যয় জোগানোর অংশ বাড়বে দ্বিগুণ। মোট জোগানের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৪ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদনের সময় এই পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ১২১ কোটি টাকা।
রাজধানীর উত্তর অংশকে পূর্ব-পশ্চিমে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ (পাতাল) ও উড়াল (এলিভেটেড) পথের সমন্বয়ে গঠিত এই রুটটির মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে হেমায়েতপুর থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত পাতাল অংশ সাড়ে ১৩ কিলোমিটার। উড়াল অংশ নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার। মোট স্টেশন সংখ্যা ১৪টি। ৯টি পাতাল ও ৫টি উড়াল।
এ ছাড়া অন্যান্য এমআরটি লাইনের সঙ্গে ইন্টারচেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী এই লাইনটি ব্যবহার করার কথা। হেমায়েতপুরে এই লাইনের মূল ডিপো ও ওয়ার্কশপ নির্মিত হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের এডিপিতে প্রকল্পটির বরাদ্দ প্রায় পাঁচগুণ করে তিন হাজার ৯১০ কোটি টাকা করা হয়েছে। গত অর্থবছরে যা ছিল মাত্র ৮৬৩ কোটি টাকা। এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটে এই অর্থবছরে হেমায়েতপুরে অবস্থিত ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কয়েকটি প্যাকেজের দরপত্র চূড়ান্ত করা ও প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি এবং তা অনুমোদনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার দুটি পথে মেট্রোরেল নির্মাণে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। দেশের অর্থনীতির এই ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যে এসব ব্যয়বহুল প্রকল্পে সরকারের ঋণের বোঝা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া এতে যাত্রীদের ওপর ভাড়ার চাপও বাড়বে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, গণপরিহন ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের লাইন-৫ (এমআরটি-৫ উত্তর লাইন) ও এমআরটি-১ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। এই ব্যয় প্রকল্প দুটির অনুমোদিত ব্যয়ের দ্বিগুণের বেশি। অস্বাভাবিক এই ব্যয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি–একনেক বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএল।
ব্যয়ের সঙ্গে প্রকল্প দুটির নির্মাণকালও ৫ ও ৬ বছর করে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো রাজধানীর উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব অংশের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ ও সাশ্রয়ী করার জন্য নেওয়া হয়েছে। এগুলোর নির্মাণকাজ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখন পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট ভৌত অবকাঠামো বিভাগ এই অস্বাভাবিক ব্যয়ের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে।
কমিটির প্রধান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, পাঁচ থেকে সাত বছর আগে মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির পর থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সব উপকরণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রকল্প দুটির নকশা ও প্রস্তাবিত কাঠামোর ভিত্তিতে চালানো এই সমীক্ষায় বলা হয়, কয়েকটি প্রধান স্টেশনের নকশাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতে ডিজেল, লোহা, সিমেন্ট ও পাথরের মতো কাঁচামাল দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে প্রায় সব উপকরণই আমদানি করতে হয়। ফলে দিল্লি বা কলকাতার সঙ্গে বাংলাদেশের নির্মাণ ব্যয়ের তুলনা টানা যৌক্তিক নয়।
জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান বলেন, ডিএমটিসিএলের প্রস্তাব তারা পেয়েছেন। এখন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে কী কারণে এত বেশি ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।
এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ৬৮ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি
দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল, বিমানবন্দরের সঙ্গে কমলাপুরকে সংযুক্ত করা এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ১২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিএমটিসিএল। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে এটি হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রকল্প। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বর্তমানে একমাত্র চালু মেট্রোরেলের মোট ব্যয়ের প্রায় চার গুণ।
২০১৯ সালের একনেক সভায় মেট্রো-১ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। নির্মাণকাল ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন প্রস্তাবে নির্মাণের জন্য সময় চাওয়া হয়েছে ২০৩৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। বর্তমানে প্রকল্পের ১২টি প্যাকেজের মধ্যে ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়নসংক্রান্ত সিপি-১ প্যাকেজের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি ১১টি প্যাকেজের ক্রয় প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই প্রকল্পে বরাদ্দ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বরাদ্দ রাখা হয়েছে সাত হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ গুণ। গত অর্থবছরে সংশোধিত বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮০১ কোটি টাকা।
অন্যদিকে পূর্বাচল রুটটি প্রধানত উড়াল (এলিভেটেড) পথ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার। স্টেশন হবে ৯টি। এর মধ্যে নতুন বাজার ও নদ্দা স্টেশন দুটি বিমানবন্দর রুটের সঙ্গে ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন হিসেবে কাজ করবে। দুই রুটে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী এই মেট্রোরেল ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রকল্পের প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের মধ্যে জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা জাইকা দিচ্ছে ৮৫ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে যা ১১৭ শতাংশ বেশি। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের অংশ থেকে ব্যয় বাড়ছে ১৬৯ শতাংশ। প্রস্তাব অনুযায়ী সরকার দেবে ৩৫ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের দেওয়ার কথা ছিল ১৩ হাজার ১১১ কোটি টাকা।
ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রাক্কলিত খরচের চেয়ে ঠিকাদারদের অনেক বেশি দর দাবিই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার মূল কারণ। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের ফলেও খরচ বেড়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই পরিচালনা করেছিল জাইকা। সেই সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করেই মূল ডিপিপিতে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তী সময়ে জাপানি পরামর্শকরা তাদের প্রাক্কলন সংশোধন করে বিভিন্ন অংশের খরচ বাড়িয়ে দেয়, যার ধারাবাহিকতায় জাপানি ঠিকাদাররাও ব্যয় বাড়াতে চান।
এমআরটি-৫ উত্তর লাইন প্রকল্পের ব্যয় ৫২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি
হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত রুট নিয়ে এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পটি ঢাকার পশ্চিম অংশের সঙ্গে পূর্ব অংশের পরিবহন যোগাযোগ সহজ করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ১২৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে। প্রস্তাবে নতুন করে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। অথচ ২০১৯ সালে একনেকে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। নতুন করে ব্যয় বাড়ছে ৫১ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
নতুন প্রস্তাবে নির্মাণকালও ৬ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অনুমোদিত সময়সীমা ছিল ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই প্রকল্পটিও কারিগরি ও ঋণসহায়তা দিচ্ছে জাইকা। নতুন প্রস্তাবে জাইকার ঋণ বাড়বে ১৩৭ শতাংশ। অতিরিক্ত অর্থ ৩৯ হাজার ৮১৪ কোটি টাকা। জাইকার মোট ঋণ দাঁড়াবে ৬৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা। অনুমোদিত ঋণ ছিল ২৯ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে সরকারের ব্যয় জোগানোর অংশ বাড়বে দ্বিগুণ। মোট জোগানের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৪ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদনের সময় এই পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ১২১ কোটি টাকা।
রাজধানীর উত্তর অংশকে পূর্ব-পশ্চিমে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ (পাতাল) ও উড়াল (এলিভেটেড) পথের সমন্বয়ে গঠিত এই রুটটির মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে হেমায়েতপুর থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত পাতাল অংশ সাড়ে ১৩ কিলোমিটার। উড়াল অংশ নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার। মোট স্টেশন সংখ্যা ১৪টি। ৯টি পাতাল ও ৫টি উড়াল।
এ ছাড়া অন্যান্য এমআরটি লাইনের সঙ্গে ইন্টারচেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী এই লাইনটি ব্যবহার করার কথা। হেমায়েতপুরে এই লাইনের মূল ডিপো ও ওয়ার্কশপ নির্মিত হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের এডিপিতে প্রকল্পটির বরাদ্দ প্রায় পাঁচগুণ করে তিন হাজার ৯১০ কোটি টাকা করা হয়েছে। গত অর্থবছরে যা ছিল মাত্র ৮৬৩ কোটি টাকা। এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটে এই অর্থবছরে হেমায়েতপুরে অবস্থিত ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কয়েকটি প্যাকেজের দরপত্র চূড়ান্ত করা ও প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি এবং তা অনুমোদনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








