ছাত্রদল-শিবির মুখোমুখি, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

ছাত্রদল-শিবির মুখোমুখি, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস
সিজেডএন ডেস্ক

হঠাৎ করেই দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দুইদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত নিয়ে সংঘর্ষের পর একে একে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), ঢাকা কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসাসহ আরও তিনটি কলেজেও সংগঠন দুটির মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।
জানা গেছে, বেরোবি ও জবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘিরে সংঘর্ষ হয়। জবির ঘটনার রেশ ধরে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ঢাকা কলেজে জুলাই শহীদদের পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা আয়োজন নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়।
জবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৫০
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের অধিকাংশই শিবিরের অনুসারী।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর শিবির নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি লেখা পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের ক্যাডাররা। জকসু প্রতিনিধিদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি। তিনি বলেন, ‘শিবির ওই অনুষ্ঠানে মব করার চেষ্টা করেছিল। আমরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দিতে চাইনি। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করেছি।’
জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘এটি জকসু ও শিবিরের পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড। জকসুর ছাত্রপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের কোনো দাবি-দাওয়া থাকলে তা বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারতো। কিন্তু তা না করে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যানকে অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে এসব ইস্যু সামনে আনা হয়েছে। ওই সময় সহকারী প্রক্টররা গেটে উপস্থিত না থাকলে তারা গেট ভেঙে হামলা চালাতো। তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।’
এদিকে, এই ঘটনার জের ধরে দুপুর আড়াইটার দিকে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে সংঘর্ষে জড়ান ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। বিকালে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষের পর শিবির-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, বেরোবিতে ১৪৪ ধারা জারি
‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে টানা দুদিন ধরে উত্তপ্ত বেরোবি ক্যাম্পাস। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
জানা গেছে, সোমবার শিবির আয়োজিত প্রদর্শনীতে একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২৫ জন আহত হন। ঘটনার পর শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রদর্শনীর কোনো ছবি নিয়ে আপত্তি থাকলে তা আলোচনা বা প্রশাসনের মাধ্যমে জানানো যেত। কিন্তু কথা বলার একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
এদিকে ছাত্রদলের অভিযোগ, শহীদ আবু সাঈদের পবিত্র ক্যাম্পাসে ‘রাজাকারের ব্যানার’ টানানোর প্রতিবাদ করায় তাদের সহ-সভাপতি আশিককে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ ঘটনার মাধ্যমে শিবির ক্যাম্পাসে সহিংস রাজনীতির সূচনা করেছে।
ওই ঘটনায় মঙ্গলবার একই স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দেয় শিবির ও ছাত্রদল। তাদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, সব ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ
রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। এর ঘণ্টাখানেক পর ক্যাম্পাসে মিছিল করেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মোহম্মদ মামুন অভিযোগ করে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কলেজের গ্যালারি-২-তে শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অফিস সম্পাদক আব্দুল মালেক ভাইয়ের নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জন গ্যালরি ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন। এমন সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী এসে মালেক ভাইসহ অন্যদের মারধর করে।’

ছাত্রদল কর্মী মো. রাসেল বলেন, সকালে শিবিরের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত শিবিরের কর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হন। এ সময় তারা ছাত্রদলের কর্মীদের উদ্দেশ করে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন এবং এক কর্মীকে মারধর করেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসসহ নিউজ মার্কেট এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল।
ঢাবিতে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত ঘিরে সংঘর্ষ
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাবির ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, হল সংসদের এজিএস ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে অবস্থান করা দুই অতিথির বিরুদ্ধে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তের জন্য হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম চলাকালেই প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোছাদ্দিক আল হক (শান্ত) অভিযোগ করে বলেন, তদন্তের নামে ছাত্রশিবির হল সংসদের এজিএসকে রক্ষার চেষ্টা করছে। ঘটনার আগের দিন সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে, যাতে অভিযোগের সময় এজিএস সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা যাচাই করা না যায়।
তবে শহীদুল্লাহ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তৌকির হাসানের অভিযোগ, তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন সদস্য অনুমতি ছাড়াই কক্ষে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপস্থিত হাউস টিউটররা সবাইকে বাইরে যেতে বললেও পরে প্রভোস্ট কার্যালয়ের সামনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

হঠাৎ করেই দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দুইদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত নিয়ে সংঘর্ষের পর একে একে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), ঢাকা কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসাসহ আরও তিনটি কলেজেও সংগঠন দুটির মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।
জানা গেছে, বেরোবি ও জবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘিরে সংঘর্ষ হয়। জবির ঘটনার রেশ ধরে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ঢাকা কলেজে জুলাই শহীদদের পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা আয়োজন নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়।
জবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৫০
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের অধিকাংশই শিবিরের অনুসারী।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর শিবির নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি লেখা পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের ক্যাডাররা। জকসু প্রতিনিধিদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি। তিনি বলেন, ‘শিবির ওই অনুষ্ঠানে মব করার চেষ্টা করেছিল। আমরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দিতে চাইনি। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করেছি।’
জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘এটি জকসু ও শিবিরের পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড। জকসুর ছাত্রপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের কোনো দাবি-দাওয়া থাকলে তা বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারতো। কিন্তু তা না করে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যানকে অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে এসব ইস্যু সামনে আনা হয়েছে। ওই সময় সহকারী প্রক্টররা গেটে উপস্থিত না থাকলে তারা গেট ভেঙে হামলা চালাতো। তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।’
এদিকে, এই ঘটনার জের ধরে দুপুর আড়াইটার দিকে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে সংঘর্ষে জড়ান ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। বিকালে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষের পর শিবির-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, বেরোবিতে ১৪৪ ধারা জারি
‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে টানা দুদিন ধরে উত্তপ্ত বেরোবি ক্যাম্পাস। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
জানা গেছে, সোমবার শিবির আয়োজিত প্রদর্শনীতে একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২৫ জন আহত হন। ঘটনার পর শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রদর্শনীর কোনো ছবি নিয়ে আপত্তি থাকলে তা আলোচনা বা প্রশাসনের মাধ্যমে জানানো যেত। কিন্তু কথা বলার একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
এদিকে ছাত্রদলের অভিযোগ, শহীদ আবু সাঈদের পবিত্র ক্যাম্পাসে ‘রাজাকারের ব্যানার’ টানানোর প্রতিবাদ করায় তাদের সহ-সভাপতি আশিককে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ ঘটনার মাধ্যমে শিবির ক্যাম্পাসে সহিংস রাজনীতির সূচনা করেছে।
ওই ঘটনায় মঙ্গলবার একই স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দেয় শিবির ও ছাত্রদল। তাদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, সব ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ
রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। এর ঘণ্টাখানেক পর ক্যাম্পাসে মিছিল করেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মোহম্মদ মামুন অভিযোগ করে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কলেজের গ্যালারি-২-তে শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অফিস সম্পাদক আব্দুল মালেক ভাইয়ের নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জন গ্যালরি ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন। এমন সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী এসে মালেক ভাইসহ অন্যদের মারধর করে।’

ছাত্রদল কর্মী মো. রাসেল বলেন, সকালে শিবিরের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত শিবিরের কর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হন। এ সময় তারা ছাত্রদলের কর্মীদের উদ্দেশ করে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন এবং এক কর্মীকে মারধর করেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসসহ নিউজ মার্কেট এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল।
ঢাবিতে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত ঘিরে সংঘর্ষ
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাবির ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, হল সংসদের এজিএস ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে অবস্থান করা দুই অতিথির বিরুদ্ধে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তের জন্য হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম চলাকালেই প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোছাদ্দিক আল হক (শান্ত) অভিযোগ করে বলেন, তদন্তের নামে ছাত্রশিবির হল সংসদের এজিএসকে রক্ষার চেষ্টা করছে। ঘটনার আগের দিন সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে, যাতে অভিযোগের সময় এজিএস সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা যাচাই করা না যায়।
তবে শহীদুল্লাহ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তৌকির হাসানের অভিযোগ, তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন সদস্য অনুমতি ছাড়াই কক্ষে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপস্থিত হাউস টিউটররা সবাইকে বাইরে যেতে বললেও পরে প্রভোস্ট কার্যালয়ের সামনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

ছাত্রদল-শিবির মুখোমুখি, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস
সিজেডএন ডেস্ক

হঠাৎ করেই দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দুইদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত নিয়ে সংঘর্ষের পর একে একে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), ঢাকা কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসাসহ আরও তিনটি কলেজেও সংগঠন দুটির মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।
জানা গেছে, বেরোবি ও জবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘিরে সংঘর্ষ হয়। জবির ঘটনার রেশ ধরে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ঢাকা কলেজে জুলাই শহীদদের পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা আয়োজন নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়।
জবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৫০
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের অধিকাংশই শিবিরের অনুসারী।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর শিবির নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি লেখা পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের ক্যাডাররা। জকসু প্রতিনিধিদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি। তিনি বলেন, ‘শিবির ওই অনুষ্ঠানে মব করার চেষ্টা করেছিল। আমরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দিতে চাইনি। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করেছি।’
জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘এটি জকসু ও শিবিরের পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড। জকসুর ছাত্রপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের কোনো দাবি-দাওয়া থাকলে তা বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারতো। কিন্তু তা না করে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যানকে অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে এসব ইস্যু সামনে আনা হয়েছে। ওই সময় সহকারী প্রক্টররা গেটে উপস্থিত না থাকলে তারা গেট ভেঙে হামলা চালাতো। তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।’
এদিকে, এই ঘটনার জের ধরে দুপুর আড়াইটার দিকে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে সংঘর্ষে জড়ান ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। বিকালে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষের পর শিবির-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, বেরোবিতে ১৪৪ ধারা জারি
‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে টানা দুদিন ধরে উত্তপ্ত বেরোবি ক্যাম্পাস। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
জানা গেছে, সোমবার শিবির আয়োজিত প্রদর্শনীতে একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২৫ জন আহত হন। ঘটনার পর শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রদর্শনীর কোনো ছবি নিয়ে আপত্তি থাকলে তা আলোচনা বা প্রশাসনের মাধ্যমে জানানো যেত। কিন্তু কথা বলার একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
এদিকে ছাত্রদলের অভিযোগ, শহীদ আবু সাঈদের পবিত্র ক্যাম্পাসে ‘রাজাকারের ব্যানার’ টানানোর প্রতিবাদ করায় তাদের সহ-সভাপতি আশিককে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ ঘটনার মাধ্যমে শিবির ক্যাম্পাসে সহিংস রাজনীতির সূচনা করেছে।
ওই ঘটনায় মঙ্গলবার একই স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দেয় শিবির ও ছাত্রদল। তাদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, সব ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ
রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। এর ঘণ্টাখানেক পর ক্যাম্পাসে মিছিল করেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মোহম্মদ মামুন অভিযোগ করে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কলেজের গ্যালারি-২-তে শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অফিস সম্পাদক আব্দুল মালেক ভাইয়ের নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জন গ্যালরি ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন। এমন সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী এসে মালেক ভাইসহ অন্যদের মারধর করে।’

ছাত্রদল কর্মী মো. রাসেল বলেন, সকালে শিবিরের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত শিবিরের কর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হন। এ সময় তারা ছাত্রদলের কর্মীদের উদ্দেশ করে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন এবং এক কর্মীকে মারধর করেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসসহ নিউজ মার্কেট এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল।
ঢাবিতে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত ঘিরে সংঘর্ষ
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাবির ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, হল সংসদের এজিএস ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে অবস্থান করা দুই অতিথির বিরুদ্ধে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তের জন্য হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম চলাকালেই প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোছাদ্দিক আল হক (শান্ত) অভিযোগ করে বলেন, তদন্তের নামে ছাত্রশিবির হল সংসদের এজিএসকে রক্ষার চেষ্টা করছে। ঘটনার আগের দিন সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে, যাতে অভিযোগের সময় এজিএস সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা যাচাই করা না যায়।
তবে শহীদুল্লাহ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তৌকির হাসানের অভিযোগ, তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন সদস্য অনুমতি ছাড়াই কক্ষে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপস্থিত হাউস টিউটররা সবাইকে বাইরে যেতে বললেও পরে প্রভোস্ট কার্যালয়ের সামনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

জবিতে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
বেরোবিতে প্রদর্শনীর ছবি নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে শিবির-ছাত্রদল
ঢাবিতে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্ত ঘিরে শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষ







