আকস্মিক বন্যার সময় নেপালের ওই এলাকায় এত পর্যটক কেন ছিলেন

আকস্মিক বন্যার সময় নেপালের ওই এলাকায় এত পর্যটক কেন ছিলেন
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাগমাতি প্রদেশের রসুয়া ও এর আশপাশের কয়েকটি জেলা। রসুয়া নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। আকস্মিক বন্যায় সেখানে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৬০ জন মারা গেছেন। ৮০০ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজ আছেন প্রায় ১৫০০ পর্যটক।
এখন প্রশ্ন হলো–আকস্মিক বন্যার সময় সেখানে এত পর্যটক কেন ছিলেন? এর কারণ জানতে হলে এলাকাটির ধর্মীয় তাৎপর্যটা বুঝতে হবে। বন্যাকবলিত এই এলাকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র। বিশেষ করে এখানকার উঁচুভূমিতে দুটি হ্রদের জন্য ওই তিনটি ধর্মের মানুষের কাছে এলাকাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
দুটি হৃদের একটি হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে মানস সরোবর, অন্যটি রসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতি বছর কয়েক হাজার পর্যটক নেপাল হয়ে মানস সরোবরে যান। বছরের এই সময়টিতে সেখানে পর্যটক বেশি থাকেন। বিশেষ করে ভারতীয় পর্যটক। তারা মানস সরোবর সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং গোসাইকুণ্ডে পবিত্র স্নান করেন।
আকস্মিক বন্যার একদিন পরই ছিল পূর্ণিমা। আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পণ্ডিত বলেছেন, পূর্ণিমার সময়টি শুভ বলে বিবেচিত হওয়ায় পর্যটকেরা সাধারণত এই সময়েই এখানে আসেন।

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাগমাতি প্রদেশের রসুয়া ও এর আশপাশের কয়েকটি জেলা। রসুয়া নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। আকস্মিক বন্যায় সেখানে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৬০ জন মারা গেছেন। ৮০০ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজ আছেন প্রায় ১৫০০ পর্যটক।
এখন প্রশ্ন হলো–আকস্মিক বন্যার সময় সেখানে এত পর্যটক কেন ছিলেন? এর কারণ জানতে হলে এলাকাটির ধর্মীয় তাৎপর্যটা বুঝতে হবে। বন্যাকবলিত এই এলাকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র। বিশেষ করে এখানকার উঁচুভূমিতে দুটি হ্রদের জন্য ওই তিনটি ধর্মের মানুষের কাছে এলাকাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
দুটি হৃদের একটি হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে মানস সরোবর, অন্যটি রসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতি বছর কয়েক হাজার পর্যটক নেপাল হয়ে মানস সরোবরে যান। বছরের এই সময়টিতে সেখানে পর্যটক বেশি থাকেন। বিশেষ করে ভারতীয় পর্যটক। তারা মানস সরোবর সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং গোসাইকুণ্ডে পবিত্র স্নান করেন।
আকস্মিক বন্যার একদিন পরই ছিল পূর্ণিমা। আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পণ্ডিত বলেছেন, পূর্ণিমার সময়টি শুভ বলে বিবেচিত হওয়ায় পর্যটকেরা সাধারণত এই সময়েই এখানে আসেন।

আকস্মিক বন্যার সময় নেপালের ওই এলাকায় এত পর্যটক কেন ছিলেন
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাগমাতি প্রদেশের রসুয়া ও এর আশপাশের কয়েকটি জেলা। রসুয়া নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। আকস্মিক বন্যায় সেখানে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৬০ জন মারা গেছেন। ৮০০ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজ আছেন প্রায় ১৫০০ পর্যটক।
এখন প্রশ্ন হলো–আকস্মিক বন্যার সময় সেখানে এত পর্যটক কেন ছিলেন? এর কারণ জানতে হলে এলাকাটির ধর্মীয় তাৎপর্যটা বুঝতে হবে। বন্যাকবলিত এই এলাকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র। বিশেষ করে এখানকার উঁচুভূমিতে দুটি হ্রদের জন্য ওই তিনটি ধর্মের মানুষের কাছে এলাকাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
দুটি হৃদের একটি হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে মানস সরোবর, অন্যটি রসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতি বছর কয়েক হাজার পর্যটক নেপাল হয়ে মানস সরোবরে যান। বছরের এই সময়টিতে সেখানে পর্যটক বেশি থাকেন। বিশেষ করে ভারতীয় পর্যটক। তারা মানস সরোবর সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং গোসাইকুণ্ডে পবিত্র স্নান করেন।
আকস্মিক বন্যার একদিন পরই ছিল পূর্ণিমা। আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পণ্ডিত বলেছেন, পূর্ণিমার সময়টি শুভ বলে বিবেচিত হওয়ায় পর্যটকেরা সাধারণত এই সময়েই এখানে আসেন।








