গণপূর্তে লটারিভিত্তিক বদলি: সস্তা জনপ্রিয়তায় নতুন বৈষম্য

গণপূর্তে লটারিভিত্তিক বদলি: সস্তা জনপ্রিয়তায় নতুন বৈষম্য
জাকির হোসেন

গণপূর্ত অধিদপ্তরের লটারিভিত্তিক বদলি নিয়ে প্রকৌশলীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের পদ্ধতি বদলির নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এতে ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একটি অংশ মনে করছেন, মন্ত্রণালয় সস্তা জনপ্রিয়তার পিছনে ছুটতে গিয়ে পুরো দপ্তরের বৈষম্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগের গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা।
লটারির ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে ৩১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ৭৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৪৪ জন, সিলেট বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯ জন এবং রংপুর বিভাগে ৬৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পদায়ন করা হয়েছে।
তবে প্রকৌশলীদের একাংশের অভিযোগ, লটারিভিত্তিক বদলিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীকে একই কর্মস্থলে বা নিকটবর্তী এলাকায় পদায়নের নীতিমালাও অনুসরণ করা হয়নি। আবার অধিকাংশ পদায়ন নিজ জেলার আশপাশে হলেও কিছু কর্মকর্তাকে দূরবর্তী জেলায় পাঠানো হয়েছে। এতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।
বদলির ক্ষেত্রে কর্মদক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছেন প্রকৌশলীরা। ২০২২ সালে যোগদান করা অনেক নবীন প্রকৌশলীকে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের মতে, পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় এসব কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে পারেন, যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বদলির আদেশ জারি করার পূর্বে সব দিক বিবেচনা করার বিধান রয়েছে। জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে এবং তুচ্ছ কারণে বদলি পরিহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মানবিক দিক বিবেচনা করার কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে লটারিভিত্তিক বদলিতে এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়নি। এতে এমন কর্মকর্তাদেরও বদলি করা হয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরা ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে ভবিষ্যতে একই পদ্ধতিতে কবে আবার বদলি করা হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই। এতে পরবর্তী সময়ে আবারও অনিয়ম ও বৈষম্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বিদ্যমান বদলি নীতিমালা সংশোধন বা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন ছাড়াই ইচ্ছামতো এই বদলি করা হয়েছে, যা নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারা এ বিষয়ে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রকৌশলী বলেন, অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অফিসের বেশিরভাগ সময় সচিব ও মন্ত্রীর দপ্তরে পড়ে থাকেন। কে কোথায় পোস্টিং হবে, কোথায় কাজ করলে ভালো হবে–এগুলো এখন তিনি নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে প্রকৌশলীদের মধ্যে সমালোচনাও হচ্ছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের লটারিভিত্তিক বদলি নিয়ে প্রকৌশলীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের পদ্ধতি বদলির নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এতে ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একটি অংশ মনে করছেন, মন্ত্রণালয় সস্তা জনপ্রিয়তার পিছনে ছুটতে গিয়ে পুরো দপ্তরের বৈষম্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগের গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা।
লটারির ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে ৩১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ৭৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৪৪ জন, সিলেট বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯ জন এবং রংপুর বিভাগে ৬৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পদায়ন করা হয়েছে।
তবে প্রকৌশলীদের একাংশের অভিযোগ, লটারিভিত্তিক বদলিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীকে একই কর্মস্থলে বা নিকটবর্তী এলাকায় পদায়নের নীতিমালাও অনুসরণ করা হয়নি। আবার অধিকাংশ পদায়ন নিজ জেলার আশপাশে হলেও কিছু কর্মকর্তাকে দূরবর্তী জেলায় পাঠানো হয়েছে। এতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।
বদলির ক্ষেত্রে কর্মদক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছেন প্রকৌশলীরা। ২০২২ সালে যোগদান করা অনেক নবীন প্রকৌশলীকে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের মতে, পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় এসব কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে পারেন, যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বদলির আদেশ জারি করার পূর্বে সব দিক বিবেচনা করার বিধান রয়েছে। জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে এবং তুচ্ছ কারণে বদলি পরিহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মানবিক দিক বিবেচনা করার কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে লটারিভিত্তিক বদলিতে এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়নি। এতে এমন কর্মকর্তাদেরও বদলি করা হয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরা ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে ভবিষ্যতে একই পদ্ধতিতে কবে আবার বদলি করা হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই। এতে পরবর্তী সময়ে আবারও অনিয়ম ও বৈষম্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বিদ্যমান বদলি নীতিমালা সংশোধন বা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন ছাড়াই ইচ্ছামতো এই বদলি করা হয়েছে, যা নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারা এ বিষয়ে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রকৌশলী বলেন, অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অফিসের বেশিরভাগ সময় সচিব ও মন্ত্রীর দপ্তরে পড়ে থাকেন। কে কোথায় পোস্টিং হবে, কোথায় কাজ করলে ভালো হবে–এগুলো এখন তিনি নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে প্রকৌশলীদের মধ্যে সমালোচনাও হচ্ছে।

গণপূর্তে লটারিভিত্তিক বদলি: সস্তা জনপ্রিয়তায় নতুন বৈষম্য
জাকির হোসেন

গণপূর্ত অধিদপ্তরের লটারিভিত্তিক বদলি নিয়ে প্রকৌশলীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের পদ্ধতি বদলির নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এতে ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একটি অংশ মনে করছেন, মন্ত্রণালয় সস্তা জনপ্রিয়তার পিছনে ছুটতে গিয়ে পুরো দপ্তরের বৈষম্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগের গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা।
লটারির ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে ৩১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ৭৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৪৪ জন, সিলেট বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯ জন এবং রংপুর বিভাগে ৬৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পদায়ন করা হয়েছে।
তবে প্রকৌশলীদের একাংশের অভিযোগ, লটারিভিত্তিক বদলিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীকে একই কর্মস্থলে বা নিকটবর্তী এলাকায় পদায়নের নীতিমালাও অনুসরণ করা হয়নি। আবার অধিকাংশ পদায়ন নিজ জেলার আশপাশে হলেও কিছু কর্মকর্তাকে দূরবর্তী জেলায় পাঠানো হয়েছে। এতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।
বদলির ক্ষেত্রে কর্মদক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছেন প্রকৌশলীরা। ২০২২ সালে যোগদান করা অনেক নবীন প্রকৌশলীকে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের মতে, পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় এসব কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে পারেন, যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বদলির আদেশ জারি করার পূর্বে সব দিক বিবেচনা করার বিধান রয়েছে। জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে এবং তুচ্ছ কারণে বদলি পরিহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মানবিক দিক বিবেচনা করার কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে লটারিভিত্তিক বদলিতে এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়নি। এতে এমন কর্মকর্তাদেরও বদলি করা হয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরা ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে ভবিষ্যতে একই পদ্ধতিতে কবে আবার বদলি করা হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই। এতে পরবর্তী সময়ে আবারও অনিয়ম ও বৈষম্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বিদ্যমান বদলি নীতিমালা সংশোধন বা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন ছাড়াই ইচ্ছামতো এই বদলি করা হয়েছে, যা নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারা এ বিষয়ে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রকৌশলী বলেন, অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অফিসের বেশিরভাগ সময় সচিব ও মন্ত্রীর দপ্তরে পড়ে থাকেন। কে কোথায় পোস্টিং হবে, কোথায় কাজ করলে ভালো হবে–এগুলো এখন তিনি নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে প্রকৌশলীদের মধ্যে সমালোচনাও হচ্ছে।

নিজস্ব কারখানা অচল, ঠিকাদার-নির্ভর আসবাব কেনে গণপূর্ত
গণপূর্তে প্রথমবার লটারিতে ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি







