দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যোগদান করেন তারা।
গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণকারী বিচারপতি আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
দুদক কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব এবং বিসিএস (প্রশাসন) ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৬৩ সালের ৬ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণকারী ড. জাহাঙ্গীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ও পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদকে যোগদানের আগে তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে আইনের অধ্যাপক এবং আইন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পে লিগ্যাল এক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অপর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৩ সালের ১৫ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণকারী ড. সাজ্জাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বি.কম ও এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ও এবি ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ও আইবিএতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফিন্যান্স, বাণিজ্য, ক্যাশ ফ্লো, মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন, সম্পদ ও দায় মূল্যায়ন, ট্রান্সফার প্রাইসিং, মানিলন্ডারিং, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যোগদান করেন তারা।
গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণকারী বিচারপতি আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
দুদক কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব এবং বিসিএস (প্রশাসন) ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৬৩ সালের ৬ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণকারী ড. জাহাঙ্গীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ও পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদকে যোগদানের আগে তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে আইনের অধ্যাপক এবং আইন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পে লিগ্যাল এক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অপর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৩ সালের ১৫ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণকারী ড. সাজ্জাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বি.কম ও এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ও এবি ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ও আইবিএতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফিন্যান্স, বাণিজ্য, ক্যাশ ফ্লো, মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন, সম্পদ ও দায় মূল্যায়ন, ট্রান্সফার প্রাইসিং, মানিলন্ডারিং, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যোগদান করেন তারা।
গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণকারী বিচারপতি আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
দুদক কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব এবং বিসিএস (প্রশাসন) ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৬৩ সালের ৬ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণকারী ড. জাহাঙ্গীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ও পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদকে যোগদানের আগে তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে আইনের অধ্যাপক এবং আইন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পে লিগ্যাল এক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অপর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৩ সালের ১৫ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণকারী ড. সাজ্জাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বি.কম ও এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ও এবি ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ও আইবিএতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফিন্যান্স, বাণিজ্য, ক্যাশ ফ্লো, মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন, সম্পদ ও দায় মূল্যায়ন, ট্রান্সফার প্রাইসিং, মানিলন্ডারিং, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে নাসিমুল গণির চুক্তির মেয়াদ বাড়লো







