কলকাতার হোটেলে নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

কলকাতার হোটেলে নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত
সিজেডএন ডেস্ক

কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে লাগা আগুনে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে যার মধ্যে পাঁচজনই বাংলাদেশি নাগরিক। বাকি ৩ জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রায় ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করলেও ৯ জনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজনের বাড়িই কুষ্টিয়া জেলায়। তারা হলেন- আরোয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায় দেবাশিস দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমিন এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী। উল্লেখ্য, আকরাম আলী ছিলেন থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অন্য বাংলাদেশি নাগরিক হলেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার বেগুনবাড়ি এলাকার আহমেদ বাবু। এ ছাড়া নিহত ভারতীয় তরুণের নাম সন্দীপ পাসওয়ান (১৯), যার বাড়ি ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার হেরোডিহ থানার পিলমউ গ্রামে।
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের কর্মকর্তারা এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। মিশনটি বাংলাদেশি নাগরিক ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য একটি সার্বক্ষণিক হেল্পলাইনও চালু করেছে। এর দায়িত্বে আছেন মোঃ ওমর ফারুক আকন্দ, দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক)। যোগাযোগের নম্বর- মোবাইল: +৯১ ৮২৭৪৮২১৩৫২, হোয়াটস অ্যাপঃ +৮৮০১৭১৭২৯১২৬৬, +৯১৯৯০৩৪২৬১১৯
দুর্ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন মন্ত্রী- পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী।
এসময় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় সাংআদিকদের বলেন, সুরক্ষাবিধি অমান্য করার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের বিপজ্জনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সব ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট, আমরা 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে চলব।
তিনি আরও জানান, শহরের আনাচে-কানাচে নিয়ম ছাড়া কীভাবে এত হোটেল বা গেস্ট হাউস চলছে, সেগুলোর পারমিশন ও অগ্নিনির্বাপক ছাড়পত্র আছে কি না, তা এবার কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি জানান, পৌরসভা বা মেয়রের যদি কোনো ভুল বা গাফিলতি থাকে, তবে সেটাও চাপা দেওয়ার সুযোগ নেই। যার বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ মিলবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি দ্রুত ত্রাণ, উদ্ধারকার্য ও তদন্তপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে লাগা আগুনে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে যার মধ্যে পাঁচজনই বাংলাদেশি নাগরিক। বাকি ৩ জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রায় ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করলেও ৯ জনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজনের বাড়িই কুষ্টিয়া জেলায়। তারা হলেন- আরোয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায় দেবাশিস দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমিন এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী। উল্লেখ্য, আকরাম আলী ছিলেন থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অন্য বাংলাদেশি নাগরিক হলেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার বেগুনবাড়ি এলাকার আহমেদ বাবু। এ ছাড়া নিহত ভারতীয় তরুণের নাম সন্দীপ পাসওয়ান (১৯), যার বাড়ি ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার হেরোডিহ থানার পিলমউ গ্রামে।
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের কর্মকর্তারা এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। মিশনটি বাংলাদেশি নাগরিক ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য একটি সার্বক্ষণিক হেল্পলাইনও চালু করেছে। এর দায়িত্বে আছেন মোঃ ওমর ফারুক আকন্দ, দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক)। যোগাযোগের নম্বর- মোবাইল: +৯১ ৮২৭৪৮২১৩৫২, হোয়াটস অ্যাপঃ +৮৮০১৭১৭২৯১২৬৬, +৯১৯৯০৩৪২৬১১৯
দুর্ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন মন্ত্রী- পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী।
এসময় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় সাংআদিকদের বলেন, সুরক্ষাবিধি অমান্য করার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের বিপজ্জনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সব ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট, আমরা 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে চলব।
তিনি আরও জানান, শহরের আনাচে-কানাচে নিয়ম ছাড়া কীভাবে এত হোটেল বা গেস্ট হাউস চলছে, সেগুলোর পারমিশন ও অগ্নিনির্বাপক ছাড়পত্র আছে কি না, তা এবার কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি জানান, পৌরসভা বা মেয়রের যদি কোনো ভুল বা গাফিলতি থাকে, তবে সেটাও চাপা দেওয়ার সুযোগ নেই। যার বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ মিলবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি দ্রুত ত্রাণ, উদ্ধারকার্য ও তদন্তপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

কলকাতার হোটেলে নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত
সিজেডএন ডেস্ক

কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে লাগা আগুনে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে যার মধ্যে পাঁচজনই বাংলাদেশি নাগরিক। বাকি ৩ জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রায় ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করলেও ৯ জনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজনের বাড়িই কুষ্টিয়া জেলায়। তারা হলেন- আরোয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায় দেবাশিস দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমিন এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী। উল্লেখ্য, আকরাম আলী ছিলেন থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অন্য বাংলাদেশি নাগরিক হলেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার বেগুনবাড়ি এলাকার আহমেদ বাবু। এ ছাড়া নিহত ভারতীয় তরুণের নাম সন্দীপ পাসওয়ান (১৯), যার বাড়ি ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার হেরোডিহ থানার পিলমউ গ্রামে।
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের কর্মকর্তারা এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। মিশনটি বাংলাদেশি নাগরিক ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য একটি সার্বক্ষণিক হেল্পলাইনও চালু করেছে। এর দায়িত্বে আছেন মোঃ ওমর ফারুক আকন্দ, দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক)। যোগাযোগের নম্বর- মোবাইল: +৯১ ৮২৭৪৮২১৩৫২, হোয়াটস অ্যাপঃ +৮৮০১৭১৭২৯১২৬৬, +৯১৯৯০৩৪২৬১১৯
দুর্ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন মন্ত্রী- পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী।
এসময় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় সাংআদিকদের বলেন, সুরক্ষাবিধি অমান্য করার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের বিপজ্জনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সব ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট, আমরা 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে চলব।
তিনি আরও জানান, শহরের আনাচে-কানাচে নিয়ম ছাড়া কীভাবে এত হোটেল বা গেস্ট হাউস চলছে, সেগুলোর পারমিশন ও অগ্নিনির্বাপক ছাড়পত্র আছে কি না, তা এবার কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি জানান, পৌরসভা বা মেয়রের যদি কোনো ভুল বা গাফিলতি থাকে, তবে সেটাও চাপা দেওয়ার সুযোগ নেই। যার বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ মিলবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি দ্রুত ত্রাণ, উদ্ধারকার্য ও তদন্তপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রদান করেন।







