পাঁচ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার

পাঁচ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাজ্য, মেক্সিকোসহ পাঁচ দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের এ তথ্য জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম, পর্তুগালের এম মাহফুজুল হক, পোল্যান্ডের মো. ময়নুল ইসলাম এবং মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত এম মুশফিকুল ফজলের (আনসারী) চুক্তির মেয়াদ বাতিল করে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের অতিসত্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঢাকার সদর দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বন্ধু নাজমুল ইসলামকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত করা হয়। নাজমুল ইসলাম ২০১৩–২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর ক্ষমতার দাপটে তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধু নাজমুল ইসলামকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত করা হয়।
কমনওয়েলথের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে শনিবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি এই সময় বলেন, লন্ডনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্য, মেক্সিকোসহ পাঁচ দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের এ তথ্য জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম, পর্তুগালের এম মাহফুজুল হক, পোল্যান্ডের মো. ময়নুল ইসলাম এবং মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত এম মুশফিকুল ফজলের (আনসারী) চুক্তির মেয়াদ বাতিল করে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের অতিসত্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঢাকার সদর দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বন্ধু নাজমুল ইসলামকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত করা হয়। নাজমুল ইসলাম ২০১৩–২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর ক্ষমতার দাপটে তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধু নাজমুল ইসলামকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত করা হয়।
কমনওয়েলথের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে শনিবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি এই সময় বলেন, লন্ডনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাঁচ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাজ্য, মেক্সিকোসহ পাঁচ দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের এ তথ্য জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম, পর্তুগালের এম মাহফুজুল হক, পোল্যান্ডের মো. ময়নুল ইসলাম এবং মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত এম মুশফিকুল ফজলের (আনসারী) চুক্তির মেয়াদ বাতিল করে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের অতিসত্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঢাকার সদর দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বন্ধু নাজমুল ইসলামকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত করা হয়। নাজমুল ইসলাম ২০১৩–২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর ক্ষমতার দাপটে তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধু নাজমুল ইসলামকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত করা হয়।
কমনওয়েলথের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে শনিবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি এই সময় বলেন, লন্ডনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




