বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সংস্কারে গুরুত্বারোপ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সংস্কারে গুরুত্বারোপ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪৪

রাজধানীর গুলশানে এক সংলাপের আয়োজন করেন নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত
বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ফেরাতে নীতিগুলোকে ব্যক্তি-নির্ভর থেকে সরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার উপরে গুরুত্বারোপ করেন বিশিষ্টজনেরা। তারা মনে করেন, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি উন্মোচন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময়োপযোগী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে এক সংলাপের আয়োজন করেন নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুসংহত করা এবং মানসম্মত বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের সহযোগিতায় ‘বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও আগামী জাতীয় বাজেটের গুরুত্ব’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে।
এতে বক্তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বচ্ছতা, ব্যবসা সহজীকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন। যা আগামী জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। প্যানেল আলোচনায় শিল্প খাতের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন, যেখানে ব্যবসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার জটিলতাকে চিহ্নিত করা হয়।
সংলাপের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। তিনি বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি উন্মোচন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময়োপযোগী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, উচ্চমানের এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে ‘উচ্চমূল্যের পণ্য’ উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে।
ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের সিএফও জিনিয়া হক বিনিয়োগকারীদের গতি, স্বচ্ছতা এবং পূর্বাভাসের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ফেরাতে নীতিগুলোকে ব্যক্তি-নির্ভর থেকে সরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
ইউরোচ্যাম সভাপতি নুরিয়া লোপেজ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি এবং নির্ভরযোগ্য রপ্তানি সুবিধার অভাবকে বিনিয়োগে অনীহার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
মারগুব কবির অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান মারগুব কবির বাণিজ্যিক বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সেকেলে বা পুরনো পদ্ধতির আইনের আমূল সংস্কারের দাবি জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে এমসিসিআই-এর মহাসচিব ও সিইও ফারুক আহমেদ স্বাগত বক্তব্যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শেষে সংলাপের প্রস্তাবনাগুলোকে দ্রুত কার্যকর নীতিমালায় রূপান্তর করতে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন, যেন তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ফেরাতে নীতিগুলোকে ব্যক্তি-নির্ভর থেকে সরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার উপরে গুরুত্বারোপ করেন বিশিষ্টজনেরা। তারা মনে করেন, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি উন্মোচন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময়োপযোগী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে এক সংলাপের আয়োজন করেন নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুসংহত করা এবং মানসম্মত বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের সহযোগিতায় ‘বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও আগামী জাতীয় বাজেটের গুরুত্ব’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে।
এতে বক্তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বচ্ছতা, ব্যবসা সহজীকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন। যা আগামী জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। প্যানেল আলোচনায় শিল্প খাতের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন, যেখানে ব্যবসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার জটিলতাকে চিহ্নিত করা হয়।
সংলাপের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। তিনি বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি উন্মোচন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময়োপযোগী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, উচ্চমানের এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে ‘উচ্চমূল্যের পণ্য’ উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে।
ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের সিএফও জিনিয়া হক বিনিয়োগকারীদের গতি, স্বচ্ছতা এবং পূর্বাভাসের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ফেরাতে নীতিগুলোকে ব্যক্তি-নির্ভর থেকে সরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
ইউরোচ্যাম সভাপতি নুরিয়া লোপেজ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি এবং নির্ভরযোগ্য রপ্তানি সুবিধার অভাবকে বিনিয়োগে অনীহার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
মারগুব কবির অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান মারগুব কবির বাণিজ্যিক বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সেকেলে বা পুরনো পদ্ধতির আইনের আমূল সংস্কারের দাবি জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে এমসিসিআই-এর মহাসচিব ও সিইও ফারুক আহমেদ স্বাগত বক্তব্যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শেষে সংলাপের প্রস্তাবনাগুলোকে দ্রুত কার্যকর নীতিমালায় রূপান্তর করতে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন, যেন তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সংস্কারে গুরুত্বারোপ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪৪

রাজধানীর গুলশানে এক সংলাপের আয়োজন করেন নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত
বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ফেরাতে নীতিগুলোকে ব্যক্তি-নির্ভর থেকে সরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার উপরে গুরুত্বারোপ করেন বিশিষ্টজনেরা। তারা মনে করেন, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি উন্মোচন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময়োপযোগী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে এক সংলাপের আয়োজন করেন নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুসংহত করা এবং মানসম্মত বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের সহযোগিতায় ‘বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও আগামী জাতীয় বাজেটের গুরুত্ব’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে।
এতে বক্তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বচ্ছতা, ব্যবসা সহজীকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন। যা আগামী জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। প্যানেল আলোচনায় শিল্প খাতের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন, যেখানে ব্যবসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার জটিলতাকে চিহ্নিত করা হয়।
সংলাপের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। তিনি বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি উন্মোচন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময়োপযোগী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, উচ্চমানের এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে ‘উচ্চমূল্যের পণ্য’ উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে।
ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের সিএফও জিনিয়া হক বিনিয়োগকারীদের গতি, স্বচ্ছতা এবং পূর্বাভাসের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ফেরাতে নীতিগুলোকে ব্যক্তি-নির্ভর থেকে সরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
ইউরোচ্যাম সভাপতি নুরিয়া লোপেজ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি এবং নির্ভরযোগ্য রপ্তানি সুবিধার অভাবকে বিনিয়োগে অনীহার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
মারগুব কবির অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান মারগুব কবির বাণিজ্যিক বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সেকেলে বা পুরনো পদ্ধতির আইনের আমূল সংস্কারের দাবি জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে এমসিসিআই-এর মহাসচিব ও সিইও ফারুক আহমেদ স্বাগত বক্তব্যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শেষে সংলাপের প্রস্তাবনাগুলোকে দ্রুত কার্যকর নীতিমালায় রূপান্তর করতে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন, যেন তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
/এমআর/




