
তালিকায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) বন্ধ, বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত, মামলাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের কাছে পাওনা প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শিক্ষক ও প্রভাষক পদের বিপরীতে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন ১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী। এতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়ে গেছে।