বাজেটে কমছে দেশীয় কম্পিউটার যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম

বাজেটে কমছে দেশীয় কম্পিউটার যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী বাজেটে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর ও ভ্যাট ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং স্থানীয়ভাবে দেশের ২২ টি প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে এনবিআর থেকে জানা গেছে।
স্থানীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যে কর-সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে বাজেটে। এতে ল্যাপটপের খুচরা দাম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ও ডেক্সটপের খুচরা দাম ৮ থেকে ১২ শতাংশ কমতে পারে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, যা বাজারে এসব পণ্যের দাম কমাতে সহায়তা করবে এবং ভোক্তারা তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের ওপর উল্লেখযোগ্য হারে কর আরোপ করা রয়েছে। তার মতে, ল্যাপটপ আমদানিতে মোট করভার প্রায় ২২ থেকে ২৩ শতাংশ, ডেস্কটপ কম্পিউটারে ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ এবং সার্ভারে প্রায় ১৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিন্টারের ওপর করভার প্রায় ৩৫ শতাংশ এবং মনিটরের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৩ শতাংশ। এসব পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর আরোপ করা হয় এসএসডির ওপর, যেখানে মোট করভার প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছায়। তিনি করছাড়ের এই ধারা অব্যাহত রেখে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান।
একইসঙ্গে ইন্ডাকশন চুলা, ব্লেন্ডারসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামেও কর-রেয়াত দেওয়া হলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাবনার কথা জানা গেছে।
অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে বৈদ্যুতিক গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল এবং চার্জিং অবকাঠামো স্থাপনে কর-সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ক্রয়মূল্য ও পরিচালনা ব্যয় উভয়ই কমতে পারে, যা এ খাতের সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আগামী বাজেটে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর ও ভ্যাট ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং স্থানীয়ভাবে দেশের ২২ টি প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে এনবিআর থেকে জানা গেছে।
স্থানীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যে কর-সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে বাজেটে। এতে ল্যাপটপের খুচরা দাম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ও ডেক্সটপের খুচরা দাম ৮ থেকে ১২ শতাংশ কমতে পারে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, যা বাজারে এসব পণ্যের দাম কমাতে সহায়তা করবে এবং ভোক্তারা তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের ওপর উল্লেখযোগ্য হারে কর আরোপ করা রয়েছে। তার মতে, ল্যাপটপ আমদানিতে মোট করভার প্রায় ২২ থেকে ২৩ শতাংশ, ডেস্কটপ কম্পিউটারে ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ এবং সার্ভারে প্রায় ১৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিন্টারের ওপর করভার প্রায় ৩৫ শতাংশ এবং মনিটরের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৩ শতাংশ। এসব পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর আরোপ করা হয় এসএসডির ওপর, যেখানে মোট করভার প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছায়। তিনি করছাড়ের এই ধারা অব্যাহত রেখে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান।
একইসঙ্গে ইন্ডাকশন চুলা, ব্লেন্ডারসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামেও কর-রেয়াত দেওয়া হলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাবনার কথা জানা গেছে।
অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে বৈদ্যুতিক গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল এবং চার্জিং অবকাঠামো স্থাপনে কর-সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ক্রয়মূল্য ও পরিচালনা ব্যয় উভয়ই কমতে পারে, যা এ খাতের সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বাজেটে কমছে দেশীয় কম্পিউটার যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী বাজেটে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর ও ভ্যাট ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং স্থানীয়ভাবে দেশের ২২ টি প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে এনবিআর থেকে জানা গেছে।
স্থানীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যে কর-সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে বাজেটে। এতে ল্যাপটপের খুচরা দাম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ও ডেক্সটপের খুচরা দাম ৮ থেকে ১২ শতাংশ কমতে পারে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, যা বাজারে এসব পণ্যের দাম কমাতে সহায়তা করবে এবং ভোক্তারা তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের ওপর উল্লেখযোগ্য হারে কর আরোপ করা রয়েছে। তার মতে, ল্যাপটপ আমদানিতে মোট করভার প্রায় ২২ থেকে ২৩ শতাংশ, ডেস্কটপ কম্পিউটারে ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ এবং সার্ভারে প্রায় ১৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিন্টারের ওপর করভার প্রায় ৩৫ শতাংশ এবং মনিটরের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৩ শতাংশ। এসব পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর আরোপ করা হয় এসএসডির ওপর, যেখানে মোট করভার প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছায়। তিনি করছাড়ের এই ধারা অব্যাহত রেখে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান।
একইসঙ্গে ইন্ডাকশন চুলা, ব্লেন্ডারসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামেও কর-রেয়াত দেওয়া হলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাবনার কথা জানা গেছে।
অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে বৈদ্যুতিক গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল এবং চার্জিং অবকাঠামো স্থাপনে কর-সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ক্রয়মূল্য ও পরিচালনা ব্যয় উভয়ই কমতে পারে, যা এ খাতের সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।




