পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে হবে: আইজিপি

পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে হবে: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমানে সাইবার ক্রাইম, গুজব, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও ‘মিস ইনফরমেশন’ মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, রাজধানীতে দেশী-বিদেশী কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষ বসবাস করেন। তাই রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুরো দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থেই অপরিহার্য। মাঠপর্যায়ের কাজ গতিশীল করতে সিনিয়র অফিসারদের সরাসরি মনিটরিং বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক তদারকি থাকলে নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহিত হয়।
তিনি বলেন, আপনারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে ও জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। তবে ইচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলে তার দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না এবং সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলী হোসেন ফকির বলেন, দল-মত নির্বিশেষে পুলিশের পরিচয় একটাই আমরা আইন ও জনগণের সেবক। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। বর্তমানে ঐতিহ্যগত অপরাধের চেয়ে সাইবার ক্রাইম, গুজব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও 'মিস ইনফরমেশন' মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
মতবিনিময় সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্তি আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলামসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে সাইবার ক্রাইম, গুজব, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও ‘মিস ইনফরমেশন’ মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, রাজধানীতে দেশী-বিদেশী কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষ বসবাস করেন। তাই রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুরো দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থেই অপরিহার্য। মাঠপর্যায়ের কাজ গতিশীল করতে সিনিয়র অফিসারদের সরাসরি মনিটরিং বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক তদারকি থাকলে নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহিত হয়।
তিনি বলেন, আপনারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে ও জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। তবে ইচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলে তার দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না এবং সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলী হোসেন ফকির বলেন, দল-মত নির্বিশেষে পুলিশের পরিচয় একটাই আমরা আইন ও জনগণের সেবক। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। বর্তমানে ঐতিহ্যগত অপরাধের চেয়ে সাইবার ক্রাইম, গুজব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও 'মিস ইনফরমেশন' মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
মতবিনিময় সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্তি আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলামসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে হবে: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমানে সাইবার ক্রাইম, গুজব, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও ‘মিস ইনফরমেশন’ মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, রাজধানীতে দেশী-বিদেশী কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষ বসবাস করেন। তাই রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুরো দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থেই অপরিহার্য। মাঠপর্যায়ের কাজ গতিশীল করতে সিনিয়র অফিসারদের সরাসরি মনিটরিং বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক তদারকি থাকলে নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহিত হয়।
তিনি বলেন, আপনারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে ও জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। তবে ইচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলে তার দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না এবং সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলী হোসেন ফকির বলেন, দল-মত নির্বিশেষে পুলিশের পরিচয় একটাই আমরা আইন ও জনগণের সেবক। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। বর্তমানে ঐতিহ্যগত অপরাধের চেয়ে সাইবার ক্রাইম, গুজব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও 'মিস ইনফরমেশন' মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
মতবিনিময় সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্তি আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলামসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় হচ্ছে সমন্বিত নীতিমালা







