শতকোটি ব্যবহারকারীর ক্লাবে যুক্ত হলো ‘জেমিনি’

শতকোটি ব্যবহারকারীর ক্লাবে যুক্ত হলো ‘জেমিনি’
সিজেডএন ডেস্ক

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্বে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘জেমিনি’। বিশ্বজুড়ে প্রতি মাসে এখন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে এ চ্যাটবটটি ব্যবহার করছেন। এআই খাতের তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নিজস্ব এআই বিভাগে সাম্প্রতিক বড় ধরনের সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাঝেই এলো এ বড় সাফল্যের খবর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই জানান, জেমিনি গুগলের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে এ উচ্চতায় পৌঁছানো সেবাগুলোর একটি। সেই সঙ্গে এটি গুগলের ১৪তম পণ্য, যা মাসিক ১০০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করার কীর্তি গড়লো। তবে কেবল একক ‘জেমিনি’ অ্যাপ থেকে এই পরিসংখ্যান আসেনি। জিমেইল, গুগল সার্চ, ম্যাপস ও ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় সেবাগুলোতে জেমিনিকে যুক্ত করার ফলেই খুব দ্রুত কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পেরেছে এআই প্রযুক্তিটি। প্রযুক্তি বাজারে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো নিত্যনতুন ফিচার ও কোডিং সক্ষমতা বাড়াতে জোর দিলেও গুগলের এই বিশাল নেটওয়ার্কই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হিসেবে কাজ করছে।
জেমিনির এ রেকর্ড গড়ার সময়েই গুগলের এআই বিভাগে দেখা গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদল। জেমিনি তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা রাখা রসায়নে নোবেলজয়ী ডেমিস হাসাবিস প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া গুগলের দীর্ঘদিনের শীর্ষ প্রকৌশলী জেফ ডিনসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষকের বিদায়ের খবরও প্রযুক্তিপাড়ায় নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অন্যদিকে, গুগলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ওপেনএআই-ও জুলাইয়ে তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোতে ১০০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছোঁয়ার দাবি করেছিল। এআই প্রযুক্তির বাজারে আধিপত্য বিস্তারে ব্যবহারকারীর এ সংখ্যা এখন দুই টেক জায়ান্টের জন্যই অন্যতম প্রধান মাপকাঠি। তবে সার্চসহ দৈনন্দিন ডিজিটাল সেবার সঙ্গে জেমিনিকে জড়িয়ে দেওয়ার যে কৌশল গুগল নিয়েছিল, ১০০ কোটির এ অর্জনে তা শতভাগ সফল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্বে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘জেমিনি’। বিশ্বজুড়ে প্রতি মাসে এখন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে এ চ্যাটবটটি ব্যবহার করছেন। এআই খাতের তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নিজস্ব এআই বিভাগে সাম্প্রতিক বড় ধরনের সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাঝেই এলো এ বড় সাফল্যের খবর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই জানান, জেমিনি গুগলের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে এ উচ্চতায় পৌঁছানো সেবাগুলোর একটি। সেই সঙ্গে এটি গুগলের ১৪তম পণ্য, যা মাসিক ১০০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করার কীর্তি গড়লো। তবে কেবল একক ‘জেমিনি’ অ্যাপ থেকে এই পরিসংখ্যান আসেনি। জিমেইল, গুগল সার্চ, ম্যাপস ও ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় সেবাগুলোতে জেমিনিকে যুক্ত করার ফলেই খুব দ্রুত কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পেরেছে এআই প্রযুক্তিটি। প্রযুক্তি বাজারে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো নিত্যনতুন ফিচার ও কোডিং সক্ষমতা বাড়াতে জোর দিলেও গুগলের এই বিশাল নেটওয়ার্কই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হিসেবে কাজ করছে।
জেমিনির এ রেকর্ড গড়ার সময়েই গুগলের এআই বিভাগে দেখা গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদল। জেমিনি তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা রাখা রসায়নে নোবেলজয়ী ডেমিস হাসাবিস প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া গুগলের দীর্ঘদিনের শীর্ষ প্রকৌশলী জেফ ডিনসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষকের বিদায়ের খবরও প্রযুক্তিপাড়ায় নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অন্যদিকে, গুগলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ওপেনএআই-ও জুলাইয়ে তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোতে ১০০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছোঁয়ার দাবি করেছিল। এআই প্রযুক্তির বাজারে আধিপত্য বিস্তারে ব্যবহারকারীর এ সংখ্যা এখন দুই টেক জায়ান্টের জন্যই অন্যতম প্রধান মাপকাঠি। তবে সার্চসহ দৈনন্দিন ডিজিটাল সেবার সঙ্গে জেমিনিকে জড়িয়ে দেওয়ার যে কৌশল গুগল নিয়েছিল, ১০০ কোটির এ অর্জনে তা শতভাগ সফল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শতকোটি ব্যবহারকারীর ক্লাবে যুক্ত হলো ‘জেমিনি’
সিজেডএন ডেস্ক

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্বে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘জেমিনি’। বিশ্বজুড়ে প্রতি মাসে এখন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে এ চ্যাটবটটি ব্যবহার করছেন। এআই খাতের তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নিজস্ব এআই বিভাগে সাম্প্রতিক বড় ধরনের সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাঝেই এলো এ বড় সাফল্যের খবর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই জানান, জেমিনি গুগলের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে এ উচ্চতায় পৌঁছানো সেবাগুলোর একটি। সেই সঙ্গে এটি গুগলের ১৪তম পণ্য, যা মাসিক ১০০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করার কীর্তি গড়লো। তবে কেবল একক ‘জেমিনি’ অ্যাপ থেকে এই পরিসংখ্যান আসেনি। জিমেইল, গুগল সার্চ, ম্যাপস ও ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় সেবাগুলোতে জেমিনিকে যুক্ত করার ফলেই খুব দ্রুত কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পেরেছে এআই প্রযুক্তিটি। প্রযুক্তি বাজারে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো নিত্যনতুন ফিচার ও কোডিং সক্ষমতা বাড়াতে জোর দিলেও গুগলের এই বিশাল নেটওয়ার্কই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হিসেবে কাজ করছে।
জেমিনির এ রেকর্ড গড়ার সময়েই গুগলের এআই বিভাগে দেখা গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদল। জেমিনি তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা রাখা রসায়নে নোবেলজয়ী ডেমিস হাসাবিস প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া গুগলের দীর্ঘদিনের শীর্ষ প্রকৌশলী জেফ ডিনসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষকের বিদায়ের খবরও প্রযুক্তিপাড়ায় নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অন্যদিকে, গুগলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ওপেনএআই-ও জুলাইয়ে তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোতে ১০০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছোঁয়ার দাবি করেছিল। এআই প্রযুক্তির বাজারে আধিপত্য বিস্তারে ব্যবহারকারীর এ সংখ্যা এখন দুই টেক জায়ান্টের জন্যই অন্যতম প্রধান মাপকাঠি। তবে সার্চসহ দৈনন্দিন ডিজিটাল সেবার সঙ্গে জেমিনিকে জড়িয়ে দেওয়ার যে কৌশল গুগল নিয়েছিল, ১০০ কোটির এ অর্জনে তা শতভাগ সফল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ঝুঁকিতে আইফোন ব্যবহারকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট





