শেষ নাচের মঞ্চে আজ দেখা দুই বন্ধুর

শেষ নাচের মঞ্চে আজ দেখা দুই বন্ধুর
রুবেল আবিদ

বন্ধু কী খবর বল?
কতদিন দেখা হয়নি…
ম্যাচ শুরুর আগে টানেল দিয়ে মাঠে নামার আগে দুই বন্ধুর আলাপটা কি এভাবেই শুরু হবে! হচ্ছেন না হয় মুখোমুখি, সেটাও এমন এক ম্যাচে; যেটাতে হেরে গেলেই বিদায়। তাদতে কী? ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর লুকা মদরিচ দেখা হয়ে গেলে রিয়াল মাদ্রিদে বিগত আড্ডা আর ঠাট্টার সোনালি দিনগুলোর কথা মনে না পড়ে কি পারে!
দুই বন্ধু, দুই সাবেক সতীর্থের না হয় কত সুর আর কত গান মনে পড়ে যাবে! কিন্তু আপনি, যিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক, মেসির পাগল ভক্ত অথবা যিনি ব্রাজিল আর নেইমার ছাড়া অন্যকিছু বুঝতেই চান না; তাদের এতে কী এসে যায়! এসে যায়। কারণ, টরন্টোতে আজ বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় দেখা হচ্ছে দুই কিংবদন্তির।
আন্তর্জাতিক কিংবা ক্লাব ফুটবল– দুজনের লম্বা ক্যারিয়ারের গল্প নিয়ে যদি একটু বসেন, তাহলে এটাকে আর শুধুই একটা ফুটবল ম্যাচ মনে হবে না। এটাকে মনে হবে একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি। ভোর ৫টায় ঘুম থেকে হয়তো টেলিভিশনের সামনে বসলেন। প্রথা মেনে দুই দলের জাতীয় সংগীত বাজবে ম্যাচ শুরুর আগে।

কে জানে, সে সময় আপনার কাছে এমন মনে হবে কি না যে সময় খুব ধীরে বইছে! কারণ, রোনালদো-মদরিচের প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে হেঁটে যাবে বছরের পর বছরের ইতিহাস, সাধনা আর অমরত্বের প্রত্যাশার ওজন। আজ কোনো দ্বৈরথ নয়, নয় কোনো কোলাহল; বিশ্বমঞ্চে দুজনের শেষ নাচ শুরুর আগে শুধুই শ্রদ্ধা আর সম্মানের গান বাজুক।
এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেটা মানুষ শুধু জয়ের জন্যই খেলে। কিছু ম্যাচ খেলোয়াড়েরা খেলে পয়েন্ট পাওয়ার উদগ্র বাসনা নিয়ে। কিন্তু এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেগুলো কেউ কেউ খেলে নিজেদের ছাপ রেখে যাওয়ার জন্য। আজ পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচটি রোনালদো-মদরিচের জন্য তাদের বর্ণিল অতীতের ছাপ রেখে যাওয়ার উপলক্ষ।
এ ম্যাচটি শুরুর আগে টানেল থেকেই হয়তো দুজনের মনে পড়বে– সময় চলে গেছে এবং চলছে/চলতি জীবনের গল্প বলছে/পাল্টে গেলি তুই/আমিও পাল্টে গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে/বন্ধু কী খবর বল/কত দিন দেখা হয় নি!
কবির সুমনের এই গানটির মতোই তো পথ চলতে চলতে রোনালদো-মদরিচ কতটা পাল্টে গেছেন। দুজনেরই মনে পড়বে রিয়াল মাদ্রিদের সেই দিনগুলোর কথা। মাঝমাঠে মদরিচ, ফরোয়ার্ডে রোনালদো। মাঝমাঠ থেকে কত রক্ষণচেরা পাসই না রোনালদোর দিকে বাড়িয়েছেন মদরিচ।
রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদো ও মদরিচ একসঙ্গে খেলেছেন ৬ বছর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রোনালদো রিয়ালে নাম লেখান ২০০৯ সালে। এর ৩ বছর পর ২০১২ সালে দিনামো জাগরেব থেকে রিয়ালে যোগ দেন মদরিচ। ২০১৮ সালে রোনালদো জুভেন্টাসে চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত রিয়ালে একসঙ্গে ২২২টি ম্যাচ খেলেছৈন দুজন। রোনালদোর ১৪টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন মদরিচ, রোনালদোও মদরিচের ২টি গোলে করেছেন সহায়তা।

সব মিলিয়ে রিয়ালে দারুণ এক জুটি হয়ে উঠেছিলেন রোনালদো-মদরিচ। মাঠের সখ্যতা মাঠের বাইরেও গড়ায়। দুজনে খুব ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন ৬ বছরে। রোনালদো রিয়াল ছাড়ার পরও সেই বন্ধুতা নষ্ট হয়নি। রোনালদো তো সেই ২০১৮ থেকেই বদলাতে শুরু করেছেন। জুভেন্টাস থেকে ইউনাইটেড হয়ে এখন তিনি সৌদি আরবের ফুটবলে থিতু হয়েছেন। মদরিচ রিয়াল ছেড়েছেন গত বছর, নাম লিখিয়েছেন এসি মিলানে। তিনিও তো কম বদলাননি!
দুজনেরই সবচেয়ে বড় বদলটা হয়েছে বয়সে। বয়স বাড়তে বাড়তে রোনালদোর এখন ৪১ বছর, মদরিচের ৪০। সবাই ধরে নিয়েছে এটাই তাদের শেষ বিশ্বকাপ। সেদিক থেকে বিশ্বকাপে আজই একজনের শেষ নাচ! তা বিশ্বকাপে রোনালদো বা মদরিচ, যার নাচই আজ শেষ হোক, ছাপ থাকুক দুজনেরই; বিশ্বব্যাপী ফুটবল রোমান্টিকরা সেই প্রত্যাশাই করবে।

বন্ধু কী খবর বল?
কতদিন দেখা হয়নি…
ম্যাচ শুরুর আগে টানেল দিয়ে মাঠে নামার আগে দুই বন্ধুর আলাপটা কি এভাবেই শুরু হবে! হচ্ছেন না হয় মুখোমুখি, সেটাও এমন এক ম্যাচে; যেটাতে হেরে গেলেই বিদায়। তাদতে কী? ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর লুকা মদরিচ দেখা হয়ে গেলে রিয়াল মাদ্রিদে বিগত আড্ডা আর ঠাট্টার সোনালি দিনগুলোর কথা মনে না পড়ে কি পারে!
দুই বন্ধু, দুই সাবেক সতীর্থের না হয় কত সুর আর কত গান মনে পড়ে যাবে! কিন্তু আপনি, যিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক, মেসির পাগল ভক্ত অথবা যিনি ব্রাজিল আর নেইমার ছাড়া অন্যকিছু বুঝতেই চান না; তাদের এতে কী এসে যায়! এসে যায়। কারণ, টরন্টোতে আজ বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় দেখা হচ্ছে দুই কিংবদন্তির।
আন্তর্জাতিক কিংবা ক্লাব ফুটবল– দুজনের লম্বা ক্যারিয়ারের গল্প নিয়ে যদি একটু বসেন, তাহলে এটাকে আর শুধুই একটা ফুটবল ম্যাচ মনে হবে না। এটাকে মনে হবে একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি। ভোর ৫টায় ঘুম থেকে হয়তো টেলিভিশনের সামনে বসলেন। প্রথা মেনে দুই দলের জাতীয় সংগীত বাজবে ম্যাচ শুরুর আগে।

কে জানে, সে সময় আপনার কাছে এমন মনে হবে কি না যে সময় খুব ধীরে বইছে! কারণ, রোনালদো-মদরিচের প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে হেঁটে যাবে বছরের পর বছরের ইতিহাস, সাধনা আর অমরত্বের প্রত্যাশার ওজন। আজ কোনো দ্বৈরথ নয়, নয় কোনো কোলাহল; বিশ্বমঞ্চে দুজনের শেষ নাচ শুরুর আগে শুধুই শ্রদ্ধা আর সম্মানের গান বাজুক।
এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেটা মানুষ শুধু জয়ের জন্যই খেলে। কিছু ম্যাচ খেলোয়াড়েরা খেলে পয়েন্ট পাওয়ার উদগ্র বাসনা নিয়ে। কিন্তু এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেগুলো কেউ কেউ খেলে নিজেদের ছাপ রেখে যাওয়ার জন্য। আজ পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচটি রোনালদো-মদরিচের জন্য তাদের বর্ণিল অতীতের ছাপ রেখে যাওয়ার উপলক্ষ।
এ ম্যাচটি শুরুর আগে টানেল থেকেই হয়তো দুজনের মনে পড়বে– সময় চলে গেছে এবং চলছে/চলতি জীবনের গল্প বলছে/পাল্টে গেলি তুই/আমিও পাল্টে গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে/বন্ধু কী খবর বল/কত দিন দেখা হয় নি!
কবির সুমনের এই গানটির মতোই তো পথ চলতে চলতে রোনালদো-মদরিচ কতটা পাল্টে গেছেন। দুজনেরই মনে পড়বে রিয়াল মাদ্রিদের সেই দিনগুলোর কথা। মাঝমাঠে মদরিচ, ফরোয়ার্ডে রোনালদো। মাঝমাঠ থেকে কত রক্ষণচেরা পাসই না রোনালদোর দিকে বাড়িয়েছেন মদরিচ।
রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদো ও মদরিচ একসঙ্গে খেলেছেন ৬ বছর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রোনালদো রিয়ালে নাম লেখান ২০০৯ সালে। এর ৩ বছর পর ২০১২ সালে দিনামো জাগরেব থেকে রিয়ালে যোগ দেন মদরিচ। ২০১৮ সালে রোনালদো জুভেন্টাসে চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত রিয়ালে একসঙ্গে ২২২টি ম্যাচ খেলেছৈন দুজন। রোনালদোর ১৪টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন মদরিচ, রোনালদোও মদরিচের ২টি গোলে করেছেন সহায়তা।

সব মিলিয়ে রিয়ালে দারুণ এক জুটি হয়ে উঠেছিলেন রোনালদো-মদরিচ। মাঠের সখ্যতা মাঠের বাইরেও গড়ায়। দুজনে খুব ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন ৬ বছরে। রোনালদো রিয়াল ছাড়ার পরও সেই বন্ধুতা নষ্ট হয়নি। রোনালদো তো সেই ২০১৮ থেকেই বদলাতে শুরু করেছেন। জুভেন্টাস থেকে ইউনাইটেড হয়ে এখন তিনি সৌদি আরবের ফুটবলে থিতু হয়েছেন। মদরিচ রিয়াল ছেড়েছেন গত বছর, নাম লিখিয়েছেন এসি মিলানে। তিনিও তো কম বদলাননি!
দুজনেরই সবচেয়ে বড় বদলটা হয়েছে বয়সে। বয়স বাড়তে বাড়তে রোনালদোর এখন ৪১ বছর, মদরিচের ৪০। সবাই ধরে নিয়েছে এটাই তাদের শেষ বিশ্বকাপ। সেদিক থেকে বিশ্বকাপে আজই একজনের শেষ নাচ! তা বিশ্বকাপে রোনালদো বা মদরিচ, যার নাচই আজ শেষ হোক, ছাপ থাকুক দুজনেরই; বিশ্বব্যাপী ফুটবল রোমান্টিকরা সেই প্রত্যাশাই করবে।

শেষ নাচের মঞ্চে আজ দেখা দুই বন্ধুর
রুবেল আবিদ

বন্ধু কী খবর বল?
কতদিন দেখা হয়নি…
ম্যাচ শুরুর আগে টানেল দিয়ে মাঠে নামার আগে দুই বন্ধুর আলাপটা কি এভাবেই শুরু হবে! হচ্ছেন না হয় মুখোমুখি, সেটাও এমন এক ম্যাচে; যেটাতে হেরে গেলেই বিদায়। তাদতে কী? ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর লুকা মদরিচ দেখা হয়ে গেলে রিয়াল মাদ্রিদে বিগত আড্ডা আর ঠাট্টার সোনালি দিনগুলোর কথা মনে না পড়ে কি পারে!
দুই বন্ধু, দুই সাবেক সতীর্থের না হয় কত সুর আর কত গান মনে পড়ে যাবে! কিন্তু আপনি, যিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক, মেসির পাগল ভক্ত অথবা যিনি ব্রাজিল আর নেইমার ছাড়া অন্যকিছু বুঝতেই চান না; তাদের এতে কী এসে যায়! এসে যায়। কারণ, টরন্টোতে আজ বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় দেখা হচ্ছে দুই কিংবদন্তির।
আন্তর্জাতিক কিংবা ক্লাব ফুটবল– দুজনের লম্বা ক্যারিয়ারের গল্প নিয়ে যদি একটু বসেন, তাহলে এটাকে আর শুধুই একটা ফুটবল ম্যাচ মনে হবে না। এটাকে মনে হবে একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি। ভোর ৫টায় ঘুম থেকে হয়তো টেলিভিশনের সামনে বসলেন। প্রথা মেনে দুই দলের জাতীয় সংগীত বাজবে ম্যাচ শুরুর আগে।

কে জানে, সে সময় আপনার কাছে এমন মনে হবে কি না যে সময় খুব ধীরে বইছে! কারণ, রোনালদো-মদরিচের প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে হেঁটে যাবে বছরের পর বছরের ইতিহাস, সাধনা আর অমরত্বের প্রত্যাশার ওজন। আজ কোনো দ্বৈরথ নয়, নয় কোনো কোলাহল; বিশ্বমঞ্চে দুজনের শেষ নাচ শুরুর আগে শুধুই শ্রদ্ধা আর সম্মানের গান বাজুক।
এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেটা মানুষ শুধু জয়ের জন্যই খেলে। কিছু ম্যাচ খেলোয়াড়েরা খেলে পয়েন্ট পাওয়ার উদগ্র বাসনা নিয়ে। কিন্তু এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেগুলো কেউ কেউ খেলে নিজেদের ছাপ রেখে যাওয়ার জন্য। আজ পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচটি রোনালদো-মদরিচের জন্য তাদের বর্ণিল অতীতের ছাপ রেখে যাওয়ার উপলক্ষ।
এ ম্যাচটি শুরুর আগে টানেল থেকেই হয়তো দুজনের মনে পড়বে– সময় চলে গেছে এবং চলছে/চলতি জীবনের গল্প বলছে/পাল্টে গেলি তুই/আমিও পাল্টে গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে/বন্ধু কী খবর বল/কত দিন দেখা হয় নি!
কবির সুমনের এই গানটির মতোই তো পথ চলতে চলতে রোনালদো-মদরিচ কতটা পাল্টে গেছেন। দুজনেরই মনে পড়বে রিয়াল মাদ্রিদের সেই দিনগুলোর কথা। মাঝমাঠে মদরিচ, ফরোয়ার্ডে রোনালদো। মাঝমাঠ থেকে কত রক্ষণচেরা পাসই না রোনালদোর দিকে বাড়িয়েছেন মদরিচ।
রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদো ও মদরিচ একসঙ্গে খেলেছেন ৬ বছর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রোনালদো রিয়ালে নাম লেখান ২০০৯ সালে। এর ৩ বছর পর ২০১২ সালে দিনামো জাগরেব থেকে রিয়ালে যোগ দেন মদরিচ। ২০১৮ সালে রোনালদো জুভেন্টাসে চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত রিয়ালে একসঙ্গে ২২২টি ম্যাচ খেলেছৈন দুজন। রোনালদোর ১৪টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন মদরিচ, রোনালদোও মদরিচের ২টি গোলে করেছেন সহায়তা।

সব মিলিয়ে রিয়ালে দারুণ এক জুটি হয়ে উঠেছিলেন রোনালদো-মদরিচ। মাঠের সখ্যতা মাঠের বাইরেও গড়ায়। দুজনে খুব ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন ৬ বছরে। রোনালদো রিয়াল ছাড়ার পরও সেই বন্ধুতা নষ্ট হয়নি। রোনালদো তো সেই ২০১৮ থেকেই বদলাতে শুরু করেছেন। জুভেন্টাস থেকে ইউনাইটেড হয়ে এখন তিনি সৌদি আরবের ফুটবলে থিতু হয়েছেন। মদরিচ রিয়াল ছেড়েছেন গত বছর, নাম লিখিয়েছেন এসি মিলানে। তিনিও তো কম বদলাননি!
দুজনেরই সবচেয়ে বড় বদলটা হয়েছে বয়সে। বয়স বাড়তে বাড়তে রোনালদোর এখন ৪১ বছর, মদরিচের ৪০। সবাই ধরে নিয়েছে এটাই তাদের শেষ বিশ্বকাপ। সেদিক থেকে বিশ্বকাপে আজই একজনের শেষ নাচ! তা বিশ্বকাপে রোনালদো বা মদরিচ, যার নাচই আজ শেষ হোক, ছাপ থাকুক দুজনেরই; বিশ্বব্যাপী ফুটবল রোমান্টিকরা সেই প্রত্যাশাই করবে।




