কাজী নজরুল ইসলামের হৃদয়ে ছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

কাজী নজরুল ইসলামের হৃদয়ে ছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে ধারণ করেছে।’
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ত্রিশালে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারী কাজী নজরুল ইসলাম। দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও তিনি প্রাসঙ্গিক।
তিনি বলেন, প্রযুক্তির বর্তমান বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে কাজী নজরুলের ‘আমি হবো সকাল বেলার পাখি’ অথবা ‘থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে’ এ ধরনের কবিতা প্রজন্মের কাছে আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে।
এর আগে গত ২১ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীকে ঘিরে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ ঘোষণা আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। চলতি বছরের ২৫ মে থেকে এটা কার্যকর হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে ধারণ করেছে।’
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ত্রিশালে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারী কাজী নজরুল ইসলাম। দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও তিনি প্রাসঙ্গিক।
তিনি বলেন, প্রযুক্তির বর্তমান বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে কাজী নজরুলের ‘আমি হবো সকাল বেলার পাখি’ অথবা ‘থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে’ এ ধরনের কবিতা প্রজন্মের কাছে আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে।
এর আগে গত ২১ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীকে ঘিরে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ ঘোষণা আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। চলতি বছরের ২৫ মে থেকে এটা কার্যকর হবে।

কাজী নজরুল ইসলামের হৃদয়ে ছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে ধারণ করেছে।’
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ত্রিশালে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারী কাজী নজরুল ইসলাম। দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও তিনি প্রাসঙ্গিক।
তিনি বলেন, প্রযুক্তির বর্তমান বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে কাজী নজরুলের ‘আমি হবো সকাল বেলার পাখি’ অথবা ‘থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে’ এ ধরনের কবিতা প্রজন্মের কাছে আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে।
এর আগে গত ২১ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীকে ঘিরে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ ঘোষণা আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। চলতি বছরের ২৫ মে থেকে এটা কার্যকর হবে।

এবছর কবি কাজী নজরুল পদক পাচ্ছেন চার গুণী


