শিরোনাম

জাবির আবাসিক হলে কালেমা খচিত পতাকা, ৪ ছাত্রকে শোকজ

জাবি প্রতিনিধি
জাবি প্রতিনিধি
জাবির আবাসিক হলে কালেমা খচিত পতাকা, ৪ ছাত্রকে শোকজ
গত ২৭ জুন জাবির জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের বারান্দায় কালেমা খচিত একটি পতাকা টানানো হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় চার শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে প্রশাসন। একইসঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন– জাবির লোক প্রশাসন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের মোহাম্মদ রাকিব, রসায়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের গিয়াসউদ্দিন সুমন, ৫৩তম ব্যাচের আরিফ হাসনাত শামীম এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের সাদ আব্দুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) হলের ওয়ার্ডেন ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেনের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হলের ওয়ার্ডেন উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল এবং ড. সাহাদাত হোসেন।

নোটিশে বলা হয়, গত ২৭ জুন হলের তৃতীয় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত একটি পতাকা টানানো হয়। পরে এ সংক্রান্ত ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

হল প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ওই চারজন এ ঘটনার দায় থেকে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি দিতে পারেন না। এ কারণে তাদের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেনের কার্যালয়ে তাদের ব্যাখ্যা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মতামত ও আলোচনা তৈরি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বক্তব্য লিখিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করেছেন– এমন ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলা হতে পারে। পুরো বিষয়টি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

/এফআর/