শিরোনাম

বরখাস্ত হওয়া বাংলাদেশ কোচের পোস্ট, ‘মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছি’

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
বরখাস্ত হওয়া বাংলাদেশ কোচের পোস্ট, ‘মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছি’
জেরার্ড জোনস

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে টানা দুই হারে বাংলাদেশের মূল পর্বে ওঠার আশা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রধান কোচ জেরার্ড জোনসকে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের চার দিন পর যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি থেকে ফেসবুকে দেওয়া দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে জোনস দাবি করেছেন, বাংলাদেশে কাজ করার সময় ব্যক্তিগত আক্রমণের পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছেন।

জোনস লিখেছেন, ‘ফুটবলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করা ন্যায্য। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং মেরে ফেলার হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি কিছু অত্যন্ত বাজে বার্তা পেয়েছি, আমার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করা হয়েছে এবং মেরে ফেলার হুমকিও পেয়েছি। আমি একজন স্বামী, একজন বাবা এবং একজন সন্তান।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের দায়িত্ব থেকে জোনসকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তার সঙ্গে করা চুক্তি বাতিল করেছে বাফুফে।

বাফুফের একটি সূত্র জানিয়েছিল, গত ১৯ আগস্ট টিম হোটেলে সহকারী কোচ আতিকুর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা এবং ফল বিপর্যয়ের জেরেই জোনসকে সরানো হয়েছে। ওই ঘটনার দিন জোনস জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকেন।

তবে জোনস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের হয়ে কাজ করার সময়টাকে শুধু ফলাফলের দৃষ্টিতে দেখতে রাজি নন। তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে আমি শুধু জাতীয় দলের ফলাফল নিয়ে কাজ করতে যাইনি। যুব উন্নয়ন, কোচ তৈরি, প্রতিভা শনাক্তকরণ এবং প্রবাসী খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করার মতো বৃহত্তর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সময় ছিল খুব কম।’

বাংলাদেশ দলের সঙ্গে প্রায় ৯ সপ্তাহ কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন জোনস। তিনি দাবি করেন, ‘অনুশীলনে আমরা যে ফুটবল তৈরি করেছিলাম, মাঠে সেটি ধারাবাহিকভাবে খেলতে পারিনি। দলটি আমাদের প্রস্তুতির সময় যে নীতিগুলো তৈরি করেছিল, তার তুলনায় অনেকটাই অচেনা হয়ে গিয়েছিল।’

তবে দুটি ম্যাচের ফল দিয়ে নিজের দীর্ঘ কোচিং ক্যারিয়ারকে বিচার করতে চান না জোনস। বাংলাদেশের ফুটবলের কাঠামো নিয়েও নিজের মূল্যায়ন দিয়েছেন তিনি। জোনসের মতে, ‘এশিয়ার শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে খেলোয়াড় বাছাই, অবকাঠামো, ফুটবল সংস্কৃতি ও উচ্চপর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।’

/টিই/