শিরোনাম

হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
জোড়া গোলে ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক হ্যারি কেইন

আটলান্টায় শেষ-৩২ রাউন্ডে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। তবে জোড়া গোলে ইংল্যান্ডকে জিতিয়ে শেষ ষোলোতে তুলেছেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপে কেইনের মোট গোলসংখ্যা হলো ১৩টি, চলতি আসরেই করেছেন ৫টি। ইংল্যান্ড ম্যাচটা জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।

ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গা ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান। চমৎকার গোলের উৎস কঙ্গোর অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বা। ২৯ মিনিটে জুড বেলিংহাম একটি ক্রস বাতাসে ভেসে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে গোলপোস্টের ডান দিকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি যেন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন।

৩৫ মিনিটে রাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকে ব্লক হয় এক ডিফেন্ডার গায়ে লেগে। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারতো। ভিসার শট পোস্টে লাগে। পাল্টা আক্রমণে বল পেয়ে কঙ্গোর বক্সে চলে গিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। তবে গোলকিপার খানিকটা এগিয়ে আসেন। বল দখলের লড়াইয়ে পড়ে যান কেইন।

ইংল্যান্ড দল পেনাল্টির আবেদন করলেও তাতে সাড়া মেলেনি। ভিএআর চেক করেও পেনাল্টি দেয়নি। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের আরও একটি গোলের চেষ্টা রুখে দেন গোলকিপার লিওনেল এমপাসি। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে ডেকলাইন রাইসের শট রখে দেন কঙ্গোর গোলকিপার। তা দেখে যেনো বিশ্বাসই হচ্ছিলো না হ্যারি কেইনের।

৫০ মিনিটে রাশফোর্ডের শট সাইডজাল কাপায়। ৫৪ মিনিটে দুর্দান্ত সেভ দেন এমপাসি। ৬০ মিনিটে সাকা ও গর্ডনকে মাঠে নামান কোচ টমাস টুখেল। ইংল্যান্ড আক্রমণের ধারা বজায় রাখে। ৭৫ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে মাঠের বাঁ-প্রান্ত থেকে গর্ডনের ক্রসে হেড করে গোল করেন হ্যারি কেইন।

গোল শোধের পর আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ইংলিশরা। কঙ্গো দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম শট নেয় ৮৫ মিনিটে। তবে পরের মিনিটেই কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ইংল্যান্ড। এবারও গোলদাতা হ্যারি কেইন। বেলিংহ্যামের শট রুখে দেন গোলকিপার। বল পান গর্ডন। তিনি দেন বক্সে থাকা কেইনকে। কেইন একটু জায়গা করে নিয়ে খানিকটা ডানে গিয়ে বুলেট গতির শটে বল জালে পাঠান।

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। দীর্ঘ ৬০ বছর পর আবারও প্রথমে গোল হজম করেও ম্যাচ জিতলো ইংল্যান্ড।

/টিই/