অর্কেস্ট্রায় বিশ্বকাপ জমাচ্ছেন তারা

অর্কেস্ট্রায় বিশ্বকাপ জমাচ্ছেন তারা
রুবেল আবিদ

মরক্কোর বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস সেভাবে আলো কাড়লেন কই! কেপ ভার্দের বিপক্ষে লামিনে ইয়ামালকে তো খুঁজেই পাওয়া গেল না। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে তালটা সেভাবে মেলাতে পারলেন কোথায় আর উসমান দেম্বেলে তো রইলেন ছায়া হয়ে!
নাহ্, এভাবে তো চলবে না– আলজেরিয়ার বিপক্ষে এই বলেই মঞ্চে আবির্ভাব লিওনেল মেসির। অর্কেস্ট্রার দক্ষ ব্যাটন মাস্টারের মতো তিনি যেন নাচালেন তার ছোট্ট লাঠিটি! দারুণ হ্যাটট্রিকের ভাষায় এমবাপ্পে, ভিনি, দেম্বেলে, হলান্ডদের হয়তো বললেন– যার যার বাদ্যযন্ত্র হাতে নাও, এমন করে বাজাও; যেন বিশ্বকাপটা নেচে ওঠে আপন ছন্দে!
ব্যাটন মাস্টারের লাঠির ইশারা কি আর এড়িয়ে যেতে পারে অর্কেস্ট্রার বাজিয়েরা! তাই তো ব্রাজিলের পরের ম্যাচেই যেন বেহালায় দারুণ এক সুর তুললেন ভিনিসিয়ুস, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও থামেনি সেই সুর। তার সেই সুরের লহরিতে নেচেছে ফুটবলবিশ্ব। শেষ বত্রিশে গোল পাননি, তবে একই লয়ে ভিনি বাজিয়ে গেলেন তার বেহালা।
ইরাকের বিপক্ষে এমবাপ্পে যেন মাঠে নেমেছিলেন অর্কেস্ট্রা দলের বাঁশের বাঁশিটা বাজাতে। তার সেই বাশের বাঁশি যেন ইরাকের জন্য হয়ে উঠল ডাকাতিয়া বাঁশি। তীব্র, কিন্তু মধুময় সুরে তিনি মোহিত করলেন ফুটবল রোমান্টিকদের। এমবাপ্পের সেই বিষের বাঁশি জোড়া আঘাতে বিদ্ধ করেছে ইরাককে।
আর্লিং হলান্ড তো শুরু থেকেই বাজিয়ে যাচ্ছিলেন তার ড্রামস। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে সেনাগালকেও উড়িয়ে দিলেন ‘ডাবল–কিকে’। অর্কেস্ট্রার পরের শোতে নরওয়ের কোচ ‘দ্য ড্রামার’ হলান্ডকে বিশ্রাম দেন। বিশ্রাম কাটিয়ে গতকাল রাতে শেষ বত্রিশের ম্যাচে ফিরেই আবার দারুণ তালে নিজের ড্রামস বাজালেন হলান্ড।
একে একে সবাই যখন নিজেদের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নেমে পড়েছেন ব্যাটন মাস্টার মেসির দেওয়া অনুপ্রেরণা সঙ্গী করে, উসমান দেম্বেলেই বা বাদ যাবেন কেন! ফ্রেঞ্চ হর্ন নিয়ে তিনি পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এলেন ফ্রান্সের শেষ গ্রুপ ম্যাচে। নরওয়ের বিপক্ষে গুনে গুনে তিনবার বাজালেন ফ্রেঞ্চ হর্ন। দারুণ হ্যাটট্রিকে নাচালেন বিশ্বকাপ!
সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছে ফুটবল অর্কেস্ট্রার দারুণ এক শো। সেখানে মেসি এখন পর্যন্ত খেলা তিন ম্যাচের ব্যাটন ঘুরিয়েছেন অসাধারণ দক্ষতায়। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে আরও এক গোল– সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপে ৬ গোল হয়ে গেল আর্জেন্টিনার অধিনায়কের।
মেসির ৬ গোল, এমবাপ্পেরও তাই। এতেই জমে উঠেছে লড়াইয়ের মধ্যে আরেক লড়াই, যেটা বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের নয়; গোল্ডেন বুট জয়ের। কে হবেন এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা– এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দেওয়া কঠিনই হয়ে পড়েছে। ৬ গোলের সঙ্গে ২টি অ্যাসিস্ট করে এ লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে এমবাপ্পে। ৬ গোল নিয়ে তার পরই মেসি। এরপর আছেন হলান্ড (৫ গোল), ভিনিসিয়ুস ও দেম্বলে (৪টি করে গোল)।
দেখা যাক, সবাই মিলে নিজেদের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সুরের যে ঝংকার তুলেছেন বিশ্বকাপে, সেটা শেষ পর্যন্ত আর কতদিন থাকে। আর সুরের শেষ ঝংকারটাই কার যন্ত্র থেকে আসে!

মরক্কোর বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস সেভাবে আলো কাড়লেন কই! কেপ ভার্দের বিপক্ষে লামিনে ইয়ামালকে তো খুঁজেই পাওয়া গেল না। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে তালটা সেভাবে মেলাতে পারলেন কোথায় আর উসমান দেম্বেলে তো রইলেন ছায়া হয়ে!
নাহ্, এভাবে তো চলবে না– আলজেরিয়ার বিপক্ষে এই বলেই মঞ্চে আবির্ভাব লিওনেল মেসির। অর্কেস্ট্রার দক্ষ ব্যাটন মাস্টারের মতো তিনি যেন নাচালেন তার ছোট্ট লাঠিটি! দারুণ হ্যাটট্রিকের ভাষায় এমবাপ্পে, ভিনি, দেম্বেলে, হলান্ডদের হয়তো বললেন– যার যার বাদ্যযন্ত্র হাতে নাও, এমন করে বাজাও; যেন বিশ্বকাপটা নেচে ওঠে আপন ছন্দে!
ব্যাটন মাস্টারের লাঠির ইশারা কি আর এড়িয়ে যেতে পারে অর্কেস্ট্রার বাজিয়েরা! তাই তো ব্রাজিলের পরের ম্যাচেই যেন বেহালায় দারুণ এক সুর তুললেন ভিনিসিয়ুস, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও থামেনি সেই সুর। তার সেই সুরের লহরিতে নেচেছে ফুটবলবিশ্ব। শেষ বত্রিশে গোল পাননি, তবে একই লয়ে ভিনি বাজিয়ে গেলেন তার বেহালা।
ইরাকের বিপক্ষে এমবাপ্পে যেন মাঠে নেমেছিলেন অর্কেস্ট্রা দলের বাঁশের বাঁশিটা বাজাতে। তার সেই বাশের বাঁশি যেন ইরাকের জন্য হয়ে উঠল ডাকাতিয়া বাঁশি। তীব্র, কিন্তু মধুময় সুরে তিনি মোহিত করলেন ফুটবল রোমান্টিকদের। এমবাপ্পের সেই বিষের বাঁশি জোড়া আঘাতে বিদ্ধ করেছে ইরাককে।
আর্লিং হলান্ড তো শুরু থেকেই বাজিয়ে যাচ্ছিলেন তার ড্রামস। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে সেনাগালকেও উড়িয়ে দিলেন ‘ডাবল–কিকে’। অর্কেস্ট্রার পরের শোতে নরওয়ের কোচ ‘দ্য ড্রামার’ হলান্ডকে বিশ্রাম দেন। বিশ্রাম কাটিয়ে গতকাল রাতে শেষ বত্রিশের ম্যাচে ফিরেই আবার দারুণ তালে নিজের ড্রামস বাজালেন হলান্ড।
একে একে সবাই যখন নিজেদের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নেমে পড়েছেন ব্যাটন মাস্টার মেসির দেওয়া অনুপ্রেরণা সঙ্গী করে, উসমান দেম্বেলেই বা বাদ যাবেন কেন! ফ্রেঞ্চ হর্ন নিয়ে তিনি পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এলেন ফ্রান্সের শেষ গ্রুপ ম্যাচে। নরওয়ের বিপক্ষে গুনে গুনে তিনবার বাজালেন ফ্রেঞ্চ হর্ন। দারুণ হ্যাটট্রিকে নাচালেন বিশ্বকাপ!
সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছে ফুটবল অর্কেস্ট্রার দারুণ এক শো। সেখানে মেসি এখন পর্যন্ত খেলা তিন ম্যাচের ব্যাটন ঘুরিয়েছেন অসাধারণ দক্ষতায়। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে আরও এক গোল– সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপে ৬ গোল হয়ে গেল আর্জেন্টিনার অধিনায়কের।
মেসির ৬ গোল, এমবাপ্পেরও তাই। এতেই জমে উঠেছে লড়াইয়ের মধ্যে আরেক লড়াই, যেটা বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের নয়; গোল্ডেন বুট জয়ের। কে হবেন এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা– এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দেওয়া কঠিনই হয়ে পড়েছে। ৬ গোলের সঙ্গে ২টি অ্যাসিস্ট করে এ লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে এমবাপ্পে। ৬ গোল নিয়ে তার পরই মেসি। এরপর আছেন হলান্ড (৫ গোল), ভিনিসিয়ুস ও দেম্বলে (৪টি করে গোল)।
দেখা যাক, সবাই মিলে নিজেদের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সুরের যে ঝংকার তুলেছেন বিশ্বকাপে, সেটা শেষ পর্যন্ত আর কতদিন থাকে। আর সুরের শেষ ঝংকারটাই কার যন্ত্র থেকে আসে!

অর্কেস্ট্রায় বিশ্বকাপ জমাচ্ছেন তারা
রুবেল আবিদ

মরক্কোর বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস সেভাবে আলো কাড়লেন কই! কেপ ভার্দের বিপক্ষে লামিনে ইয়ামালকে তো খুঁজেই পাওয়া গেল না। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে তালটা সেভাবে মেলাতে পারলেন কোথায় আর উসমান দেম্বেলে তো রইলেন ছায়া হয়ে!
নাহ্, এভাবে তো চলবে না– আলজেরিয়ার বিপক্ষে এই বলেই মঞ্চে আবির্ভাব লিওনেল মেসির। অর্কেস্ট্রার দক্ষ ব্যাটন মাস্টারের মতো তিনি যেন নাচালেন তার ছোট্ট লাঠিটি! দারুণ হ্যাটট্রিকের ভাষায় এমবাপ্পে, ভিনি, দেম্বেলে, হলান্ডদের হয়তো বললেন– যার যার বাদ্যযন্ত্র হাতে নাও, এমন করে বাজাও; যেন বিশ্বকাপটা নেচে ওঠে আপন ছন্দে!
ব্যাটন মাস্টারের লাঠির ইশারা কি আর এড়িয়ে যেতে পারে অর্কেস্ট্রার বাজিয়েরা! তাই তো ব্রাজিলের পরের ম্যাচেই যেন বেহালায় দারুণ এক সুর তুললেন ভিনিসিয়ুস, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও থামেনি সেই সুর। তার সেই সুরের লহরিতে নেচেছে ফুটবলবিশ্ব। শেষ বত্রিশে গোল পাননি, তবে একই লয়ে ভিনি বাজিয়ে গেলেন তার বেহালা।
ইরাকের বিপক্ষে এমবাপ্পে যেন মাঠে নেমেছিলেন অর্কেস্ট্রা দলের বাঁশের বাঁশিটা বাজাতে। তার সেই বাশের বাঁশি যেন ইরাকের জন্য হয়ে উঠল ডাকাতিয়া বাঁশি। তীব্র, কিন্তু মধুময় সুরে তিনি মোহিত করলেন ফুটবল রোমান্টিকদের। এমবাপ্পের সেই বিষের বাঁশি জোড়া আঘাতে বিদ্ধ করেছে ইরাককে।
আর্লিং হলান্ড তো শুরু থেকেই বাজিয়ে যাচ্ছিলেন তার ড্রামস। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে সেনাগালকেও উড়িয়ে দিলেন ‘ডাবল–কিকে’। অর্কেস্ট্রার পরের শোতে নরওয়ের কোচ ‘দ্য ড্রামার’ হলান্ডকে বিশ্রাম দেন। বিশ্রাম কাটিয়ে গতকাল রাতে শেষ বত্রিশের ম্যাচে ফিরেই আবার দারুণ তালে নিজের ড্রামস বাজালেন হলান্ড।
একে একে সবাই যখন নিজেদের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নেমে পড়েছেন ব্যাটন মাস্টার মেসির দেওয়া অনুপ্রেরণা সঙ্গী করে, উসমান দেম্বেলেই বা বাদ যাবেন কেন! ফ্রেঞ্চ হর্ন নিয়ে তিনি পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এলেন ফ্রান্সের শেষ গ্রুপ ম্যাচে। নরওয়ের বিপক্ষে গুনে গুনে তিনবার বাজালেন ফ্রেঞ্চ হর্ন। দারুণ হ্যাটট্রিকে নাচালেন বিশ্বকাপ!
সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছে ফুটবল অর্কেস্ট্রার দারুণ এক শো। সেখানে মেসি এখন পর্যন্ত খেলা তিন ম্যাচের ব্যাটন ঘুরিয়েছেন অসাধারণ দক্ষতায়। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে আরও এক গোল– সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপে ৬ গোল হয়ে গেল আর্জেন্টিনার অধিনায়কের।
মেসির ৬ গোল, এমবাপ্পেরও তাই। এতেই জমে উঠেছে লড়াইয়ের মধ্যে আরেক লড়াই, যেটা বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের নয়; গোল্ডেন বুট জয়ের। কে হবেন এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা– এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দেওয়া কঠিনই হয়ে পড়েছে। ৬ গোলের সঙ্গে ২টি অ্যাসিস্ট করে এ লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে এমবাপ্পে। ৬ গোল নিয়ে তার পরই মেসি। এরপর আছেন হলান্ড (৫ গোল), ভিনিসিয়ুস ও দেম্বলে (৪টি করে গোল)।
দেখা যাক, সবাই মিলে নিজেদের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সুরের যে ঝংকার তুলেছেন বিশ্বকাপে, সেটা শেষ পর্যন্ত আর কতদিন থাকে। আর সুরের শেষ ঝংকারটাই কার যন্ত্র থেকে আসে!

গোল্ডেন বুট নয়, সোনালি ট্রফিতে চোখ এমবাপ্পের


