প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে ডিআর কঙ্গো

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে ডিআর কঙ্গো
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ-৩২ এর ম্যাচে আটলান্টায় ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর। ফুটবল ঐতিহ্যে ইংলিশদের ধারের কাছেও নেই ডিআর কঙ্গো। এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই নেমেছে হ্যারি কেইনের দল। তবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে আছে তারা।
প্রথমার্ধ শেষে ডিআর কঙ্গো ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গা ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান। চমৎকার গোলের উৎস কঙ্গোর অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বা।
২৯ মিনিটে জুড বেলিংহাম একটি ক্রস বাতাসে ভেসে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে গোলপোস্টের ডান দিকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি যেন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন।
৩৫ মিনিটে রাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকে ব্লক হয় এক ডিফেন্ডার গায়ে লেগে। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারতো। ভিসার শট পোস্টে লাগে। পাল্টা আক্রমণে বল পেয়ে কঙ্গোর বক্সে চলে গিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। তবে গোলকিপার খানিকটা এগিয়ে আসেন। বল দখলের লড়াইয়ে পড়ে যান কেইন।
ইংল্যান্ড দল পেনাল্টির আবেদন করলেও তাতে সাড়া মেলেনি। ভিএআর চেক করেও পেনাল্টি দেয়নি। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের আরও একটি গোলের চেষ্টা রুখে দেন গোলকিপার লিওনেল এমপাসি। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে ডেকলাইন রাইসের শট রখে দেন কঙ্গোর গোলকিপার। তা দেখে যেনো বিশ্বাসই হচ্ছিলো না হ্যারি কেইনের।
ইতিহাস এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কথা বলছে! পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে, ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর কেটে গেছে, কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারেনি থ্রি-লায়নরা।

শেষ-৩২ এর ম্যাচে আটলান্টায় ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর। ফুটবল ঐতিহ্যে ইংলিশদের ধারের কাছেও নেই ডিআর কঙ্গো। এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই নেমেছে হ্যারি কেইনের দল। তবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে আছে তারা।
প্রথমার্ধ শেষে ডিআর কঙ্গো ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গা ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান। চমৎকার গোলের উৎস কঙ্গোর অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বা।
২৯ মিনিটে জুড বেলিংহাম একটি ক্রস বাতাসে ভেসে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে গোলপোস্টের ডান দিকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি যেন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন।
৩৫ মিনিটে রাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকে ব্লক হয় এক ডিফেন্ডার গায়ে লেগে। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারতো। ভিসার শট পোস্টে লাগে। পাল্টা আক্রমণে বল পেয়ে কঙ্গোর বক্সে চলে গিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। তবে গোলকিপার খানিকটা এগিয়ে আসেন। বল দখলের লড়াইয়ে পড়ে যান কেইন।
ইংল্যান্ড দল পেনাল্টির আবেদন করলেও তাতে সাড়া মেলেনি। ভিএআর চেক করেও পেনাল্টি দেয়নি। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের আরও একটি গোলের চেষ্টা রুখে দেন গোলকিপার লিওনেল এমপাসি। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে ডেকলাইন রাইসের শট রখে দেন কঙ্গোর গোলকিপার। তা দেখে যেনো বিশ্বাসই হচ্ছিলো না হ্যারি কেইনের।
ইতিহাস এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কথা বলছে! পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে, ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর কেটে গেছে, কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারেনি থ্রি-লায়নরা।

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে ডিআর কঙ্গো
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ-৩২ এর ম্যাচে আটলান্টায় ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর। ফুটবল ঐতিহ্যে ইংলিশদের ধারের কাছেও নেই ডিআর কঙ্গো। এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই নেমেছে হ্যারি কেইনের দল। তবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে আছে তারা।
প্রথমার্ধ শেষে ডিআর কঙ্গো ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গা ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান। চমৎকার গোলের উৎস কঙ্গোর অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বা।
২৯ মিনিটে জুড বেলিংহাম একটি ক্রস বাতাসে ভেসে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে গোলপোস্টের ডান দিকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি যেন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন।
৩৫ মিনিটে রাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকে ব্লক হয় এক ডিফেন্ডার গায়ে লেগে। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারতো। ভিসার শট পোস্টে লাগে। পাল্টা আক্রমণে বল পেয়ে কঙ্গোর বক্সে চলে গিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। তবে গোলকিপার খানিকটা এগিয়ে আসেন। বল দখলের লড়াইয়ে পড়ে যান কেইন।
ইংল্যান্ড দল পেনাল্টির আবেদন করলেও তাতে সাড়া মেলেনি। ভিএআর চেক করেও পেনাল্টি দেয়নি। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের আরও একটি গোলের চেষ্টা রুখে দেন গোলকিপার লিওনেল এমপাসি। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে ডেকলাইন রাইসের শট রখে দেন কঙ্গোর গোলকিপার। তা দেখে যেনো বিশ্বাসই হচ্ছিলো না হ্যারি কেইনের।
ইতিহাস এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কথা বলছে! পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে, ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর কেটে গেছে, কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারেনি থ্রি-লায়নরা।

বিশ্বকাপে এখনো গোল হজম করেনি যে দুই দল

