জার্মানির গোল বাতিল নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ফিফা

জার্মানির গোল বাতিল নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ফিফা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জার্মানির বিতর্কিত গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি শতভাগ সঠিক ছিল বলে জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা। বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা তীব্র বিতর্কের অবসান ঘটাতে ফিফার রেফারিপ্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা সংস্থার এ দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, আধুনিক ফুটবলকে আরও সুন্দর, গতিশীল ও সময় অপচয়মুক্ত করতে নিয়মের কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে, যার অংশ হিসেবেই রেফারিরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার রাতে বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পরাশক্তি জার্মানি ও লড়াকু প্যারাগুয়ে। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে নাথানিয়েল ব্রাউনের কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে প্যারাগুয়ের জালে বল জড়িয়েছিলেন জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ। নিশ্চিত জয়ের আনন্দে যখন ভাসছিল গোটা জার্মান শিবির, তখনই ম্যাচের চিত্র বদলে দেয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, বল জালে জড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে জার্মানির ভালডেমার আন্টন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক রলান্দো হিলকে আলতো ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। স্পর্শটি খুবই সামান্য হলেও নিয়ম ভঙ্গ হওয়ায় রেফারি গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন, যা নিয়ে ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্বে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিশ্বব্যাপী সমালোচনার জবাবে গোলরক্ষকদের সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে মনে করিয়ে দিয়ে কলিনা বলেন, কোনো আক্রমণভাগের খেলোয়াড় বলের দিকে নজর না দিয়ে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষের গতিবিধি বাধাগ্রস্ত করার বা গোলরক্ষককে ডিফেন্ড করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন, তবে রেফারি ও ভিএআর-এর সেখানে কঠোরভাবে হস্তক্ষেপ করার নিয়ম রয়েছে। এই কৌশলগত ফাউলগুলোর শাস্তির ব্যাপারে কোচ ও খেলোয়াড়দের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তাই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। একই সঙ্গে আধুনিক ফুটবলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফিফার নেওয়া অন্যান্য নতুন নিয়ম, যেমন- থ্রো-ইন, গোল কিক বা খেলোয়াড় পরিবর্তনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং চোটের কারণে খেলোয়াড়দের এক মিনিট মাঠের বাইরে রাখার উদ্যোগগুলো অত্যন্ত কার্যকর ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলেও উল্লেখ করেন ফিফার এ রেফারিপ্রধান।

বিশ্বকাপ ফুটবলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জার্মানির বিতর্কিত গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি শতভাগ সঠিক ছিল বলে জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা। বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা তীব্র বিতর্কের অবসান ঘটাতে ফিফার রেফারিপ্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা সংস্থার এ দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, আধুনিক ফুটবলকে আরও সুন্দর, গতিশীল ও সময় অপচয়মুক্ত করতে নিয়মের কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে, যার অংশ হিসেবেই রেফারিরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার রাতে বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পরাশক্তি জার্মানি ও লড়াকু প্যারাগুয়ে। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে নাথানিয়েল ব্রাউনের কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে প্যারাগুয়ের জালে বল জড়িয়েছিলেন জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ। নিশ্চিত জয়ের আনন্দে যখন ভাসছিল গোটা জার্মান শিবির, তখনই ম্যাচের চিত্র বদলে দেয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, বল জালে জড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে জার্মানির ভালডেমার আন্টন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক রলান্দো হিলকে আলতো ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। স্পর্শটি খুবই সামান্য হলেও নিয়ম ভঙ্গ হওয়ায় রেফারি গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন, যা নিয়ে ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্বে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিশ্বব্যাপী সমালোচনার জবাবে গোলরক্ষকদের সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে মনে করিয়ে দিয়ে কলিনা বলেন, কোনো আক্রমণভাগের খেলোয়াড় বলের দিকে নজর না দিয়ে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষের গতিবিধি বাধাগ্রস্ত করার বা গোলরক্ষককে ডিফেন্ড করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন, তবে রেফারি ও ভিএআর-এর সেখানে কঠোরভাবে হস্তক্ষেপ করার নিয়ম রয়েছে। এই কৌশলগত ফাউলগুলোর শাস্তির ব্যাপারে কোচ ও খেলোয়াড়দের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তাই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। একই সঙ্গে আধুনিক ফুটবলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফিফার নেওয়া অন্যান্য নতুন নিয়ম, যেমন- থ্রো-ইন, গোল কিক বা খেলোয়াড় পরিবর্তনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং চোটের কারণে খেলোয়াড়দের এক মিনিট মাঠের বাইরে রাখার উদ্যোগগুলো অত্যন্ত কার্যকর ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলেও উল্লেখ করেন ফিফার এ রেফারিপ্রধান।

জার্মানির গোল বাতিল নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ফিফা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জার্মানির বিতর্কিত গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি শতভাগ সঠিক ছিল বলে জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা। বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা তীব্র বিতর্কের অবসান ঘটাতে ফিফার রেফারিপ্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা সংস্থার এ দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, আধুনিক ফুটবলকে আরও সুন্দর, গতিশীল ও সময় অপচয়মুক্ত করতে নিয়মের কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে, যার অংশ হিসেবেই রেফারিরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার রাতে বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পরাশক্তি জার্মানি ও লড়াকু প্যারাগুয়ে। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে নাথানিয়েল ব্রাউনের কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে প্যারাগুয়ের জালে বল জড়িয়েছিলেন জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ। নিশ্চিত জয়ের আনন্দে যখন ভাসছিল গোটা জার্মান শিবির, তখনই ম্যাচের চিত্র বদলে দেয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, বল জালে জড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে জার্মানির ভালডেমার আন্টন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক রলান্দো হিলকে আলতো ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। স্পর্শটি খুবই সামান্য হলেও নিয়ম ভঙ্গ হওয়ায় রেফারি গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন, যা নিয়ে ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্বে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিশ্বব্যাপী সমালোচনার জবাবে গোলরক্ষকদের সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে মনে করিয়ে দিয়ে কলিনা বলেন, কোনো আক্রমণভাগের খেলোয়াড় বলের দিকে নজর না দিয়ে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষের গতিবিধি বাধাগ্রস্ত করার বা গোলরক্ষককে ডিফেন্ড করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন, তবে রেফারি ও ভিএআর-এর সেখানে কঠোরভাবে হস্তক্ষেপ করার নিয়ম রয়েছে। এই কৌশলগত ফাউলগুলোর শাস্তির ব্যাপারে কোচ ও খেলোয়াড়দের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তাই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। একই সঙ্গে আধুনিক ফুটবলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফিফার নেওয়া অন্যান্য নতুন নিয়ম, যেমন- থ্রো-ইন, গোল কিক বা খেলোয়াড় পরিবর্তনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং চোটের কারণে খেলোয়াড়দের এক মিনিট মাঠের বাইরে রাখার উদ্যোগগুলো অত্যন্ত কার্যকর ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলেও উল্লেখ করেন ফিফার এ রেফারিপ্রধান।

টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে 


