যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে দোহায় কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে তেহরান।
মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো পর্যায়েই মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে ইরান জানিয়েছে, জব্দকৃত ইরানি তহবিল ছাড়ানোর বিষয়টি তদারকি করতে তারা কাতারের রাজধানী দোহায় একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি দোহায় যুদ্ধ-পরবর্তী একটি প্রাথমিক সমঝোতা বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক করেছেন। তবে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো সরাসরি আলোচনার সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনাগুলো মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এসব আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু, অর্থনৈতিক বিষয়, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে ইরান জানিয়েছিল, দোহায় পাঠানো তাদের কারিগরি প্রতিনিধিদলের প্রধান লক্ষ্য একটি বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা। এর আওতায় হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল-সংক্রান্ত বিরোধ এবং জব্দকৃত প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করার বিষয় রয়েছে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভাল জানান, সমঝোতা স্মারকের কয়েকটি ধারা নিয়ে ইরানের গুরুতর আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত প্রথম ধারার বাস্তবায়ন নিয়ে তেহরান অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে ইসরায়েলকে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে। সমঝোতা স্মারকের লিখিত রূপই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি মূল্যায়নের মানদণ্ড বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সমঝোতা স্মারকের পঞ্চম ধারা নিয়েও মতপার্থক্য রয়েছে। ইরানের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তির আগে ৬০ দিনের আলোচনাকালে হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল ব্যবস্থাপনায় তাদের ভূমিকা থাকার কথা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ভিন্ন।
এদিকে ওমান ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার প্রস্তাবিত নতুন নৌপথ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরানের দাবি, তাদের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সমঝোতা স্মারকের শর্তের পরিপন্থী।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে একটি বিশেষ হটলাইন কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে জলপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করছে।
তবে জব্দকৃত ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ এখনো তেহরানের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কাতার।

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে দোহায় কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে তেহরান।
মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো পর্যায়েই মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে ইরান জানিয়েছে, জব্দকৃত ইরানি তহবিল ছাড়ানোর বিষয়টি তদারকি করতে তারা কাতারের রাজধানী দোহায় একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি দোহায় যুদ্ধ-পরবর্তী একটি প্রাথমিক সমঝোতা বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক করেছেন। তবে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো সরাসরি আলোচনার সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনাগুলো মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এসব আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু, অর্থনৈতিক বিষয়, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে ইরান জানিয়েছিল, দোহায় পাঠানো তাদের কারিগরি প্রতিনিধিদলের প্রধান লক্ষ্য একটি বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা। এর আওতায় হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল-সংক্রান্ত বিরোধ এবং জব্দকৃত প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করার বিষয় রয়েছে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভাল জানান, সমঝোতা স্মারকের কয়েকটি ধারা নিয়ে ইরানের গুরুতর আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত প্রথম ধারার বাস্তবায়ন নিয়ে তেহরান অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে ইসরায়েলকে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে। সমঝোতা স্মারকের লিখিত রূপই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি মূল্যায়নের মানদণ্ড বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সমঝোতা স্মারকের পঞ্চম ধারা নিয়েও মতপার্থক্য রয়েছে। ইরানের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তির আগে ৬০ দিনের আলোচনাকালে হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল ব্যবস্থাপনায় তাদের ভূমিকা থাকার কথা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ভিন্ন।
এদিকে ওমান ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার প্রস্তাবিত নতুন নৌপথ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরানের দাবি, তাদের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সমঝোতা স্মারকের শর্তের পরিপন্থী।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে একটি বিশেষ হটলাইন কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে জলপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করছে।
তবে জব্দকৃত ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ এখনো তেহরানের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কাতার।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে দোহায় কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে তেহরান।
মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো পর্যায়েই মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে ইরান জানিয়েছে, জব্দকৃত ইরানি তহবিল ছাড়ানোর বিষয়টি তদারকি করতে তারা কাতারের রাজধানী দোহায় একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি দোহায় যুদ্ধ-পরবর্তী একটি প্রাথমিক সমঝোতা বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক করেছেন। তবে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো সরাসরি আলোচনার সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনাগুলো মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এসব আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু, অর্থনৈতিক বিষয়, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে ইরান জানিয়েছিল, দোহায় পাঠানো তাদের কারিগরি প্রতিনিধিদলের প্রধান লক্ষ্য একটি বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা। এর আওতায় হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল-সংক্রান্ত বিরোধ এবং জব্দকৃত প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করার বিষয় রয়েছে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভাল জানান, সমঝোতা স্মারকের কয়েকটি ধারা নিয়ে ইরানের গুরুতর আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত প্রথম ধারার বাস্তবায়ন নিয়ে তেহরান অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে ইসরায়েলকে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে। সমঝোতা স্মারকের লিখিত রূপই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি মূল্যায়নের মানদণ্ড বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সমঝোতা স্মারকের পঞ্চম ধারা নিয়েও মতপার্থক্য রয়েছে। ইরানের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তির আগে ৬০ দিনের আলোচনাকালে হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল ব্যবস্থাপনায় তাদের ভূমিকা থাকার কথা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ভিন্ন।
এদিকে ওমান ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার প্রস্তাবিত নতুন নৌপথ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরানের দাবি, তাদের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সমঝোতা স্মারকের শর্তের পরিপন্থী।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে একটি বিশেষ হটলাইন কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে জলপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করছে।
তবে জব্দকৃত ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ এখনো তেহরানের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কাতার।




