শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে চেষ্টা চলছে: শামা ওবায়েদ

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে চেষ্টা চলছে: শামা ওবায়েদ
সিজেডএন ডেস্ক

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (২ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, “নতুন কোনো আপডেট নেই। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। অবশ্যই একজন আসামি, যিনি অন্যায় করে, অপরাধ করে আরেক দেশে অবস্থান করছেন এবং যার বিচার হয়েছে, যিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাকে আমরা দেশে ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশের মাটিতে সেই বিচার সম্পন্ন করতে চাই। বাংলাদেশের জনগণও সেটাই চায়। সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।”
এদিকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে বাংলাদেশ ১০টি দেশের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে, সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং অর্থ ফেরানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।
শামা ওবায়েদ বলেন, “এটা রাতারাতি হওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়। এটি সময়সাপেক্ষ। তবে আমরা মনে করছি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যে চুক্তিগুলো হয়েছে এবং আলোচনা চলছে, সেগুলোর মাধ্যমে আমরা একধাপ এগিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার আশাবাদী।

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (২ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, “নতুন কোনো আপডেট নেই। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। অবশ্যই একজন আসামি, যিনি অন্যায় করে, অপরাধ করে আরেক দেশে অবস্থান করছেন এবং যার বিচার হয়েছে, যিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাকে আমরা দেশে ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশের মাটিতে সেই বিচার সম্পন্ন করতে চাই। বাংলাদেশের জনগণও সেটাই চায়। সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।”
এদিকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে বাংলাদেশ ১০টি দেশের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে, সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং অর্থ ফেরানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।
শামা ওবায়েদ বলেন, “এটা রাতারাতি হওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়। এটি সময়সাপেক্ষ। তবে আমরা মনে করছি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যে চুক্তিগুলো হয়েছে এবং আলোচনা চলছে, সেগুলোর মাধ্যমে আমরা একধাপ এগিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার আশাবাদী।

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে চেষ্টা চলছে: শামা ওবায়েদ
সিজেডএন ডেস্ক

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (২ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, “নতুন কোনো আপডেট নেই। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। অবশ্যই একজন আসামি, যিনি অন্যায় করে, অপরাধ করে আরেক দেশে অবস্থান করছেন এবং যার বিচার হয়েছে, যিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাকে আমরা দেশে ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশের মাটিতে সেই বিচার সম্পন্ন করতে চাই। বাংলাদেশের জনগণও সেটাই চায়। সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।”
এদিকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে বাংলাদেশ ১০টি দেশের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে, সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং অর্থ ফেরানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।
শামা ওবায়েদ বলেন, “এটা রাতারাতি হওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়। এটি সময়সাপেক্ষ। তবে আমরা মনে করছি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যে চুক্তিগুলো হয়েছে এবং আলোচনা চলছে, সেগুলোর মাধ্যমে আমরা একধাপ এগিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার আশাবাদী।




