ব্রাজিলের ফুটবল সংকট নিয়ে যে তথ্য দিলেন পেলে কন্যা

ব্রাজিলের ফুটবল সংকট নিয়ে যে তথ্য দিলেন পেলে কন্যা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বর্তমান সংকটের জন্য অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক দুর্বলতাকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন ফুটবল কিংবদন্তি পেলের কন্যা কেলি ক্রিস্টিনা নাসিমেন্তো। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ব্রাজিলে প্রতিভাবান ফুটবলারের কোনো ঘাটতি নেই। আসল সমস্যা লুকিয়ে আছে ফুটবল ফেডারেশনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতিতে।
নাসিমেন্তো মনে করেন, দেশের ফুটবল পরিচালনা কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক জটিল ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ভেতরের বাস্তবতা বাইরে থেকে অনুধাবন করা কঠিন। ফুটবল সংশ্লিষ্ট সবাই এ সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত থাকলেও তা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য কোনো কার্যকর বা দূরদর্শী উদ্যোগ নিচ্ছেন না। মাঠের পারফরম্যান্সে এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। সর্বশেষ বিশ্বকাপে রাউন্ড অব ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়া তারই প্রমাণ। ১৯৯০ সালের পর দলটির সবচেয়ে বিপর্যয়কর বিশ্বকাপ যাত্রা এটি। এর ফলে ২০০২ সালের পর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে শিরোপাশূন্য থাকার আক্ষেপ আরও দীর্ঘ হলো সেলেসাওদের।
পেলের কন্যা আরও জানান, জীবদ্দশায় কিংবদন্তি পেলে নিজেও ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসনের এই অধঃপতন নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন। পেলের বিশ্বাস ছিল, বৈশ্বিক ফুটবলে আধিপত্য ধরে রাখতে হলে ব্রাজিলকে আধুনিক ও সুশাসিত ব্যবস্থার পথেই হাঁটতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি ফ্রান্সের ফুটবল কাঠামোর উদাহরণ টানতেন। যেখানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের জোরে ধারাবাহিক সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
তবে এই সংকটের মধ্যেও ব্রাজিলের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে পুরোপুরি আশাহত নন নাসিমেন্তো। ঘরোয়া ক্লাবগুলোতে সাম্প্রতিক বিদেশি বিনিয়োগকে তিনি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। বোটাফোগো ক্লাবের অগ্রগতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২২ সালে মার্কিন ব্যবসায়ী জন টেক্সটর দলটির মালিকানা নেওয়ার পর থেকে তাদের পারফরম্যান্সে দৃশ্যমান উন্নতি এসেছে। টেক্সটরকে ঘিরে কিছু বিতর্ক থাকলেও তার প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও ক্লাব পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসনের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে তাকে একটি নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। পরিশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্রাজিলকে যদি আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষস্থানে ফিরিয়ে নিতে হয়, তবে শুধু মাঠের প্রতিভার ওপর নির্ভর না করে অতি দ্রুত ফুটবল প্রশাসনে আমূল সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বর্তমান সংকটের জন্য অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক দুর্বলতাকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন ফুটবল কিংবদন্তি পেলের কন্যা কেলি ক্রিস্টিনা নাসিমেন্তো। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ব্রাজিলে প্রতিভাবান ফুটবলারের কোনো ঘাটতি নেই। আসল সমস্যা লুকিয়ে আছে ফুটবল ফেডারেশনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতিতে।
নাসিমেন্তো মনে করেন, দেশের ফুটবল পরিচালনা কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক জটিল ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ভেতরের বাস্তবতা বাইরে থেকে অনুধাবন করা কঠিন। ফুটবল সংশ্লিষ্ট সবাই এ সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত থাকলেও তা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য কোনো কার্যকর বা দূরদর্শী উদ্যোগ নিচ্ছেন না। মাঠের পারফরম্যান্সে এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। সর্বশেষ বিশ্বকাপে রাউন্ড অব ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়া তারই প্রমাণ। ১৯৯০ সালের পর দলটির সবচেয়ে বিপর্যয়কর বিশ্বকাপ যাত্রা এটি। এর ফলে ২০০২ সালের পর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে শিরোপাশূন্য থাকার আক্ষেপ আরও দীর্ঘ হলো সেলেসাওদের।
পেলের কন্যা আরও জানান, জীবদ্দশায় কিংবদন্তি পেলে নিজেও ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসনের এই অধঃপতন নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন। পেলের বিশ্বাস ছিল, বৈশ্বিক ফুটবলে আধিপত্য ধরে রাখতে হলে ব্রাজিলকে আধুনিক ও সুশাসিত ব্যবস্থার পথেই হাঁটতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি ফ্রান্সের ফুটবল কাঠামোর উদাহরণ টানতেন। যেখানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের জোরে ধারাবাহিক সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
তবে এই সংকটের মধ্যেও ব্রাজিলের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে পুরোপুরি আশাহত নন নাসিমেন্তো। ঘরোয়া ক্লাবগুলোতে সাম্প্রতিক বিদেশি বিনিয়োগকে তিনি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। বোটাফোগো ক্লাবের অগ্রগতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২২ সালে মার্কিন ব্যবসায়ী জন টেক্সটর দলটির মালিকানা নেওয়ার পর থেকে তাদের পারফরম্যান্সে দৃশ্যমান উন্নতি এসেছে। টেক্সটরকে ঘিরে কিছু বিতর্ক থাকলেও তার প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও ক্লাব পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসনের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে তাকে একটি নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। পরিশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্রাজিলকে যদি আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষস্থানে ফিরিয়ে নিতে হয়, তবে শুধু মাঠের প্রতিভার ওপর নির্ভর না করে অতি দ্রুত ফুটবল প্রশাসনে আমূল সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

ব্রাজিলের ফুটবল সংকট নিয়ে যে তথ্য দিলেন পেলে কন্যা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বর্তমান সংকটের জন্য অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক দুর্বলতাকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন ফুটবল কিংবদন্তি পেলের কন্যা কেলি ক্রিস্টিনা নাসিমেন্তো। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ব্রাজিলে প্রতিভাবান ফুটবলারের কোনো ঘাটতি নেই। আসল সমস্যা লুকিয়ে আছে ফুটবল ফেডারেশনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতিতে।
নাসিমেন্তো মনে করেন, দেশের ফুটবল পরিচালনা কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক জটিল ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ভেতরের বাস্তবতা বাইরে থেকে অনুধাবন করা কঠিন। ফুটবল সংশ্লিষ্ট সবাই এ সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত থাকলেও তা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য কোনো কার্যকর বা দূরদর্শী উদ্যোগ নিচ্ছেন না। মাঠের পারফরম্যান্সে এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। সর্বশেষ বিশ্বকাপে রাউন্ড অব ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়া তারই প্রমাণ। ১৯৯০ সালের পর দলটির সবচেয়ে বিপর্যয়কর বিশ্বকাপ যাত্রা এটি। এর ফলে ২০০২ সালের পর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে শিরোপাশূন্য থাকার আক্ষেপ আরও দীর্ঘ হলো সেলেসাওদের।
পেলের কন্যা আরও জানান, জীবদ্দশায় কিংবদন্তি পেলে নিজেও ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসনের এই অধঃপতন নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন। পেলের বিশ্বাস ছিল, বৈশ্বিক ফুটবলে আধিপত্য ধরে রাখতে হলে ব্রাজিলকে আধুনিক ও সুশাসিত ব্যবস্থার পথেই হাঁটতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি ফ্রান্সের ফুটবল কাঠামোর উদাহরণ টানতেন। যেখানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের জোরে ধারাবাহিক সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
তবে এই সংকটের মধ্যেও ব্রাজিলের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে পুরোপুরি আশাহত নন নাসিমেন্তো। ঘরোয়া ক্লাবগুলোতে সাম্প্রতিক বিদেশি বিনিয়োগকে তিনি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। বোটাফোগো ক্লাবের অগ্রগতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২২ সালে মার্কিন ব্যবসায়ী জন টেক্সটর দলটির মালিকানা নেওয়ার পর থেকে তাদের পারফরম্যান্সে দৃশ্যমান উন্নতি এসেছে। টেক্সটরকে ঘিরে কিছু বিতর্ক থাকলেও তার প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও ক্লাব পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসনের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে তাকে একটি নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। পরিশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্রাজিলকে যদি আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষস্থানে ফিরিয়ে নিতে হয়, তবে শুধু মাঠের প্রতিভার ওপর নির্ভর না করে অতি দ্রুত ফুটবল প্রশাসনে আমূল সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

আনচেলত্তিকে ছাঁটাইয়ের দাবি রোমারিওর


