বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে যা বললেন হামজা

বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে যা বললেন হামজা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইংল্যান্ডের শীর্ষ পর্যায়ে ক্লাব ফুটবল খেলা হামজা চৌধুরী একদিন বাংলাদেশের জার্সিতে খেলবেন, একটা সময় সেই স্বপ্ন দেখতেন এদেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। সেই স্বপ্ন এখন সত্যি। হামজা প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সি জড়ানোর কেটে গেছে এক বছর ও এক সপ্তাহ। লাল-সবুজ জার্সিতে নিজের প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন হামজা।
মা বাংলাদেশি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা লাভ করেছিলেন হামজা। ২০২৪ সালের শেষ দিকে হামজা বাংলাদেশি পাসপোর্ট পান এবং দেশের হয়ে খেলার যোগ্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে পেয়ে যান। ২০২৫’র মার্চে প্রথমবার বাংলাদেশের জার্সি পরেন এবং ভারতের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান।
হামজা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন ৯ ম্যাচ। হামজা যতবার খেলেছেন মাঠে ছিলেন পুরো ৯০ মিনিট। ইনজুরির কারণে নেপালের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলতে পারেননি।
হামজা চৌধুরী এখন অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডে। এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লাল-সবুজ জার্সিতে নিজের প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন, ‘আমরা যেভাবে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে চেয়েছিলাম সেভাবে হয়নি! কিন্তু এক বছরে আমরা কতদূর এগিয়েছি সেজন্য আমি সত্যিই গর্বিত। ইনশাআল্লাহ সামনে আমাদের জন্য অনেক কিছু অপেক্ষা করছে। বরাবরের মতোই সবার সমর্থন ছিল অবিশ্বাস্য।’
এর আগে সিঙ্গাপুরের কাছে হারের পর ইএসপিএন-কে তিনি বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা সত্যিই অসাধারণ। বিস্ময়কর। সত্যি বলতে, এটি আমার করা সেরা কাজগুলোর মধ্যে একটি। আমি এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করতে পারতাম না। অবশ্য, বাছাইপর্বের বিষয়টি বাদে।’

ইংল্যান্ডের শীর্ষ পর্যায়ে ক্লাব ফুটবল খেলা হামজা চৌধুরী একদিন বাংলাদেশের জার্সিতে খেলবেন, একটা সময় সেই স্বপ্ন দেখতেন এদেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। সেই স্বপ্ন এখন সত্যি। হামজা প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সি জড়ানোর কেটে গেছে এক বছর ও এক সপ্তাহ। লাল-সবুজ জার্সিতে নিজের প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন হামজা।
মা বাংলাদেশি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা লাভ করেছিলেন হামজা। ২০২৪ সালের শেষ দিকে হামজা বাংলাদেশি পাসপোর্ট পান এবং দেশের হয়ে খেলার যোগ্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে পেয়ে যান। ২০২৫’র মার্চে প্রথমবার বাংলাদেশের জার্সি পরেন এবং ভারতের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান।
হামজা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন ৯ ম্যাচ। হামজা যতবার খেলেছেন মাঠে ছিলেন পুরো ৯০ মিনিট। ইনজুরির কারণে নেপালের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলতে পারেননি।
হামজা চৌধুরী এখন অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডে। এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লাল-সবুজ জার্সিতে নিজের প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন, ‘আমরা যেভাবে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে চেয়েছিলাম সেভাবে হয়নি! কিন্তু এক বছরে আমরা কতদূর এগিয়েছি সেজন্য আমি সত্যিই গর্বিত। ইনশাআল্লাহ সামনে আমাদের জন্য অনেক কিছু অপেক্ষা করছে। বরাবরের মতোই সবার সমর্থন ছিল অবিশ্বাস্য।’
এর আগে সিঙ্গাপুরের কাছে হারের পর ইএসপিএন-কে তিনি বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা সত্যিই অসাধারণ। বিস্ময়কর। সত্যি বলতে, এটি আমার করা সেরা কাজগুলোর মধ্যে একটি। আমি এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করতে পারতাম না। অবশ্য, বাছাইপর্বের বিষয়টি বাদে।’

বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে যা বললেন হামজা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইংল্যান্ডের শীর্ষ পর্যায়ে ক্লাব ফুটবল খেলা হামজা চৌধুরী একদিন বাংলাদেশের জার্সিতে খেলবেন, একটা সময় সেই স্বপ্ন দেখতেন এদেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। সেই স্বপ্ন এখন সত্যি। হামজা প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সি জড়ানোর কেটে গেছে এক বছর ও এক সপ্তাহ। লাল-সবুজ জার্সিতে নিজের প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন হামজা।
মা বাংলাদেশি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা লাভ করেছিলেন হামজা। ২০২৪ সালের শেষ দিকে হামজা বাংলাদেশি পাসপোর্ট পান এবং দেশের হয়ে খেলার যোগ্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে পেয়ে যান। ২০২৫’র মার্চে প্রথমবার বাংলাদেশের জার্সি পরেন এবং ভারতের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান।
হামজা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন ৯ ম্যাচ। হামজা যতবার খেলেছেন মাঠে ছিলেন পুরো ৯০ মিনিট। ইনজুরির কারণে নেপালের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলতে পারেননি।
হামজা চৌধুরী এখন অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডে। এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লাল-সবুজ জার্সিতে নিজের প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন, ‘আমরা যেভাবে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে চেয়েছিলাম সেভাবে হয়নি! কিন্তু এক বছরে আমরা কতদূর এগিয়েছি সেজন্য আমি সত্যিই গর্বিত। ইনশাআল্লাহ সামনে আমাদের জন্য অনেক কিছু অপেক্ষা করছে। বরাবরের মতোই সবার সমর্থন ছিল অবিশ্বাস্য।’
এর আগে সিঙ্গাপুরের কাছে হারের পর ইএসপিএন-কে তিনি বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা সত্যিই অসাধারণ। বিস্ময়কর। সত্যি বলতে, এটি আমার করা সেরা কাজগুলোর মধ্যে একটি। আমি এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করতে পারতাম না। অবশ্য, বাছাইপর্বের বিষয়টি বাদে।’




