বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেকের বিরুদ্ধে দর্শকদের ক্ষোভ

বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেকের বিরুদ্ধে দর্শকদের ক্ষোভ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে তীব্র গরম ও আর্দ্রতা থেকে ফুটবলারদের সুরক্ষা দিতে ফিফার চালু করা বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে খেলোয়াড়দের কল্যাণে এ নিয়ম চালুর কথা বলা হলেও, ফুটবলপ্রেমীরা এর পেছনে মূলত সম্প্রচারকদের বিশাল বিজ্ঞাপনী বাণিজ্যের যোগসাজশ দেখছেন।
এ জোরপূর্বক বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মঙ্গল (১৬ জুন) ও বুধবারের (১৭ জুন) ম্যাচগুলোতে গ্যালারি থেকে দর্শকদের তীব্র ভুয়াধ্বনি ভেসে আসে। সমর্থকদের দাবি, কৃত্রিম উপায়ে তৈরি এ বিরতি ফুটবলের চিরচেনা গতিময় ছন্দকে নষ্ট করছে।
এর স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে বুধবার ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এল’-এর ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচে। টানটান উত্তেজনার ম্যাচটিতে ইংল্যান্ড ৪-২ ব্যবধানে জয় পেলেও মাঠের বিতর্ক ছাপিয়ে গেছে গ্যালারির ক্ষোভ। খেলার ২২ মিনিটে রেফারি ক্লেমন্ত তুরপিন যখন বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজান, তখনই ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া দুই দলের সমর্থকরাই একযোগে তীব্র ভুয়াধ্বনি দিয়ে নিজেদের চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এ অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতি মাঠের স্বাভাবিক ছন্দের ব্যাপক ক্ষতি করছে, যার প্রমাণ মিলেছে মঙ্গলবার বোস্টনে নরওয়ে বনাম ইরাকের মধ্যকার গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচেও। সেদিন বোস্টনের তাপমাত্রা ছিল মাত্র ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ফুটবল খেলার জন্য অত্যন্ত চমৎকার ও মৃদু আবহাওয়া।
এমন অনুকূল পরিবেশের মধ্যেও প্রথমার্ধে জোর করে প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজানো হলে দর্শকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এ বিরতির আগ পর্যন্ত ইরাক দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে শক্তিশালী নরওয়েকে ০-০ গোলে আটকে রেখেছিল। কিন্তু বিরতি থেকে ফেরার মাত্র ৪ মিনিটের মাথায় তারা গোল হজম করে বসে এবং শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে মাঠ ছাড়ে। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মত, ৯০ মিনিটের অবিরাম গতি ও নিজস্ব ছন্দের জন্যই বিশ্বজুড়ে ফুটবল এতটা জনপ্রিয়। সেখানে আমেরিকার গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অজুহাত তুলে এমন বাণিজ্যিক বিরতি চাপিয়ে দেওয়া মূলত খেলাটির চিরন্তন প্রাণকেই নষ্ট করে দিচ্ছে।

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে তীব্র গরম ও আর্দ্রতা থেকে ফুটবলারদের সুরক্ষা দিতে ফিফার চালু করা বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে খেলোয়াড়দের কল্যাণে এ নিয়ম চালুর কথা বলা হলেও, ফুটবলপ্রেমীরা এর পেছনে মূলত সম্প্রচারকদের বিশাল বিজ্ঞাপনী বাণিজ্যের যোগসাজশ দেখছেন।
এ জোরপূর্বক বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মঙ্গল (১৬ জুন) ও বুধবারের (১৭ জুন) ম্যাচগুলোতে গ্যালারি থেকে দর্শকদের তীব্র ভুয়াধ্বনি ভেসে আসে। সমর্থকদের দাবি, কৃত্রিম উপায়ে তৈরি এ বিরতি ফুটবলের চিরচেনা গতিময় ছন্দকে নষ্ট করছে।
এর স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে বুধবার ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এল’-এর ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচে। টানটান উত্তেজনার ম্যাচটিতে ইংল্যান্ড ৪-২ ব্যবধানে জয় পেলেও মাঠের বিতর্ক ছাপিয়ে গেছে গ্যালারির ক্ষোভ। খেলার ২২ মিনিটে রেফারি ক্লেমন্ত তুরপিন যখন বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজান, তখনই ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া দুই দলের সমর্থকরাই একযোগে তীব্র ভুয়াধ্বনি দিয়ে নিজেদের চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এ অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতি মাঠের স্বাভাবিক ছন্দের ব্যাপক ক্ষতি করছে, যার প্রমাণ মিলেছে মঙ্গলবার বোস্টনে নরওয়ে বনাম ইরাকের মধ্যকার গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচেও। সেদিন বোস্টনের তাপমাত্রা ছিল মাত্র ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ফুটবল খেলার জন্য অত্যন্ত চমৎকার ও মৃদু আবহাওয়া।
এমন অনুকূল পরিবেশের মধ্যেও প্রথমার্ধে জোর করে প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজানো হলে দর্শকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এ বিরতির আগ পর্যন্ত ইরাক দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে শক্তিশালী নরওয়েকে ০-০ গোলে আটকে রেখেছিল। কিন্তু বিরতি থেকে ফেরার মাত্র ৪ মিনিটের মাথায় তারা গোল হজম করে বসে এবং শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে মাঠ ছাড়ে। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মত, ৯০ মিনিটের অবিরাম গতি ও নিজস্ব ছন্দের জন্যই বিশ্বজুড়ে ফুটবল এতটা জনপ্রিয়। সেখানে আমেরিকার গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অজুহাত তুলে এমন বাণিজ্যিক বিরতি চাপিয়ে দেওয়া মূলত খেলাটির চিরন্তন প্রাণকেই নষ্ট করে দিচ্ছে।

বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেকের বিরুদ্ধে দর্শকদের ক্ষোভ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে তীব্র গরম ও আর্দ্রতা থেকে ফুটবলারদের সুরক্ষা দিতে ফিফার চালু করা বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে খেলোয়াড়দের কল্যাণে এ নিয়ম চালুর কথা বলা হলেও, ফুটবলপ্রেমীরা এর পেছনে মূলত সম্প্রচারকদের বিশাল বিজ্ঞাপনী বাণিজ্যের যোগসাজশ দেখছেন।
এ জোরপূর্বক বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মঙ্গল (১৬ জুন) ও বুধবারের (১৭ জুন) ম্যাচগুলোতে গ্যালারি থেকে দর্শকদের তীব্র ভুয়াধ্বনি ভেসে আসে। সমর্থকদের দাবি, কৃত্রিম উপায়ে তৈরি এ বিরতি ফুটবলের চিরচেনা গতিময় ছন্দকে নষ্ট করছে।
এর স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে বুধবার ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এল’-এর ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচে। টানটান উত্তেজনার ম্যাচটিতে ইংল্যান্ড ৪-২ ব্যবধানে জয় পেলেও মাঠের বিতর্ক ছাপিয়ে গেছে গ্যালারির ক্ষোভ। খেলার ২২ মিনিটে রেফারি ক্লেমন্ত তুরপিন যখন বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজান, তখনই ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া দুই দলের সমর্থকরাই একযোগে তীব্র ভুয়াধ্বনি দিয়ে নিজেদের চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এ অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতি মাঠের স্বাভাবিক ছন্দের ব্যাপক ক্ষতি করছে, যার প্রমাণ মিলেছে মঙ্গলবার বোস্টনে নরওয়ে বনাম ইরাকের মধ্যকার গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচেও। সেদিন বোস্টনের তাপমাত্রা ছিল মাত্র ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ফুটবল খেলার জন্য অত্যন্ত চমৎকার ও মৃদু আবহাওয়া।
এমন অনুকূল পরিবেশের মধ্যেও প্রথমার্ধে জোর করে প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজানো হলে দর্শকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এ বিরতির আগ পর্যন্ত ইরাক দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে শক্তিশালী নরওয়েকে ০-০ গোলে আটকে রেখেছিল। কিন্তু বিরতি থেকে ফেরার মাত্র ৪ মিনিটের মাথায় তারা গোল হজম করে বসে এবং শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে মাঠ ছাড়ে। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মত, ৯০ মিনিটের অবিরাম গতি ও নিজস্ব ছন্দের জন্যই বিশ্বজুড়ে ফুটবল এতটা জনপ্রিয়। সেখানে আমেরিকার গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অজুহাত তুলে এমন বাণিজ্যিক বিরতি চাপিয়ে দেওয়া মূলত খেলাটির চিরন্তন প্রাণকেই নষ্ট করে দিচ্ছে।

অবশেষে মার্কিন ভিসা পেলেন ভোজিনিয়ার মা
ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নতুন রেকর্ড কেইনের


