লেবাননে সংঘাতের অবসান কতদূর

লেবাননে সংঘাতের অবসান কতদূর
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। উভয় দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টেই যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
তবে দুই দেশের এই সমঝোতায় লেবাননে যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় খুশি নয় ইসরায়েল। তারা এটা মানতে বাধ্য নয় বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকায়, বিশেষ করে নাবাতিয়া অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
যদিও বাস্তুচ্যুত লেবানিজরা তাদের জীবনকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় নিজ শহর ও গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে। তবে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, তারা মনে করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও এলাকা দখল করতে চায়। এমন সব এলাকা যা তারা সপ্তাহব্যাপী লড়াইয়েও দখল করতে পারেনি। এর মধ্যে একটি হলো কৌশলগত আলি তাহার পাহাড়।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। তাই ইসরায়েল এবার যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন।
সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের প্রশ্নটি রয়ে গেছে। সেখানে কয়েক ডজন গ্রাম এখন প্রবেশ-নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। এর ফলে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ সেখানে ফিরতে পারে না। ইসরায়েল ওই গ্রামগুলোর বেশিরভাগই কার্যত ধ্বংস করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
যদিও এই সংঘাতকে নানাভাবে থামিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। তবুও এর অবসান এখনও অনেক দূরে।
সূত্র: আল জাজিরা

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। উভয় দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টেই যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
তবে দুই দেশের এই সমঝোতায় লেবাননে যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় খুশি নয় ইসরায়েল। তারা এটা মানতে বাধ্য নয় বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকায়, বিশেষ করে নাবাতিয়া অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
যদিও বাস্তুচ্যুত লেবানিজরা তাদের জীবনকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় নিজ শহর ও গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে। তবে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, তারা মনে করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও এলাকা দখল করতে চায়। এমন সব এলাকা যা তারা সপ্তাহব্যাপী লড়াইয়েও দখল করতে পারেনি। এর মধ্যে একটি হলো কৌশলগত আলি তাহার পাহাড়।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। তাই ইসরায়েল এবার যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন।
সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের প্রশ্নটি রয়ে গেছে। সেখানে কয়েক ডজন গ্রাম এখন প্রবেশ-নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। এর ফলে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ সেখানে ফিরতে পারে না। ইসরায়েল ওই গ্রামগুলোর বেশিরভাগই কার্যত ধ্বংস করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
যদিও এই সংঘাতকে নানাভাবে থামিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। তবুও এর অবসান এখনও অনেক দূরে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননে সংঘাতের অবসান কতদূর
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। উভয় দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টেই যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
তবে দুই দেশের এই সমঝোতায় লেবাননে যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় খুশি নয় ইসরায়েল। তারা এটা মানতে বাধ্য নয় বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকায়, বিশেষ করে নাবাতিয়া অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
যদিও বাস্তুচ্যুত লেবানিজরা তাদের জীবনকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় নিজ শহর ও গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে। তবে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, তারা মনে করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও এলাকা দখল করতে চায়। এমন সব এলাকা যা তারা সপ্তাহব্যাপী লড়াইয়েও দখল করতে পারেনি। এর মধ্যে একটি হলো কৌশলগত আলি তাহার পাহাড়।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। তাই ইসরায়েল এবার যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন।
সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের প্রশ্নটি রয়ে গেছে। সেখানে কয়েক ডজন গ্রাম এখন প্রবেশ-নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। এর ফলে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ সেখানে ফিরতে পারে না। ইসরায়েল ওই গ্রামগুলোর বেশিরভাগই কার্যত ধ্বংস করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
যদিও এই সংঘাতকে নানাভাবে থামিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। তবুও এর অবসান এখনও অনেক দূরে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা ‘চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক প্রকাশ, কে কী পেলো

