হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবে বাংলাদেশ

হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবে বাংলাদেশ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মঞ্চে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সিডনির ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে চীনের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের আগে সোমবার (২ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার ও অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার।
এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও ৯ বারের শিরোপাজয়ী চীন। বাংলাদেশ নারী ফুটবলের জন্য এই ম্যাচ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ফুটে উঠেছে বাটলারের কণ্ঠে। বাটলার বলেন, ‘এটি সম্ভবত বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বা ঐতিহাসিক ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
প্রতিপক্ষ হিসেবে চীন কতটা শক্তিশালী, তা বাটলারের অজানা নয়। ম্যাচটিকে তিনি ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ এর যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বাস্তবতা বোঝাতে গিয়ে কোচ বাটলার মজার স্বরে বলেন, ‘আমরা গুলিস্তানে ক্যাম্প করে এসেছি। এখন করছি অস্ট্রেলিয়ায়।’
বারবার বাস্তবতা বোঝার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘বাস্তবতা বোঝার জন্য বলছি, যাতে কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা না করা হয়। তবে সামর্থ্যের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
বাংলাদেশ ছাড়ার সময় প্রস্তুতি নিয়ে যে অসন্তোষ বা রাগ ছিল, সেটা এখনো আছে কি না, প্রশ্ন করা হলে বলেন, ‘আমি রাগ করি না। আমি বাস্তববাদী। প্রস্তুতিই সবকিছু। যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেওয়া যায়, ফলাফলের আশা না করাই ভালো। তবে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে যা করেছি, তা যথেষ্ট।’
ফলাফল যাই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক
পিটার বাটলার কোচ ,বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
সাধারণত শক্তিশালী দলের বিপক্ষে পিছিয়ে থাকা দলগুলো রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলে গোল হজম ঠেকাতে চায়, যাকে ফুটবলের ভাষায় বলা হয় ‘বাস পার্কিং’। কিন্তু বাটলারের দর্শন ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘ফলাফল যাই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক।’
গত বছরের জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করার পর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে হাইলাইন ডিফেন্সে খেলে ৫ গোল হজম করেছ বাংলাদেশ। এবার চীনের বিপক্ষে রক্ষণভাগ সাজানো নিয়ে বাটলার বলেন, ‘এমন দলের বিপক্ষে খেলতে হলে অবশ্যই রক্ষণ ঠিক রাখতে হবে। রক্ষণে ৩, ৪ না ৫ জন থাকবে, সেটা মাঠেই দেখা যাবে।’
আমরা এখানে বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিন দিন উন্নতি করছি। আমরা হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবো, যা খেলেছি
আফঈদা খন্দকার অধিনায়ক, বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
বাটলার সরাসরি হাইলাইন ডিফেন্স নিয়ে কিছু না বললেও অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, ‘আমরা এখানে বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিন দিন উন্নতি করছি। আমরা হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবো, যা খেলেছি।’
চীনের মতো শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোনো মানসিক চাপে নেই বলে জানান অধিনায়ক। আত্মবিশ্বাসী আফঈদা বলেন, ‘আমরা কোনো চাপ নিচ্ছি না। আমরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, দেশের মানুষের জন্য খেলছি। আমরা এখানে এসেছি খেলাটি উপভোগ করতে।’
অস্ট্রেলিয়ার উন্নত সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে আফঈদা দেশের ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘এখানে আমরা ভালো সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণের মাঠ পেয়েছি। আমরা পুরোপুরি উপভোগ করছি। চীনের বিপক্ষে খেলার জন্য মাঠে আমাদের সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করব। বাংলাদেশ যদি ভালো সুবিধা ও পরিবেশ দিতে পারে, তবে আমরা আরও ভালো খেলতে পারব। হ্যাঁ, আমাদের আশা ও বিশ্বাস আছে, ভবিষ্যতে সুবিধা ও পরিবেশ উন্নত পেলে আমরা আরও ভালো খেলবো।’
চীনের বিপক্ষে গোল ব্যবধান কতটা সীমিত রাখা সম্ভব? এমন এক প্রশ্নের জবাবে কোচ বাটলার হার-জিতের কথা না ভেবে ম্যাচটিকে উপভোগ করতে বলেন। ‘জীবনে ছোট, ক্ষুদ্র জয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। আমরা আমাদের খেলার আনন্দ ও কৌশল বজায় রাখব। জয় না হোক, আমরা টুর্নামেন্টকে সম্মান জানাব এবং সততার সঙ্গে খেলব।’
বাটলারের বার্তা, ‘আমরা সততার সঙ্গে খেলবো। আমরা ছোট হতে পারি, কিন্তু খেলোয়াড়দের হৃদয় বড়। তারা দেশের জন্য ভালো করতে চায়। আমরা কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি, তবে আমরা আমাদের ফুটবল খেলবো, মানুষের মন জয় করবো এবং সততা ও বিনয় বজায় রাখবো।’

এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মঞ্চে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সিডনির ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে চীনের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের আগে সোমবার (২ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার ও অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার।
এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও ৯ বারের শিরোপাজয়ী চীন। বাংলাদেশ নারী ফুটবলের জন্য এই ম্যাচ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ফুটে উঠেছে বাটলারের কণ্ঠে। বাটলার বলেন, ‘এটি সম্ভবত বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বা ঐতিহাসিক ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
প্রতিপক্ষ হিসেবে চীন কতটা শক্তিশালী, তা বাটলারের অজানা নয়। ম্যাচটিকে তিনি ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ এর যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বাস্তবতা বোঝাতে গিয়ে কোচ বাটলার মজার স্বরে বলেন, ‘আমরা গুলিস্তানে ক্যাম্প করে এসেছি। এখন করছি অস্ট্রেলিয়ায়।’
বারবার বাস্তবতা বোঝার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘বাস্তবতা বোঝার জন্য বলছি, যাতে কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা না করা হয়। তবে সামর্থ্যের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
বাংলাদেশ ছাড়ার সময় প্রস্তুতি নিয়ে যে অসন্তোষ বা রাগ ছিল, সেটা এখনো আছে কি না, প্রশ্ন করা হলে বলেন, ‘আমি রাগ করি না। আমি বাস্তববাদী। প্রস্তুতিই সবকিছু। যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেওয়া যায়, ফলাফলের আশা না করাই ভালো। তবে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে যা করেছি, তা যথেষ্ট।’
ফলাফল যাই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক
পিটার বাটলার কোচ ,বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
সাধারণত শক্তিশালী দলের বিপক্ষে পিছিয়ে থাকা দলগুলো রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলে গোল হজম ঠেকাতে চায়, যাকে ফুটবলের ভাষায় বলা হয় ‘বাস পার্কিং’। কিন্তু বাটলারের দর্শন ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘ফলাফল যাই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক।’
গত বছরের জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করার পর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে হাইলাইন ডিফেন্সে খেলে ৫ গোল হজম করেছ বাংলাদেশ। এবার চীনের বিপক্ষে রক্ষণভাগ সাজানো নিয়ে বাটলার বলেন, ‘এমন দলের বিপক্ষে খেলতে হলে অবশ্যই রক্ষণ ঠিক রাখতে হবে। রক্ষণে ৩, ৪ না ৫ জন থাকবে, সেটা মাঠেই দেখা যাবে।’
আমরা এখানে বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিন দিন উন্নতি করছি। আমরা হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবো, যা খেলেছি
আফঈদা খন্দকার অধিনায়ক, বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
বাটলার সরাসরি হাইলাইন ডিফেন্স নিয়ে কিছু না বললেও অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, ‘আমরা এখানে বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিন দিন উন্নতি করছি। আমরা হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবো, যা খেলেছি।’
চীনের মতো শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোনো মানসিক চাপে নেই বলে জানান অধিনায়ক। আত্মবিশ্বাসী আফঈদা বলেন, ‘আমরা কোনো চাপ নিচ্ছি না। আমরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, দেশের মানুষের জন্য খেলছি। আমরা এখানে এসেছি খেলাটি উপভোগ করতে।’
অস্ট্রেলিয়ার উন্নত সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে আফঈদা দেশের ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘এখানে আমরা ভালো সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণের মাঠ পেয়েছি। আমরা পুরোপুরি উপভোগ করছি। চীনের বিপক্ষে খেলার জন্য মাঠে আমাদের সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করব। বাংলাদেশ যদি ভালো সুবিধা ও পরিবেশ দিতে পারে, তবে আমরা আরও ভালো খেলতে পারব। হ্যাঁ, আমাদের আশা ও বিশ্বাস আছে, ভবিষ্যতে সুবিধা ও পরিবেশ উন্নত পেলে আমরা আরও ভালো খেলবো।’
চীনের বিপক্ষে গোল ব্যবধান কতটা সীমিত রাখা সম্ভব? এমন এক প্রশ্নের জবাবে কোচ বাটলার হার-জিতের কথা না ভেবে ম্যাচটিকে উপভোগ করতে বলেন। ‘জীবনে ছোট, ক্ষুদ্র জয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। আমরা আমাদের খেলার আনন্দ ও কৌশল বজায় রাখব। জয় না হোক, আমরা টুর্নামেন্টকে সম্মান জানাব এবং সততার সঙ্গে খেলব।’
বাটলারের বার্তা, ‘আমরা সততার সঙ্গে খেলবো। আমরা ছোট হতে পারি, কিন্তু খেলোয়াড়দের হৃদয় বড়। তারা দেশের জন্য ভালো করতে চায়। আমরা কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি, তবে আমরা আমাদের ফুটবল খেলবো, মানুষের মন জয় করবো এবং সততা ও বিনয় বজায় রাখবো।’

হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবে বাংলাদেশ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মঞ্চে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সিডনির ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে চীনের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের আগে সোমবার (২ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার ও অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার।
এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও ৯ বারের শিরোপাজয়ী চীন। বাংলাদেশ নারী ফুটবলের জন্য এই ম্যাচ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ফুটে উঠেছে বাটলারের কণ্ঠে। বাটলার বলেন, ‘এটি সম্ভবত বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বা ঐতিহাসিক ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
প্রতিপক্ষ হিসেবে চীন কতটা শক্তিশালী, তা বাটলারের অজানা নয়। ম্যাচটিকে তিনি ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ এর যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বাস্তবতা বোঝাতে গিয়ে কোচ বাটলার মজার স্বরে বলেন, ‘আমরা গুলিস্তানে ক্যাম্প করে এসেছি। এখন করছি অস্ট্রেলিয়ায়।’
বারবার বাস্তবতা বোঝার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘বাস্তবতা বোঝার জন্য বলছি, যাতে কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা না করা হয়। তবে সামর্থ্যের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
বাংলাদেশ ছাড়ার সময় প্রস্তুতি নিয়ে যে অসন্তোষ বা রাগ ছিল, সেটা এখনো আছে কি না, প্রশ্ন করা হলে বলেন, ‘আমি রাগ করি না। আমি বাস্তববাদী। প্রস্তুতিই সবকিছু। যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেওয়া যায়, ফলাফলের আশা না করাই ভালো। তবে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে যা করেছি, তা যথেষ্ট।’
ফলাফল যাই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক
পিটার বাটলার কোচ ,বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
সাধারণত শক্তিশালী দলের বিপক্ষে পিছিয়ে থাকা দলগুলো রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলে গোল হজম ঠেকাতে চায়, যাকে ফুটবলের ভাষায় বলা হয় ‘বাস পার্কিং’। কিন্তু বাটলারের দর্শন ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘ফলাফল যাই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক।’
গত বছরের জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করার পর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে হাইলাইন ডিফেন্সে খেলে ৫ গোল হজম করেছ বাংলাদেশ। এবার চীনের বিপক্ষে রক্ষণভাগ সাজানো নিয়ে বাটলার বলেন, ‘এমন দলের বিপক্ষে খেলতে হলে অবশ্যই রক্ষণ ঠিক রাখতে হবে। রক্ষণে ৩, ৪ না ৫ জন থাকবে, সেটা মাঠেই দেখা যাবে।’
আমরা এখানে বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিন দিন উন্নতি করছি। আমরা হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবো, যা খেলেছি
আফঈদা খন্দকার অধিনায়ক, বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
বাটলার সরাসরি হাইলাইন ডিফেন্স নিয়ে কিছু না বললেও অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, ‘আমরা এখানে বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিন দিন উন্নতি করছি। আমরা হাইলাইন ডিফেন্সেই খেলবো, যা খেলেছি।’
চীনের মতো শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোনো মানসিক চাপে নেই বলে জানান অধিনায়ক। আত্মবিশ্বাসী আফঈদা বলেন, ‘আমরা কোনো চাপ নিচ্ছি না। আমরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, দেশের মানুষের জন্য খেলছি। আমরা এখানে এসেছি খেলাটি উপভোগ করতে।’
অস্ট্রেলিয়ার উন্নত সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে আফঈদা দেশের ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘এখানে আমরা ভালো সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণের মাঠ পেয়েছি। আমরা পুরোপুরি উপভোগ করছি। চীনের বিপক্ষে খেলার জন্য মাঠে আমাদের সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করব। বাংলাদেশ যদি ভালো সুবিধা ও পরিবেশ দিতে পারে, তবে আমরা আরও ভালো খেলতে পারব। হ্যাঁ, আমাদের আশা ও বিশ্বাস আছে, ভবিষ্যতে সুবিধা ও পরিবেশ উন্নত পেলে আমরা আরও ভালো খেলবো।’
চীনের বিপক্ষে গোল ব্যবধান কতটা সীমিত রাখা সম্ভব? এমন এক প্রশ্নের জবাবে কোচ বাটলার হার-জিতের কথা না ভেবে ম্যাচটিকে উপভোগ করতে বলেন। ‘জীবনে ছোট, ক্ষুদ্র জয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। আমরা আমাদের খেলার আনন্দ ও কৌশল বজায় রাখব। জয় না হোক, আমরা টুর্নামেন্টকে সম্মান জানাব এবং সততার সঙ্গে খেলব।’
বাটলারের বার্তা, ‘আমরা সততার সঙ্গে খেলবো। আমরা ছোট হতে পারি, কিন্তু খেলোয়াড়দের হৃদয় বড়। তারা দেশের জন্য ভালো করতে চায়। আমরা কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি, তবে আমরা আমাদের ফুটবল খেলবো, মানুষের মন জয় করবো এবং সততা ও বিনয় বজায় রাখবো।’




