বালোগান-কোয়ানসা ইস্যুতে প্রশ্ন তুলছেন সাবেক ফিফা রেফারিরা

বালোগান-কোয়ানসা ইস্যুতে প্রশ্ন তুলছেন সাবেক ফিফা রেফারিরা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দুটি লাল কার্ডের ঘটনায় ফিফার দুই রকম ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসা যে কারণে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন, একই ফাউলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল ফিফা।
মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের কোয়ানসা। ভিআর পর্যবেক্ষণে তার স্লাইডিং ভয়ঙ্কর ফাউল বলে বিবেচিত হয়, এতে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন।
বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ফাউলের কারণে লাল কার্ড পান যুক্তরাষ্ট্রের বালোগান। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেন ফিফা প্রেসিডেন্টকে, এরপর ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা।
এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ফিফা জানায়, শৃঙ্খলাবিধির ২৭ নং ধারা অনুযায়ী বালোগান নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সংস্থাটি।
২০০২ সাল থেকে, ১৬ বছর ফিফার রেফারি ছিলেন জোনাস এরিকসন। তিনি মনে করেন, একই অপরাধে বালোগান ও কোয়ানসার সমান শাস্তি পাওয়া উচিত ছিল। ‘রেফারিদের কাছ থেকে সবাই সঠিক সিদ্ধান্ত চায়। কিন্তু এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারাবাহিকতা। আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে, খেলোয়াড়-এ এর শাস্তি খেলোয়াড়-বি এর শাস্তির সমান হবে। দল-এ ও বি-র শাস্তি সমান হবে, এটাই প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু বালোগান ও কোয়ানসার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।’

দুটি লাল কার্ডের ঘটনায় ফিফার দুই রকম ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসা যে কারণে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন, একই ফাউলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল ফিফা।
মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের কোয়ানসা। ভিআর পর্যবেক্ষণে তার স্লাইডিং ভয়ঙ্কর ফাউল বলে বিবেচিত হয়, এতে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন।
বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ফাউলের কারণে লাল কার্ড পান যুক্তরাষ্ট্রের বালোগান। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেন ফিফা প্রেসিডেন্টকে, এরপর ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা।
এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ফিফা জানায়, শৃঙ্খলাবিধির ২৭ নং ধারা অনুযায়ী বালোগান নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সংস্থাটি।
২০০২ সাল থেকে, ১৬ বছর ফিফার রেফারি ছিলেন জোনাস এরিকসন। তিনি মনে করেন, একই অপরাধে বালোগান ও কোয়ানসার সমান শাস্তি পাওয়া উচিত ছিল। ‘রেফারিদের কাছ থেকে সবাই সঠিক সিদ্ধান্ত চায়। কিন্তু এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারাবাহিকতা। আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে, খেলোয়াড়-এ এর শাস্তি খেলোয়াড়-বি এর শাস্তির সমান হবে। দল-এ ও বি-র শাস্তি সমান হবে, এটাই প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু বালোগান ও কোয়ানসার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।’

বালোগান-কোয়ানসা ইস্যুতে প্রশ্ন তুলছেন সাবেক ফিফা রেফারিরা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দুটি লাল কার্ডের ঘটনায় ফিফার দুই রকম ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসা যে কারণে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন, একই ফাউলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল ফিফা।
মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের কোয়ানসা। ভিআর পর্যবেক্ষণে তার স্লাইডিং ভয়ঙ্কর ফাউল বলে বিবেচিত হয়, এতে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন।
বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ফাউলের কারণে লাল কার্ড পান যুক্তরাষ্ট্রের বালোগান। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেন ফিফা প্রেসিডেন্টকে, এরপর ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা।
এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ফিফা জানায়, শৃঙ্খলাবিধির ২৭ নং ধারা অনুযায়ী বালোগান নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সংস্থাটি।
২০০২ সাল থেকে, ১৬ বছর ফিফার রেফারি ছিলেন জোনাস এরিকসন। তিনি মনে করেন, একই অপরাধে বালোগান ও কোয়ানসার সমান শাস্তি পাওয়া উচিত ছিল। ‘রেফারিদের কাছ থেকে সবাই সঠিক সিদ্ধান্ত চায়। কিন্তু এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারাবাহিকতা। আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে, খেলোয়াড়-এ এর শাস্তি খেলোয়াড়-বি এর শাস্তির সমান হবে। দল-এ ও বি-র শাস্তি সমান হবে, এটাই প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু বালোগান ও কোয়ানসার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।’

রোনালদোদের নতুন কোচ জেসুস

