বাঙ্গরা উপজেলা ১০ ইউনিয়নের মানুষের ভোগান্তি কমাবে: আসিফ মাহমুদ

বাঙ্গরা উপজেলা ১০ ইউনিয়নের মানুষের ভোগান্তি কমাবে: আসিফ মাহমুদ
সিজেডএন ডেস্ক

কুমিল্লার মুরাদনগরের বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ও সংস্কার কমিটি (নিকার)। এ সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট ১০টি ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ বুধবার (১ জুলাই) নিকার সভায় বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় আসিফ মাহমুদ এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, মুরাদনগর ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ উপজেলা। প্রশাসনিক কার্যক্রম উপজেলার এক প্রান্তে কেন্দ্রীভূত থাকায় বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা পেতে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হতো।
তিনি বলেন, এ ভোগান্তি কমাতে এবং নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাঙ্গরা বাজার থানার ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রস্তাবটি প্রি-নিকার সভায় অনুমোদন পায়। পরে এটি নিকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।
নিকার সভায় বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদন পাওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ১০টি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করবে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন উপজেলা কার্যকর হলে প্রশাসনিক সেবার বিকেন্দ্রীকরণ হবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে মানুষের সময় ও খরচ কমবে।

কুমিল্লার মুরাদনগরের বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ও সংস্কার কমিটি (নিকার)। এ সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট ১০টি ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ বুধবার (১ জুলাই) নিকার সভায় বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় আসিফ মাহমুদ এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, মুরাদনগর ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ উপজেলা। প্রশাসনিক কার্যক্রম উপজেলার এক প্রান্তে কেন্দ্রীভূত থাকায় বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা পেতে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হতো।
তিনি বলেন, এ ভোগান্তি কমাতে এবং নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাঙ্গরা বাজার থানার ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রস্তাবটি প্রি-নিকার সভায় অনুমোদন পায়। পরে এটি নিকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।
নিকার সভায় বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদন পাওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ১০টি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করবে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন উপজেলা কার্যকর হলে প্রশাসনিক সেবার বিকেন্দ্রীকরণ হবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে মানুষের সময় ও খরচ কমবে।

বাঙ্গরা উপজেলা ১০ ইউনিয়নের মানুষের ভোগান্তি কমাবে: আসিফ মাহমুদ
সিজেডএন ডেস্ক

কুমিল্লার মুরাদনগরের বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ও সংস্কার কমিটি (নিকার)। এ সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট ১০টি ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ বুধবার (১ জুলাই) নিকার সভায় বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় আসিফ মাহমুদ এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, মুরাদনগর ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ উপজেলা। প্রশাসনিক কার্যক্রম উপজেলার এক প্রান্তে কেন্দ্রীভূত থাকায় বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা পেতে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হতো।
তিনি বলেন, এ ভোগান্তি কমাতে এবং নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাঙ্গরা বাজার থানার ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রস্তাবটি প্রি-নিকার সভায় অনুমোদন পায়। পরে এটি নিকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।
নিকার সভায় বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদন পাওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ১০টি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করবে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন উপজেলা কার্যকর হলে প্রশাসনিক সেবার বিকেন্দ্রীকরণ হবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে মানুষের সময় ও খরচ কমবে।




