ফিফাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার দুই আর্জেন্টাইন নির্বাহীর

ফিফাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার দুই আর্জেন্টাইন নির্বাহীর
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ঘুষ শুধু বাংলাদেশেরই সমস্যা নয়। এটা বিশ্বব্যাপী এক সমস্যার নাম। আর না হলে কি ফিফার মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানেও ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে! সম্প্রতি ফিফার তেমনই এক ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়ে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার দুই ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী। লাভজনক সম্প্রচার স্বত্ব পেতে ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা সম্প্রতি তারা স্বীকার করেছেন।
ঘটনা ২০১৫ সালের। ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে তখন আলোড়নই তৈরি হয়েছিল। এরপর মার্কিন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তৃত তদন্তে নামে। সেই তদন্তেই বেরিয়ে আসে আর্জেন্টিনার দুই বিপণন নির্বাহী বাবা হুগো জিনকিস ও ছেলে মারিয়ানো জিনকেসের ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি।
নিজেদের অপরাধের কথা তারা স্বীকার করেছেন বিচার এড়াতে। মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে বাবা ও ছেলের সেভাবেই কথা হয়েছে।
ফিফার বিশাল এক দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছেন দুই আর্জেন্টাইন ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী। লাভজনক সম্প্রচার স্বত্ব পেতে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা তাঁরা স্বীকার করেছেন। বিচার এড়াতে মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার তাঁরা এই স্বীকারোক্তি দেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করায় কীভাবে তারা বিচার এড়াবেন? মূলত একটি মূলতবি অভিশংসন চুক্তির (ডিফার্ড প্রসিকিউশন অ্যাগ্রিমেন্ট) অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জিনকিসদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে নেবে। তারা ফিফা, কনক্যাকাফ ও কনমেবলকে প্রতারিত করার একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা স্বীকার করেছেন। চুক্তির অংশ হিসেবে তাদের পাঁচ কোটি ডলার বাজেয়াপ্ত করার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছেন এই বাবা-ছেলে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত এই দুই ব্যক্তি বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টের লাভজনক মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পেতে ফুটবল কর্তাদের সমর্থন অর্জনের জন্য ‘কোটি কোটি ডলারের বাণিজ্যিক ঘুষ দিয়েছেন এবং দিতে সম্মত হয়েছেন’।
নথিতে বলা হয়, আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘ফুল প্লে’র সহমালিক জিনকিসরা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকার মতো ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব পেতে ঘুষের আশ্রয় নিয়েছিলেন।

ঘুষ শুধু বাংলাদেশেরই সমস্যা নয়। এটা বিশ্বব্যাপী এক সমস্যার নাম। আর না হলে কি ফিফার মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানেও ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে! সম্প্রতি ফিফার তেমনই এক ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়ে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার দুই ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী। লাভজনক সম্প্রচার স্বত্ব পেতে ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা সম্প্রতি তারা স্বীকার করেছেন।
ঘটনা ২০১৫ সালের। ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে তখন আলোড়নই তৈরি হয়েছিল। এরপর মার্কিন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তৃত তদন্তে নামে। সেই তদন্তেই বেরিয়ে আসে আর্জেন্টিনার দুই বিপণন নির্বাহী বাবা হুগো জিনকিস ও ছেলে মারিয়ানো জিনকেসের ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি।
নিজেদের অপরাধের কথা তারা স্বীকার করেছেন বিচার এড়াতে। মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে বাবা ও ছেলের সেভাবেই কথা হয়েছে।
ফিফার বিশাল এক দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছেন দুই আর্জেন্টাইন ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী। লাভজনক সম্প্রচার স্বত্ব পেতে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা তাঁরা স্বীকার করেছেন। বিচার এড়াতে মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার তাঁরা এই স্বীকারোক্তি দেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করায় কীভাবে তারা বিচার এড়াবেন? মূলত একটি মূলতবি অভিশংসন চুক্তির (ডিফার্ড প্রসিকিউশন অ্যাগ্রিমেন্ট) অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জিনকিসদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে নেবে। তারা ফিফা, কনক্যাকাফ ও কনমেবলকে প্রতারিত করার একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা স্বীকার করেছেন। চুক্তির অংশ হিসেবে তাদের পাঁচ কোটি ডলার বাজেয়াপ্ত করার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছেন এই বাবা-ছেলে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত এই দুই ব্যক্তি বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টের লাভজনক মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পেতে ফুটবল কর্তাদের সমর্থন অর্জনের জন্য ‘কোটি কোটি ডলারের বাণিজ্যিক ঘুষ দিয়েছেন এবং দিতে সম্মত হয়েছেন’।
নথিতে বলা হয়, আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘ফুল প্লে’র সহমালিক জিনকিসরা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকার মতো ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব পেতে ঘুষের আশ্রয় নিয়েছিলেন।

ফিফাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার দুই আর্জেন্টাইন নির্বাহীর
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ঘুষ শুধু বাংলাদেশেরই সমস্যা নয়। এটা বিশ্বব্যাপী এক সমস্যার নাম। আর না হলে কি ফিফার মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানেও ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে! সম্প্রতি ফিফার তেমনই এক ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়ে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার দুই ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী। লাভজনক সম্প্রচার স্বত্ব পেতে ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা সম্প্রতি তারা স্বীকার করেছেন।
ঘটনা ২০১৫ সালের। ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে তখন আলোড়নই তৈরি হয়েছিল। এরপর মার্কিন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তৃত তদন্তে নামে। সেই তদন্তেই বেরিয়ে আসে আর্জেন্টিনার দুই বিপণন নির্বাহী বাবা হুগো জিনকিস ও ছেলে মারিয়ানো জিনকেসের ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি।
নিজেদের অপরাধের কথা তারা স্বীকার করেছেন বিচার এড়াতে। মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে বাবা ও ছেলের সেভাবেই কথা হয়েছে।
ফিফার বিশাল এক দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছেন দুই আর্জেন্টাইন ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী। লাভজনক সম্প্রচার স্বত্ব পেতে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা তাঁরা স্বীকার করেছেন। বিচার এড়াতে মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার তাঁরা এই স্বীকারোক্তি দেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করায় কীভাবে তারা বিচার এড়াবেন? মূলত একটি মূলতবি অভিশংসন চুক্তির (ডিফার্ড প্রসিকিউশন অ্যাগ্রিমেন্ট) অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জিনকিসদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে নেবে। তারা ফিফা, কনক্যাকাফ ও কনমেবলকে প্রতারিত করার একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা স্বীকার করেছেন। চুক্তির অংশ হিসেবে তাদের পাঁচ কোটি ডলার বাজেয়াপ্ত করার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছেন এই বাবা-ছেলে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত এই দুই ব্যক্তি বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টের লাভজনক মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পেতে ফুটবল কর্তাদের সমর্থন অর্জনের জন্য ‘কোটি কোটি ডলারের বাণিজ্যিক ঘুষ দিয়েছেন এবং দিতে সম্মত হয়েছেন’।
নথিতে বলা হয়, আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘ফুল প্লে’র সহমালিক জিনকিসরা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকার মতো ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব পেতে ঘুষের আশ্রয় নিয়েছিলেন।









