আর্সেনালের স্বপ্ন ভেঙে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ সেরা পিএসজি

আর্সেনালের স্বপ্ন ভেঙে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ সেরা পিএসজি
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (ইউসিএল) ফাইনালে আরও একবার হতাশার আগুনে পুড়ল আর্সেনাল। অন্যদিকে লুইস এনরিকের অধীনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট পরল ফরাসি জায়ান্ট পিএসজি। শনিবার (৩০ মে) বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর টাইব্রেকারে গানারদের ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মাতে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতে কাই হাভার্টজের গোলে লিড নিয়ে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল সদ্য প্রিমিয়ার লিগ জয়ী আর্সেনাল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে স্পট কিক থেকে গোল করে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের পরও নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে কোনো দলই আর জালের দেখা পায়নি। ফলে শিরোপা নির্ধারণের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।
স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় প্রথম শটে দুই দলই সাফল্য পায়। তবে আর্সেনালের হয়ে এবেরেচি এজে দুর্বল শটে বল বাইরে মারলে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে তারা। যদিও পরক্ষণেই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়ে গানারদের আশা বাঁচিয়ে রাখেন গোলরক্ষক দাভিদ রায়া। এরপর উভয় দলই নিজেদের পরের দুটি শটে গোল আদায় করে নেয়। কিন্তু শেষ ও চূড়ান্ত শটটি নিতে এসে প্রবল চাপের মুখে বল আকাশে উড়িয়ে মারেন আর্সেনালের ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল। আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির টানা দ্বিতীয়বারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়।
সম্প্রতি ২২ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতলেও ইউরোপ-সেরার মঞ্চে আর্সেনালের আক্ষেপটা থেকেই গেল। এর আগে ২০০৬ সালেও বার্সেলোনার কাছে হেরে তাদের রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। অন্যদিকে, একসময় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য হাহাকার করা পিএসজি গত মৌসুমে নিজেদের প্রথম শিরোপার স্বাদ পাওয়ার পর এবার লুইস এনরিকের জাদুকরী ছোঁয়ায় সেই সাফল্য ধরে রেখে ইউরোপে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করল।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (ইউসিএল) ফাইনালে আরও একবার হতাশার আগুনে পুড়ল আর্সেনাল। অন্যদিকে লুইস এনরিকের অধীনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট পরল ফরাসি জায়ান্ট পিএসজি। শনিবার (৩০ মে) বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর টাইব্রেকারে গানারদের ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মাতে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতে কাই হাভার্টজের গোলে লিড নিয়ে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল সদ্য প্রিমিয়ার লিগ জয়ী আর্সেনাল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে স্পট কিক থেকে গোল করে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের পরও নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে কোনো দলই আর জালের দেখা পায়নি। ফলে শিরোপা নির্ধারণের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।
স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় প্রথম শটে দুই দলই সাফল্য পায়। তবে আর্সেনালের হয়ে এবেরেচি এজে দুর্বল শটে বল বাইরে মারলে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে তারা। যদিও পরক্ষণেই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়ে গানারদের আশা বাঁচিয়ে রাখেন গোলরক্ষক দাভিদ রায়া। এরপর উভয় দলই নিজেদের পরের দুটি শটে গোল আদায় করে নেয়। কিন্তু শেষ ও চূড়ান্ত শটটি নিতে এসে প্রবল চাপের মুখে বল আকাশে উড়িয়ে মারেন আর্সেনালের ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল। আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির টানা দ্বিতীয়বারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়।
সম্প্রতি ২২ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতলেও ইউরোপ-সেরার মঞ্চে আর্সেনালের আক্ষেপটা থেকেই গেল। এর আগে ২০০৬ সালেও বার্সেলোনার কাছে হেরে তাদের রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। অন্যদিকে, একসময় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য হাহাকার করা পিএসজি গত মৌসুমে নিজেদের প্রথম শিরোপার স্বাদ পাওয়ার পর এবার লুইস এনরিকের জাদুকরী ছোঁয়ায় সেই সাফল্য ধরে রেখে ইউরোপে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করল।

আর্সেনালের স্বপ্ন ভেঙে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ সেরা পিএসজি
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (ইউসিএল) ফাইনালে আরও একবার হতাশার আগুনে পুড়ল আর্সেনাল। অন্যদিকে লুইস এনরিকের অধীনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট পরল ফরাসি জায়ান্ট পিএসজি। শনিবার (৩০ মে) বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর টাইব্রেকারে গানারদের ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মাতে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতে কাই হাভার্টজের গোলে লিড নিয়ে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল সদ্য প্রিমিয়ার লিগ জয়ী আর্সেনাল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে স্পট কিক থেকে গোল করে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের পরও নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে কোনো দলই আর জালের দেখা পায়নি। ফলে শিরোপা নির্ধারণের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।
স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় প্রথম শটে দুই দলই সাফল্য পায়। তবে আর্সেনালের হয়ে এবেরেচি এজে দুর্বল শটে বল বাইরে মারলে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে তারা। যদিও পরক্ষণেই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়ে গানারদের আশা বাঁচিয়ে রাখেন গোলরক্ষক দাভিদ রায়া। এরপর উভয় দলই নিজেদের পরের দুটি শটে গোল আদায় করে নেয়। কিন্তু শেষ ও চূড়ান্ত শটটি নিতে এসে প্রবল চাপের মুখে বল আকাশে উড়িয়ে মারেন আর্সেনালের ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল। আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির টানা দ্বিতীয়বারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়।
সম্প্রতি ২২ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতলেও ইউরোপ-সেরার মঞ্চে আর্সেনালের আক্ষেপটা থেকেই গেল। এর আগে ২০০৬ সালেও বার্সেলোনার কাছে হেরে তাদের রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। অন্যদিকে, একসময় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য হাহাকার করা পিএসজি গত মৌসুমে নিজেদের প্রথম শিরোপার স্বাদ পাওয়ার পর এবার লুইস এনরিকের জাদুকরী ছোঁয়ায় সেই সাফল্য ধরে রেখে ইউরোপে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করল।

শিগগিরই জাতীয় দলে ডাক পাবেন বৈভব: সাঙ্গাকারা
২০৩০ বিশ্বকাপও খেলবেন রোনালদো: পর্তুগাল কোচ

