বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক

বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

এবারের আসরে অন্যতম ফেভারিট তকমা পাওয়া স্পেনকে রুখে দিয়েছে বিশ্বকাপের নবাগত দল কেপ ভার্দে। প্রথমার্ধে ১২ শট করেও গোলের দেখা পায়নি দে লা ফুয়েন্তের দল। ৭১ মিনিটে মাঠে নামেন লামিনে ইয়ামাল। তাতে আক্রমণের ধার আরও বাড়লেও কেপ ভার্দে দেয়াল ভেদ করতে পারেনি স্প্যানিশরা। ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। এবারের আসরে প্রথম গোলশূন্য ম্যাচও এটি।
বিশ্বকাপ অভিষেকেই রেকর্ড গড়েছে কেপ ভার্দে। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশ নিয়ে মাঠে নামে আফ্রিকার দলটি। স্পেনের বিপক্ষে তাদের শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩১ বছর ২৬ দিন।
বয়স্ক দলটির বিপক্ষে ম্যাচের ১৫ মিনিটে পেদ্রি গোলের সুযোগ পেলেও তার দুর্বল শট রুখতে কোনো সমস্যা হয়নি কেপ ভার্দে গোলকিপারের। প্রথম আধা ঘণ্টা শেষেও স্পেনের ম্যাচে শট অন টার্গেট ওই একটাই! তবে এরপরই একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্পেন।
৩৬ মিনিটে গোলের পেদ্রি দারুণ একট শট নেন কেপ ভার্দের গোলমুখে, সেটি গোলকিপার কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। অবশ্য রেফারি বাঁশি বাজান অফসাইডের। বিল্ডআপের সময়ই অফসাইড হয়েছিল। ৪২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে কেপ ভার্দে বল স্পেনের গোলপোস্ট পর্যন্ত নিলেও কাজের কাজ করতে পারেনি তারা।
প্রথমার্ধে তোরেস গোল করার এক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন, তার শট প্রতিহত হয় ক্রসবারে লেগে। ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড রুখে দেন গোলকিপার ভোজিনিয়া।
ম্যাচের ৬১ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি বদলি করেন কেপ ভার্দের কোচ। আক্রমণের চেয়ে ডিফেন্সেই বেশি নজর দিতে হয়েছে কেপ ভার্দেকে। ৭১ মিনিটে একসঙ্গে দুই বদলি করেন স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে। এ সময় মাঠে নামেন ইয়ামাল।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে বদলি নেমে ১৮ বছর ৩৪২ দিন বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেক হলো স্পেন তারকা ইয়ামালের। কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনিয়ারও এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটে ৪০ বছর ২২ দিন বয়সে। ভোজিনিয়া ও ইয়ামালের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ২১ বছর ৪৫ দিন! বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাচে দুই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি বয়সের ব্যবধান।
ইয়ামাল নামার পর স্পেনের ডানপ্রান্ত দিয়ে অর্থাৎ ইয়ামাল যে দিকে খেলেন সেদিক দিয়ে আক্রমণের হার বেড়ে যায়। তবু গোল পাচ্ছিলো না স্পেন। শেষ পর্যন্ত পুরো ম্যাচে ২৫টি শট নিয়েও গোল করতে পারেনি স্পেন।
কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী ভোজেনিয়া অন্তত্য ৭টি দারণ সেভ করেছেন ম্যাচে। তাতে বিশ্বকাপ অভিষেকে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়লো কেপ ভার্দে। তার চেয়ে বড় কথা বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিয়েছে তারা।
শেষ বাঁশি বাজতেই স্পেনের খেলোয়াড়দের মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিলো না! কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের চোখে ছিল অশ্রু। স্পেনের র্যাংকিং ২, ৬৭ নম্বরে থাকা কেপ ভার্দে খেলছে প্রথম বিশ্বকাপ। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে এটাই কি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ড্র?

এবারের আসরে অন্যতম ফেভারিট তকমা পাওয়া স্পেনকে রুখে দিয়েছে বিশ্বকাপের নবাগত দল কেপ ভার্দে। প্রথমার্ধে ১২ শট করেও গোলের দেখা পায়নি দে লা ফুয়েন্তের দল। ৭১ মিনিটে মাঠে নামেন লামিনে ইয়ামাল। তাতে আক্রমণের ধার আরও বাড়লেও কেপ ভার্দে দেয়াল ভেদ করতে পারেনি স্প্যানিশরা। ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। এবারের আসরে প্রথম গোলশূন্য ম্যাচও এটি।
বিশ্বকাপ অভিষেকেই রেকর্ড গড়েছে কেপ ভার্দে। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশ নিয়ে মাঠে নামে আফ্রিকার দলটি। স্পেনের বিপক্ষে তাদের শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩১ বছর ২৬ দিন।
বয়স্ক দলটির বিপক্ষে ম্যাচের ১৫ মিনিটে পেদ্রি গোলের সুযোগ পেলেও তার দুর্বল শট রুখতে কোনো সমস্যা হয়নি কেপ ভার্দে গোলকিপারের। প্রথম আধা ঘণ্টা শেষেও স্পেনের ম্যাচে শট অন টার্গেট ওই একটাই! তবে এরপরই একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্পেন।
৩৬ মিনিটে গোলের পেদ্রি দারুণ একট শট নেন কেপ ভার্দের গোলমুখে, সেটি গোলকিপার কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। অবশ্য রেফারি বাঁশি বাজান অফসাইডের। বিল্ডআপের সময়ই অফসাইড হয়েছিল। ৪২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে কেপ ভার্দে বল স্পেনের গোলপোস্ট পর্যন্ত নিলেও কাজের কাজ করতে পারেনি তারা।
প্রথমার্ধে তোরেস গোল করার এক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন, তার শট প্রতিহত হয় ক্রসবারে লেগে। ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড রুখে দেন গোলকিপার ভোজিনিয়া।
ম্যাচের ৬১ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি বদলি করেন কেপ ভার্দের কোচ। আক্রমণের চেয়ে ডিফেন্সেই বেশি নজর দিতে হয়েছে কেপ ভার্দেকে। ৭১ মিনিটে একসঙ্গে দুই বদলি করেন স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে। এ সময় মাঠে নামেন ইয়ামাল।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে বদলি নেমে ১৮ বছর ৩৪২ দিন বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেক হলো স্পেন তারকা ইয়ামালের। কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনিয়ারও এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটে ৪০ বছর ২২ দিন বয়সে। ভোজিনিয়া ও ইয়ামালের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ২১ বছর ৪৫ দিন! বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাচে দুই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি বয়সের ব্যবধান।
ইয়ামাল নামার পর স্পেনের ডানপ্রান্ত দিয়ে অর্থাৎ ইয়ামাল যে দিকে খেলেন সেদিক দিয়ে আক্রমণের হার বেড়ে যায়। তবু গোল পাচ্ছিলো না স্পেন। শেষ পর্যন্ত পুরো ম্যাচে ২৫টি শট নিয়েও গোল করতে পারেনি স্পেন।
কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী ভোজেনিয়া অন্তত্য ৭টি দারণ সেভ করেছেন ম্যাচে। তাতে বিশ্বকাপ অভিষেকে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়লো কেপ ভার্দে। তার চেয়ে বড় কথা বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিয়েছে তারা।
শেষ বাঁশি বাজতেই স্পেনের খেলোয়াড়দের মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিলো না! কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের চোখে ছিল অশ্রু। স্পেনের র্যাংকিং ২, ৬৭ নম্বরে থাকা কেপ ভার্দে খেলছে প্রথম বিশ্বকাপ। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে এটাই কি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ড্র?

বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

এবারের আসরে অন্যতম ফেভারিট তকমা পাওয়া স্পেনকে রুখে দিয়েছে বিশ্বকাপের নবাগত দল কেপ ভার্দে। প্রথমার্ধে ১২ শট করেও গোলের দেখা পায়নি দে লা ফুয়েন্তের দল। ৭১ মিনিটে মাঠে নামেন লামিনে ইয়ামাল। তাতে আক্রমণের ধার আরও বাড়লেও কেপ ভার্দে দেয়াল ভেদ করতে পারেনি স্প্যানিশরা। ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। এবারের আসরে প্রথম গোলশূন্য ম্যাচও এটি।
বিশ্বকাপ অভিষেকেই রেকর্ড গড়েছে কেপ ভার্দে। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশ নিয়ে মাঠে নামে আফ্রিকার দলটি। স্পেনের বিপক্ষে তাদের শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩১ বছর ২৬ দিন।
বয়স্ক দলটির বিপক্ষে ম্যাচের ১৫ মিনিটে পেদ্রি গোলের সুযোগ পেলেও তার দুর্বল শট রুখতে কোনো সমস্যা হয়নি কেপ ভার্দে গোলকিপারের। প্রথম আধা ঘণ্টা শেষেও স্পেনের ম্যাচে শট অন টার্গেট ওই একটাই! তবে এরপরই একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্পেন।
৩৬ মিনিটে গোলের পেদ্রি দারুণ একট শট নেন কেপ ভার্দের গোলমুখে, সেটি গোলকিপার কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। অবশ্য রেফারি বাঁশি বাজান অফসাইডের। বিল্ডআপের সময়ই অফসাইড হয়েছিল। ৪২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে কেপ ভার্দে বল স্পেনের গোলপোস্ট পর্যন্ত নিলেও কাজের কাজ করতে পারেনি তারা।
প্রথমার্ধে তোরেস গোল করার এক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন, তার শট প্রতিহত হয় ক্রসবারে লেগে। ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড রুখে দেন গোলকিপার ভোজিনিয়া।
ম্যাচের ৬১ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি বদলি করেন কেপ ভার্দের কোচ। আক্রমণের চেয়ে ডিফেন্সেই বেশি নজর দিতে হয়েছে কেপ ভার্দেকে। ৭১ মিনিটে একসঙ্গে দুই বদলি করেন স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে। এ সময় মাঠে নামেন ইয়ামাল।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে বদলি নেমে ১৮ বছর ৩৪২ দিন বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেক হলো স্পেন তারকা ইয়ামালের। কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনিয়ারও এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটে ৪০ বছর ২২ দিন বয়সে। ভোজিনিয়া ও ইয়ামালের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ২১ বছর ৪৫ দিন! বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাচে দুই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি বয়সের ব্যবধান।
ইয়ামাল নামার পর স্পেনের ডানপ্রান্ত দিয়ে অর্থাৎ ইয়ামাল যে দিকে খেলেন সেদিক দিয়ে আক্রমণের হার বেড়ে যায়। তবু গোল পাচ্ছিলো না স্পেন। শেষ পর্যন্ত পুরো ম্যাচে ২৫টি শট নিয়েও গোল করতে পারেনি স্পেন।
কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী ভোজেনিয়া অন্তত্য ৭টি দারণ সেভ করেছেন ম্যাচে। তাতে বিশ্বকাপ অভিষেকে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়লো কেপ ভার্দে। তার চেয়ে বড় কথা বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিয়েছে তারা।
শেষ বাঁশি বাজতেই স্পেনের খেলোয়াড়দের মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিলো না! কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের চোখে ছিল অশ্রু। স্পেনের র্যাংকিং ২, ৬৭ নম্বরে থাকা কেপ ভার্দে খেলছে প্রথম বিশ্বকাপ। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে এটাই কি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ড্র?

ইয়ামালকে শুরুর একাদশে রাখেননি স্পেনের কোচ
বয়স্ক একাদশ নিয়ে প্রথমার্ধে স্পেনকে আটকে রাখলো কেপ ভার্দে
