ইউরোপের বাইরে খেলা মেসি কি ব্যালন ডি’অর জিততে পারবেন

ইউরোপের বাইরে খেলা মেসি কি ব্যালন ডি’অর জিততে পারবেন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের সময় ব্যালন ডি’অরের আলোচনা ওঠা স্বাভাবিক। এবার সেটা আরও বেশি করে উঠছে লিওনেল মেসির কারণে। মেসি এখন ইউরোপের লিগে খেলেন না। তিনি কি তাহলে ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে থাকতে পারবেন?
ব্যালন ডি’অরের পুরস্কারের স্বত্বাধিকারী সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সম্ভাবনাটা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছে না। চলতি বিশ্বকাপের মধ্যেই ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের ‘প্রেস রুম’ সেকশনে একটি ফিচার প্রকাশ করা হয়েছে। যার শিরোনাম ‘ইউরোপীয় ক্লাবে না খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব?’
নিয়ম কী বলে
১৯৫৬ সালে শুরু হওয়া এই পুরস্কারটি প্রথমে শুধু ইউরোপীয় লিগের ইউরোপীয় খেলোয়াড়দের দেওয়া হতো। ১৯৯৫ সালে নিয়ম বদলে বিশ্বের যেকোনো দেশের খেলোয়াড়ের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়, তবে শর্ত ছিল তাকে ইউরোপের লিগেই খেলতে হবে। কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। এখন নিয়ম একটাই- যিনি বিশ্বের সেরা ফুটবলার, পুরস্কারটি তারই। অর্থাৎ ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব।
সবশেষ ২০২৩ সালে মেসি যখন ব্যালন ডি’অল পুরস্কার জেতেন, তখন তিনি মায়ামিতে যোগ দিলেও তার বিবেচ্য পারফরম্যান্স ছিল পিএসজির হয়ে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মৌসুম এবং ২০২২ বিশ্বকাপ।
এর পর থেকে মেসি আর ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পাননি।
২০২৬ বিশ্বকাপ এবং মেসির সুযোগ
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির অতিমানবীয় পারফরম্যান্স পুরো হিসাবটা বদলে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে মেসি করেছেন ৮ গোল, করিয়েছেন ৪টি। দলকে তুলেছেন ফাইনালে।
স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচের ফলাফল যাই হোক, টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ‘গোল্ডেন বল’ জয়ের দৌড়ে মেসিই এগিয়ে, এমন ধারণা সবার।
২০২৬ ব্যালন ডি’অর দেওয়া হবে গত বছরের আগস্ট থেকে এই বছরের আগস্ট পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে। মানে বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সের বড় প্রভাব থাকবে। মেসি ইন্টার মায়ামির হয়েও দারুণ ছন্দে আছেন।
জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে ব্যালন ডি’অরের এই সময়পঞ্জিতে এখন পর্যন্ত মেসি গোল করেছেন ৪৫টি।

বিশ্বকাপের সময় ব্যালন ডি’অরের আলোচনা ওঠা স্বাভাবিক। এবার সেটা আরও বেশি করে উঠছে লিওনেল মেসির কারণে। মেসি এখন ইউরোপের লিগে খেলেন না। তিনি কি তাহলে ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে থাকতে পারবেন?
ব্যালন ডি’অরের পুরস্কারের স্বত্বাধিকারী সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সম্ভাবনাটা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছে না। চলতি বিশ্বকাপের মধ্যেই ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের ‘প্রেস রুম’ সেকশনে একটি ফিচার প্রকাশ করা হয়েছে। যার শিরোনাম ‘ইউরোপীয় ক্লাবে না খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব?’
নিয়ম কী বলে
১৯৫৬ সালে শুরু হওয়া এই পুরস্কারটি প্রথমে শুধু ইউরোপীয় লিগের ইউরোপীয় খেলোয়াড়দের দেওয়া হতো। ১৯৯৫ সালে নিয়ম বদলে বিশ্বের যেকোনো দেশের খেলোয়াড়ের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়, তবে শর্ত ছিল তাকে ইউরোপের লিগেই খেলতে হবে। কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। এখন নিয়ম একটাই- যিনি বিশ্বের সেরা ফুটবলার, পুরস্কারটি তারই। অর্থাৎ ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব।
সবশেষ ২০২৩ সালে মেসি যখন ব্যালন ডি’অল পুরস্কার জেতেন, তখন তিনি মায়ামিতে যোগ দিলেও তার বিবেচ্য পারফরম্যান্স ছিল পিএসজির হয়ে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মৌসুম এবং ২০২২ বিশ্বকাপ।
এর পর থেকে মেসি আর ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পাননি।
২০২৬ বিশ্বকাপ এবং মেসির সুযোগ
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির অতিমানবীয় পারফরম্যান্স পুরো হিসাবটা বদলে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে মেসি করেছেন ৮ গোল, করিয়েছেন ৪টি। দলকে তুলেছেন ফাইনালে।
স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচের ফলাফল যাই হোক, টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ‘গোল্ডেন বল’ জয়ের দৌড়ে মেসিই এগিয়ে, এমন ধারণা সবার।
২০২৬ ব্যালন ডি’অর দেওয়া হবে গত বছরের আগস্ট থেকে এই বছরের আগস্ট পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে। মানে বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সের বড় প্রভাব থাকবে। মেসি ইন্টার মায়ামির হয়েও দারুণ ছন্দে আছেন।
জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে ব্যালন ডি’অরের এই সময়পঞ্জিতে এখন পর্যন্ত মেসি গোল করেছেন ৪৫টি।

ইউরোপের বাইরে খেলা মেসি কি ব্যালন ডি’অর জিততে পারবেন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের সময় ব্যালন ডি’অরের আলোচনা ওঠা স্বাভাবিক। এবার সেটা আরও বেশি করে উঠছে লিওনেল মেসির কারণে। মেসি এখন ইউরোপের লিগে খেলেন না। তিনি কি তাহলে ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে থাকতে পারবেন?
ব্যালন ডি’অরের পুরস্কারের স্বত্বাধিকারী সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সম্ভাবনাটা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছে না। চলতি বিশ্বকাপের মধ্যেই ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের ‘প্রেস রুম’ সেকশনে একটি ফিচার প্রকাশ করা হয়েছে। যার শিরোনাম ‘ইউরোপীয় ক্লাবে না খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব?’
নিয়ম কী বলে
১৯৫৬ সালে শুরু হওয়া এই পুরস্কারটি প্রথমে শুধু ইউরোপীয় লিগের ইউরোপীয় খেলোয়াড়দের দেওয়া হতো। ১৯৯৫ সালে নিয়ম বদলে বিশ্বের যেকোনো দেশের খেলোয়াড়ের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়, তবে শর্ত ছিল তাকে ইউরোপের লিগেই খেলতে হবে। কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। এখন নিয়ম একটাই- যিনি বিশ্বের সেরা ফুটবলার, পুরস্কারটি তারই। অর্থাৎ ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব।
সবশেষ ২০২৩ সালে মেসি যখন ব্যালন ডি’অল পুরস্কার জেতেন, তখন তিনি মায়ামিতে যোগ দিলেও তার বিবেচ্য পারফরম্যান্স ছিল পিএসজির হয়ে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মৌসুম এবং ২০২২ বিশ্বকাপ।
এর পর থেকে মেসি আর ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পাননি।
২০২৬ বিশ্বকাপ এবং মেসির সুযোগ
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির অতিমানবীয় পারফরম্যান্স পুরো হিসাবটা বদলে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে মেসি করেছেন ৮ গোল, করিয়েছেন ৪টি। দলকে তুলেছেন ফাইনালে।
স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচের ফলাফল যাই হোক, টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ‘গোল্ডেন বল’ জয়ের দৌড়ে মেসিই এগিয়ে, এমন ধারণা সবার।
২০২৬ ব্যালন ডি’অর দেওয়া হবে গত বছরের আগস্ট থেকে এই বছরের আগস্ট পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে। মানে বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সের বড় প্রভাব থাকবে। মেসি ইন্টার মায়ামির হয়েও দারুণ ছন্দে আছেন।
জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে ব্যালন ডি’অরের এই সময়পঞ্জিতে এখন পর্যন্ত মেসি গোল করেছেন ৪৫টি।

কিংবদন্তি ক্রিকেটার গ্যারি সোবার্স আর নেই
ফাইনালের ভেন্যুত এসেই সমস্যায় পড়লেন মেসিরা



