‘অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি’

‘অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ বাঁশি বাজতেই হাঁটু গেড়ে বসে কান্না শুরু করলেন। কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার চোখের জল তখন ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, একটি দেশের ফুটবল ইতিহাসের গর্বের মুহূর্তের প্রতিচ্ছবি।
২০১০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়নও তারা। সেই স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়েছে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে। আর এই অবিশ্বাস্য ফলাফলের বড় নায়ক গোলকিপার ভোজিনিয়া।
ম্যাচ শেষে কান্নার কারণও জানালেন ভোজিনিয়া। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর আমি কেঁদেছিলাম, কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। কিন্তু আজ তারা এখানে থাকতে পারেননি। কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে থাকতে পারেননি। ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সময়মতো সবকিছু করা সম্ভব হয়নি।’
সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সন প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কেপ ভার্দের গোলকিপারকে। তার ভাষায়, ‘আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। ভোজিনিয়াকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরই কান্না চলে আসছিল।’

শেষ বাঁশি বাজতেই হাঁটু গেড়ে বসে কান্না শুরু করলেন। কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার চোখের জল তখন ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, একটি দেশের ফুটবল ইতিহাসের গর্বের মুহূর্তের প্রতিচ্ছবি।
২০১০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়নও তারা। সেই স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়েছে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে। আর এই অবিশ্বাস্য ফলাফলের বড় নায়ক গোলকিপার ভোজিনিয়া।
ম্যাচ শেষে কান্নার কারণও জানালেন ভোজিনিয়া। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর আমি কেঁদেছিলাম, কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। কিন্তু আজ তারা এখানে থাকতে পারেননি। কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে থাকতে পারেননি। ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সময়মতো সবকিছু করা সম্ভব হয়নি।’
সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সন প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কেপ ভার্দের গোলকিপারকে। তার ভাষায়, ‘আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। ভোজিনিয়াকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরই কান্না চলে আসছিল।’

‘অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ বাঁশি বাজতেই হাঁটু গেড়ে বসে কান্না শুরু করলেন। কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার চোখের জল তখন ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, একটি দেশের ফুটবল ইতিহাসের গর্বের মুহূর্তের প্রতিচ্ছবি।
২০১০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়নও তারা। সেই স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়েছে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে। আর এই অবিশ্বাস্য ফলাফলের বড় নায়ক গোলকিপার ভোজিনিয়া।
ম্যাচ শেষে কান্নার কারণও জানালেন ভোজিনিয়া। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর আমি কেঁদেছিলাম, কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। কিন্তু আজ তারা এখানে থাকতে পারেননি। কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে থাকতে পারেননি। ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সময়মতো সবকিছু করা সম্ভব হয়নি।’
সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সন প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কেপ ভার্দের গোলকিপারকে। তার ভাষায়, ‘আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। ভোজিনিয়াকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরই কান্না চলে আসছিল।’

বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক


