বিশ্বকাপ থেকে ইরানকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ

বিশ্বকাপ থেকে ইরানকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইরান দলকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ইরানি-আমেরিকানরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অভ্যন্তরে ভিন্নমতাবলম্বী ও ক্রীড়াবিদদের ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা আড়াল করতে ইরান সরকার এ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিক্ষোভকারীদের মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বীকে হত্যার কালো ইতিহাস রয়েছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর। এমনকি সাম্প্রতিক জানুয়ারি মাসের ব্যাপক গণবিক্ষোভের সময়ও হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শত শত উদীয়মান ক্রীড়াবিদও ছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি হলের সামনে আয়োজিত সমাবেশে ২১ বছর বয়সী মার্কিন বংশোদ্ভূত রায়ান সালামি বলেন, বিশ্বমঞ্চে দলটিকে এনে গান গাওয়ানোর মাধ্যমে মূলত একটি কৃত্রিম ও শান্ত ভাবমূর্তি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে, অথচ নিজ দেশে নাগরিকদের ওপর কেবল চরম দুর্ভোগ আর মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ রেজিস্ট্যান্স অফ ইরান-এর আহ্বানে আয়োজিত এ সমাবেশে সরকারি হেফাজতে নিহত কয়েক ডজন ইরানি ক্রীড়াবিদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। ১৯৭০ সালের ইরান জাতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় আসগর আদিবি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি মূলত আয়াতুল্লাহ ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রিত একটি দল, যারা মানুষের ওপর অত্যাচার চালায়।
তবে বর্তমান দলের খেলোয়াড়দের শাসকগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে দেখা উচিত কি না, তা নিয়ে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, পূর্বসূরিদের মতো ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে খেলোয়াড়রা নীরব ও অনুগত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার অনেকের মতে, দলত্যাগের ঝুঁকি এড়াতে কেবল পুতুল অনুসারীদেরই দলে রাখা হয়েছে, তাই তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর সুযোগ নেই। এদিকে সোফি স্টেডিয়ামে ইরানের ম্যাচ চলাকালীন বিপ্লব-পূর্ববর্তী ঐতিহ্যবাহী সিংহ ও সূর্য খচিত পতাকা গোপনে গ্যালারিতে ওড়ানোর দৃঢ় প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রবাসী বিক্ষোভকারীরা। এ বিষয়ে ফিফা বা ইরান জাতীয় দল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও, ইরান ফুটবল দল জানিয়েছে যে গ্যালারিতে কোনো নিষিদ্ধ পতাকা বা সমালোচনামূলক স্লোগান দেখা গেলে তারা ম্যাচ খেলা বন্ধ করে দেবে।
সূত্র: রয়টার্স

লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইরান দলকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ইরানি-আমেরিকানরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অভ্যন্তরে ভিন্নমতাবলম্বী ও ক্রীড়াবিদদের ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা আড়াল করতে ইরান সরকার এ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিক্ষোভকারীদের মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বীকে হত্যার কালো ইতিহাস রয়েছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর। এমনকি সাম্প্রতিক জানুয়ারি মাসের ব্যাপক গণবিক্ষোভের সময়ও হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শত শত উদীয়মান ক্রীড়াবিদও ছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি হলের সামনে আয়োজিত সমাবেশে ২১ বছর বয়সী মার্কিন বংশোদ্ভূত রায়ান সালামি বলেন, বিশ্বমঞ্চে দলটিকে এনে গান গাওয়ানোর মাধ্যমে মূলত একটি কৃত্রিম ও শান্ত ভাবমূর্তি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে, অথচ নিজ দেশে নাগরিকদের ওপর কেবল চরম দুর্ভোগ আর মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ রেজিস্ট্যান্স অফ ইরান-এর আহ্বানে আয়োজিত এ সমাবেশে সরকারি হেফাজতে নিহত কয়েক ডজন ইরানি ক্রীড়াবিদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। ১৯৭০ সালের ইরান জাতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় আসগর আদিবি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি মূলত আয়াতুল্লাহ ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রিত একটি দল, যারা মানুষের ওপর অত্যাচার চালায়।
তবে বর্তমান দলের খেলোয়াড়দের শাসকগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে দেখা উচিত কি না, তা নিয়ে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, পূর্বসূরিদের মতো ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে খেলোয়াড়রা নীরব ও অনুগত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার অনেকের মতে, দলত্যাগের ঝুঁকি এড়াতে কেবল পুতুল অনুসারীদেরই দলে রাখা হয়েছে, তাই তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর সুযোগ নেই। এদিকে সোফি স্টেডিয়ামে ইরানের ম্যাচ চলাকালীন বিপ্লব-পূর্ববর্তী ঐতিহ্যবাহী সিংহ ও সূর্য খচিত পতাকা গোপনে গ্যালারিতে ওড়ানোর দৃঢ় প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রবাসী বিক্ষোভকারীরা। এ বিষয়ে ফিফা বা ইরান জাতীয় দল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও, ইরান ফুটবল দল জানিয়েছে যে গ্যালারিতে কোনো নিষিদ্ধ পতাকা বা সমালোচনামূলক স্লোগান দেখা গেলে তারা ম্যাচ খেলা বন্ধ করে দেবে।
সূত্র: রয়টার্স

বিশ্বকাপ থেকে ইরানকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইরান দলকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ইরানি-আমেরিকানরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অভ্যন্তরে ভিন্নমতাবলম্বী ও ক্রীড়াবিদদের ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা আড়াল করতে ইরান সরকার এ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিক্ষোভকারীদের মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বীকে হত্যার কালো ইতিহাস রয়েছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর। এমনকি সাম্প্রতিক জানুয়ারি মাসের ব্যাপক গণবিক্ষোভের সময়ও হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শত শত উদীয়মান ক্রীড়াবিদও ছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি হলের সামনে আয়োজিত সমাবেশে ২১ বছর বয়সী মার্কিন বংশোদ্ভূত রায়ান সালামি বলেন, বিশ্বমঞ্চে দলটিকে এনে গান গাওয়ানোর মাধ্যমে মূলত একটি কৃত্রিম ও শান্ত ভাবমূর্তি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে, অথচ নিজ দেশে নাগরিকদের ওপর কেবল চরম দুর্ভোগ আর মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ রেজিস্ট্যান্স অফ ইরান-এর আহ্বানে আয়োজিত এ সমাবেশে সরকারি হেফাজতে নিহত কয়েক ডজন ইরানি ক্রীড়াবিদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। ১৯৭০ সালের ইরান জাতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় আসগর আদিবি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি মূলত আয়াতুল্লাহ ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রিত একটি দল, যারা মানুষের ওপর অত্যাচার চালায়।
তবে বর্তমান দলের খেলোয়াড়দের শাসকগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে দেখা উচিত কি না, তা নিয়ে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, পূর্বসূরিদের মতো ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে খেলোয়াড়রা নীরব ও অনুগত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার অনেকের মতে, দলত্যাগের ঝুঁকি এড়াতে কেবল পুতুল অনুসারীদেরই দলে রাখা হয়েছে, তাই তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর সুযোগ নেই। এদিকে সোফি স্টেডিয়ামে ইরানের ম্যাচ চলাকালীন বিপ্লব-পূর্ববর্তী ঐতিহ্যবাহী সিংহ ও সূর্য খচিত পতাকা গোপনে গ্যালারিতে ওড়ানোর দৃঢ় প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রবাসী বিক্ষোভকারীরা। এ বিষয়ে ফিফা বা ইরান জাতীয় দল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও, ইরান ফুটবল দল জানিয়েছে যে গ্যালারিতে কোনো নিষিদ্ধ পতাকা বা সমালোচনামূলক স্লোগান দেখা গেলে তারা ম্যাচ খেলা বন্ধ করে দেবে।
সূত্র: রয়টার্স

নেইমারকে ছাড়াই চলছে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি


