ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ব্যানার

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ব্যানার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৭ মিনিটের মধ্যে ২ গোল করে আর্জেন্টিনা। এমন জয়ের পর মাঠেই দর্শকদের সামনে উৎসবে মাতেন খেলোয়াড়রা। উৎসবের সময় তাদের হাতে ছিল একটি ব্যানার। সাদা কাপড়ে কালো লেখা দিয়ে করা এই মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনার পুরনো দাবির কথা মনে করিয়ে দেয়।
উৎসবে জিওভানি লো সেলসো একটি পতাকা নিয়ে হাজির হন। পতাকায় লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’ অর্থাৎ ‘মালভিনাস বা ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’। এই দাবি অনেক পুরনো। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়েই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
ম্যাচের আগে অনেকেই বলেছিলেন, এটা শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ, কোনো যুদ্ধ নয়। তবে খেলোয়াড়দের আচরণে যুদ্ধই মনে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথমার্ধে, দুই দল মিলে করে ১৯টি ফাউল।
আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন।

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৭ মিনিটের মধ্যে ২ গোল করে আর্জেন্টিনা। এমন জয়ের পর মাঠেই দর্শকদের সামনে উৎসবে মাতেন খেলোয়াড়রা। উৎসবের সময় তাদের হাতে ছিল একটি ব্যানার। সাদা কাপড়ে কালো লেখা দিয়ে করা এই মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনার পুরনো দাবির কথা মনে করিয়ে দেয়।
উৎসবে জিওভানি লো সেলসো একটি পতাকা নিয়ে হাজির হন। পতাকায় লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’ অর্থাৎ ‘মালভিনাস বা ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’। এই দাবি অনেক পুরনো। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়েই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
ম্যাচের আগে অনেকেই বলেছিলেন, এটা শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ, কোনো যুদ্ধ নয়। তবে খেলোয়াড়দের আচরণে যুদ্ধই মনে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথমার্ধে, দুই দল মিলে করে ১৯টি ফাউল।
আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ব্যানার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৭ মিনিটের মধ্যে ২ গোল করে আর্জেন্টিনা। এমন জয়ের পর মাঠেই দর্শকদের সামনে উৎসবে মাতেন খেলোয়াড়রা। উৎসবের সময় তাদের হাতে ছিল একটি ব্যানার। সাদা কাপড়ে কালো লেখা দিয়ে করা এই মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনার পুরনো দাবির কথা মনে করিয়ে দেয়।
উৎসবে জিওভানি লো সেলসো একটি পতাকা নিয়ে হাজির হন। পতাকায় লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’ অর্থাৎ ‘মালভিনাস বা ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’। এই দাবি অনেক পুরনো। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়েই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
ম্যাচের আগে অনেকেই বলেছিলেন, এটা শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ, কোনো যুদ্ধ নয়। তবে খেলোয়াড়দের আচরণে যুদ্ধই মনে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথমার্ধে, দুই দল মিলে করে ১৯টি ফাউল।
আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন।

এবার টি-টোয়েন্টিও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের




