
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

একের পর আক্রমণে সমতা ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। তবে ইংল্যান্ডের ডিফেন্স ভালো জবাব দিচ্ছে। ৬৯ মিনিটে দারুণ একটি সেভ করেছেন ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। নিকো গঞ্জালেজের হেড ঠেকিয়েছেন তিনি।
ম্যাচের ৬৪ মিনিটে একাদশে পরিবর্তনআনলো আর্জেন্টিনা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের পরিবর্তে মাঠে নামলেন নিকো গঞ্জালেজ।

৫৫ মিনিটে এগিয়ে গেলো ইংল্যান্ড। মাঠের ডান প্রান্ত দিয়ে বল পেয়ে দারুণ ক্রস করেন মরগান রজার্স। মোলিনা বুঝতেই পারেননি কোন দিক দিয়ে ভেতরে ঢুকছেন গর্ডন। টোকা মেরে বল জালে পাঠান গর্ডন।
ম্যাচের ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেছে আর্জেন্টিনা। এবার জুড বেলিংহামকে ধরে রেখে হলুদ কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার রোমেরো।
বিরতির পর প্রথম সুযোগটা আর্জেন্টিনা তৈরি করে। যদিও সেই আক্রমণ থেকে গোল আসেনি। তবে হুলিয়ান আলভারেজের শট প্রথমে রুখে দেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার। আবার বল পেয়ে শট নিলে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান পিকফোর্ড। তবে সেই কর্নার থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি মেসিরা।

আটলান্টায় আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দল মিলের গোলের জন্য শট নিয়েছে মাত্র ৩টি, একটিও ছিল না লক্ষ্যে। তবে দুই দলের খেলোয়াড়রা মিলে প্রথমার্ধে ফাউল করেছেন মোট ১৯টি। ১২টি করেছে আর্জেন্টিনা এবং ৭টি ইংল্যান্ড। এরই মধ্যে রেফারি দুটি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। ৩৮ মিনিটে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ৪২ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এবারের বিশ্বকাপে যে কোনো অর্ধে শট অন টার্গেট শূন্য অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ফাউল হলো এই ম্যাচে।
প্রথমার্ধে বল দখলে কিছুটা এগিয়ে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠের খেলার কৌশলে মন দিতে হবে দুই দলকে। নয়তো ম্যাচটি গোলশূন্য অবস্থায়ই শেষ হতে পারে নির্ধারিত ৯০ মিনিট।
ম্যাচের ৪২ মিনিটে রজার্সকে আটকাতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। রজার্সের জার্সি টেনে ধরেন তিনি।
ম্যাচের শুরু থেকে ৩৭ মিনিটের মধ্যে বেশ কয়েকবার ফাউলের বাঁশি বাজাতে হয়েছে রেফারিকে। তবে রেফারি প্রথম কার্ড দেখালেন ৩৭ মিনিটে। মেসিকে ফাউল করায় হলুদ কার্ড দেখেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। এই ফাউলকে কেন্দ্র করেও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়। তবে রেফারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক দেওয়া হয়েছে। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দুই দলের কেউই গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেননি। ফলাফল এখনো গোলশূন্য। কৌশলগত খেলার চেয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মধ্যে থাকতেই দেখা গেছে বেশি। হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ম্যাচের প্রথম কর্নারটি পায় আর্জেন্টিনা। তবে কাজে লাগাতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। হাইড্রেশন ব্রেক শেষে মাঠের খেলায় পরিবর্তন আসে কিনা সেটি দেখার।
ম্যাচের ২০ মিনিট শেষ তবে দুই দলের কেউই বলার মতো আক্রমণ করতে পারেনি। অবশ্য আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড আক্রমণে ওঠেনি তা বলা যাবে না। ডিফেন্সের দক্ষতায় এখনো গোল হজম করেনি কোনো দল। এ সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ডুয়েল হয়েছে ১৮টি। দুই দলই ৯টি করে ডুয়েল জিতেছে।

ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই কিছুটা উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে মাঠে। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের দাবি হ্যান্ডবল হয়েছে কিন্তু রেফারি তেমন কিছু মনে করেননি। এরপর মেসির পায়ে বল ছিল। তাকে ঘিরে ধরেন কয়েকজন ইংলিশ খেলোয়াড়। এ সময় আর্জেন্টিনার এখ খেলোয়াড় ইংল্যান্ডের একজনকে ধাক্কা দিলে শুরু হয় উত্তেজনা।
আর্জেন্টিনা: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলকিপার), নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, জুলিয়ানো সিমিওনে, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।
ইংল্যান্ড: জর্ডান পিকফোর্ড (গোলকিপার), রিস জেমস, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, জেড স্পেনস, ডেকলান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, মরগান রজার্স, জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইন।