‘দেশে চরমপন্থা-উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার’

‘দেশে চরমপন্থা-উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সরকার কোনোভাবেই কোনো চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারি ও বিরোধী দল কোনো কোনো বিষয়ে দ্বিমত করলেও অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি। উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় না দেওয়ার প্রশ্নে বিরোধী দলের সম্পূর্ণ সহযোগিতা পাবো বলে আশা প্রকাশ করি।’
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) সমাপনী ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘সংসদের রীতি অনুযায়ী বিরোধী দলের সঙ্গে আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকবে। তবে অবশ্যই শত্রুতা নয়। প্রতিহিংসা-প্রতিশোধের পরিবর্তে থাকবে ন্যায়পরায়ণতা। বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে একমত হয়ে বলবো- এই বাংলাদেশ আর যাতে কখনো কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। আর যাতে এই প্রিয় মাতৃভূমি তাঁবেদার তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হতে না পারে- এই প্রশ্নে বিরোধী দল এবং সরকারি দলের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঐক্য। যেকোনো মূল্যে এই জাতীয় ঐক্য অটুট এবং বজায় থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, তার প্রতিটি অংশ বাস্তবায়ন করা হবে। ফ্যাসিবাদের আমলে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা বিশেষ দেশকে খুশি করতে তারা শিক্ষাখাতকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্বাসী। তাই শিক্ষা খাতে সরকার সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছে।’
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দেওয়ার জন্য চিকিৎসা খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়।’
বাজেট অধিবেশনের সমাপনীকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বাজেট নিয়ে যারা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন তারাও বলেছেন এই বাজেটটি জনবান্ধব। এই বাজেটের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে আমি সরকারি প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

বর্তমান সরকার কোনোভাবেই কোনো চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারি ও বিরোধী দল কোনো কোনো বিষয়ে দ্বিমত করলেও অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি। উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় না দেওয়ার প্রশ্নে বিরোধী দলের সম্পূর্ণ সহযোগিতা পাবো বলে আশা প্রকাশ করি।’
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) সমাপনী ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘সংসদের রীতি অনুযায়ী বিরোধী দলের সঙ্গে আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকবে। তবে অবশ্যই শত্রুতা নয়। প্রতিহিংসা-প্রতিশোধের পরিবর্তে থাকবে ন্যায়পরায়ণতা। বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে একমত হয়ে বলবো- এই বাংলাদেশ আর যাতে কখনো কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। আর যাতে এই প্রিয় মাতৃভূমি তাঁবেদার তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হতে না পারে- এই প্রশ্নে বিরোধী দল এবং সরকারি দলের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঐক্য। যেকোনো মূল্যে এই জাতীয় ঐক্য অটুট এবং বজায় থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, তার প্রতিটি অংশ বাস্তবায়ন করা হবে। ফ্যাসিবাদের আমলে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা বিশেষ দেশকে খুশি করতে তারা শিক্ষাখাতকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্বাসী। তাই শিক্ষা খাতে সরকার সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছে।’
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দেওয়ার জন্য চিকিৎসা খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়।’
বাজেট অধিবেশনের সমাপনীকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বাজেট নিয়ে যারা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন তারাও বলেছেন এই বাজেটটি জনবান্ধব। এই বাজেটের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে আমি সরকারি প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

‘দেশে চরমপন্থা-উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সরকার কোনোভাবেই কোনো চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারি ও বিরোধী দল কোনো কোনো বিষয়ে দ্বিমত করলেও অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি। উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় না দেওয়ার প্রশ্নে বিরোধী দলের সম্পূর্ণ সহযোগিতা পাবো বলে আশা প্রকাশ করি।’
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) সমাপনী ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘সংসদের রীতি অনুযায়ী বিরোধী দলের সঙ্গে আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকবে। তবে অবশ্যই শত্রুতা নয়। প্রতিহিংসা-প্রতিশোধের পরিবর্তে থাকবে ন্যায়পরায়ণতা। বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে একমত হয়ে বলবো- এই বাংলাদেশ আর যাতে কখনো কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। আর যাতে এই প্রিয় মাতৃভূমি তাঁবেদার তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হতে না পারে- এই প্রশ্নে বিরোধী দল এবং সরকারি দলের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঐক্য। যেকোনো মূল্যে এই জাতীয় ঐক্য অটুট এবং বজায় থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, তার প্রতিটি অংশ বাস্তবায়ন করা হবে। ফ্যাসিবাদের আমলে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা বিশেষ দেশকে খুশি করতে তারা শিক্ষাখাতকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্বাসী। তাই শিক্ষা খাতে সরকার সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছে।’
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দেওয়ার জন্য চিকিৎসা খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়।’
বাজেট অধিবেশনের সমাপনীকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বাজেট নিয়ে যারা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন তারাও বলেছেন এই বাজেটটি জনবান্ধব। এই বাজেটের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে আমি সরকারি প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

চট্টগ্রাম বন্দরের দুর্নীতি নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী




