বিশ্বকাপে ইরানি সমর্থকদের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল

বিশ্বকাপে ইরানি সমর্থকদের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের তিনটি ম্যাচের জন্য দলটির সমর্থকদের টিকিট বরাদ্দ বাতিল করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ইরানের ফুটবল ফেডারেশন মঙ্গলবার (৯ জুন) আধা-সরকারি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৫ জুন ইনগেলউডে লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে এ ঘোষণা এলো। এর ফলে সমর্থকদের কোনো টিকিট সরবরাহ করতে পারছে না বলে দাবি করেছে দেশটির ফেডারেশন। ঘটনাটি ইরান, ফিফা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান ভূরাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে।
বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশ তাদের প্রত্যেক ম্যাচের মোট টিকেটের ৮ শতাংশ বরাদ্দ পায়। এ টিকিটগুলো ফেডারেশনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়। তবে আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত এক সিদ্ধান্তে ইরানের বরাদ্দ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রির কার্যক্রমের ওপর ফিফার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকা সত্ত্বেও ইরানের ফুটবল সংস্থা অভিযোগ করেছে, স্টেডিয়ামগুলোতে ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এখন সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে। একে ক্রীড়াবহির্ভূত ও রাজনৈতিক বিবেচনার নগ্ন প্রভাব হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরানের ফেডারেশন। অবশ্য ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানি সমর্থকদের ম্যাচ দেখার সুযোগ সর্বোচ্চ করার লক্ষ্যে একটি সঙ্গতিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে তারা ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার পর থেকেই উভয় দেশের সম্পর্কে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুদ্ধের কারণে ইরানের ঘরোয়া ফুটবল লীগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দলটির ২৬ সদস্যের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। এমনকি পূর্বপরিকল্পিতভাবে অ্যারিজোনার টুকসনে প্রশিক্ষণের পরিবর্তে ইরান ফুটবল দল এখন মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহর টিহুয়ানায় অবস্থান করছে। এছাড়া ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৬ জুন মিশরের বিরুদ্ধে সিয়াটলে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলোর জন্য ইরানের বেশ কয়েকজন ফেডারেশন কর্মকর্তাকেও মার্কিন ভিসা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানান, ইরানি দলটি ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। কিছু ইরানি কর্মকর্তার ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আইআরজিসির সাথে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, অনেকে নিজেদের কোচ দাবি করলেও তারা প্রকৃত কোচ নন।
২০১৭ সালে টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক হিসেবে উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর নাম ঘোষণার সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছিলেন, বিশ্বকাপে যোগ্যতাপ্রাপ্ত যেকোনো দলের সমর্থক ও কর্মকর্তাদের সেই দেশে অবাধ প্রবেশের সুযোগ থাকতে হবে, অন্যথায় কোনো বিশ্বকাপ হতে পারে না। তবে বাস্তব চিত্র এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন।

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের তিনটি ম্যাচের জন্য দলটির সমর্থকদের টিকিট বরাদ্দ বাতিল করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ইরানের ফুটবল ফেডারেশন মঙ্গলবার (৯ জুন) আধা-সরকারি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৫ জুন ইনগেলউডে লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে এ ঘোষণা এলো। এর ফলে সমর্থকদের কোনো টিকিট সরবরাহ করতে পারছে না বলে দাবি করেছে দেশটির ফেডারেশন। ঘটনাটি ইরান, ফিফা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান ভূরাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে।
বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশ তাদের প্রত্যেক ম্যাচের মোট টিকেটের ৮ শতাংশ বরাদ্দ পায়। এ টিকিটগুলো ফেডারেশনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়। তবে আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত এক সিদ্ধান্তে ইরানের বরাদ্দ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রির কার্যক্রমের ওপর ফিফার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকা সত্ত্বেও ইরানের ফুটবল সংস্থা অভিযোগ করেছে, স্টেডিয়ামগুলোতে ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এখন সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে। একে ক্রীড়াবহির্ভূত ও রাজনৈতিক বিবেচনার নগ্ন প্রভাব হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরানের ফেডারেশন। অবশ্য ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানি সমর্থকদের ম্যাচ দেখার সুযোগ সর্বোচ্চ করার লক্ষ্যে একটি সঙ্গতিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে তারা ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার পর থেকেই উভয় দেশের সম্পর্কে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুদ্ধের কারণে ইরানের ঘরোয়া ফুটবল লীগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দলটির ২৬ সদস্যের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। এমনকি পূর্বপরিকল্পিতভাবে অ্যারিজোনার টুকসনে প্রশিক্ষণের পরিবর্তে ইরান ফুটবল দল এখন মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহর টিহুয়ানায় অবস্থান করছে। এছাড়া ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৬ জুন মিশরের বিরুদ্ধে সিয়াটলে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলোর জন্য ইরানের বেশ কয়েকজন ফেডারেশন কর্মকর্তাকেও মার্কিন ভিসা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানান, ইরানি দলটি ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। কিছু ইরানি কর্মকর্তার ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আইআরজিসির সাথে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, অনেকে নিজেদের কোচ দাবি করলেও তারা প্রকৃত কোচ নন।
২০১৭ সালে টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক হিসেবে উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর নাম ঘোষণার সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছিলেন, বিশ্বকাপে যোগ্যতাপ্রাপ্ত যেকোনো দলের সমর্থক ও কর্মকর্তাদের সেই দেশে অবাধ প্রবেশের সুযোগ থাকতে হবে, অন্যথায় কোনো বিশ্বকাপ হতে পারে না। তবে বাস্তব চিত্র এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন।

বিশ্বকাপে ইরানি সমর্থকদের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের তিনটি ম্যাচের জন্য দলটির সমর্থকদের টিকিট বরাদ্দ বাতিল করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ইরানের ফুটবল ফেডারেশন মঙ্গলবার (৯ জুন) আধা-সরকারি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৫ জুন ইনগেলউডে লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে এ ঘোষণা এলো। এর ফলে সমর্থকদের কোনো টিকিট সরবরাহ করতে পারছে না বলে দাবি করেছে দেশটির ফেডারেশন। ঘটনাটি ইরান, ফিফা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান ভূরাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে।
বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশ তাদের প্রত্যেক ম্যাচের মোট টিকেটের ৮ শতাংশ বরাদ্দ পায়। এ টিকিটগুলো ফেডারেশনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়। তবে আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত এক সিদ্ধান্তে ইরানের বরাদ্দ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রির কার্যক্রমের ওপর ফিফার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকা সত্ত্বেও ইরানের ফুটবল সংস্থা অভিযোগ করেছে, স্টেডিয়ামগুলোতে ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এখন সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে। একে ক্রীড়াবহির্ভূত ও রাজনৈতিক বিবেচনার নগ্ন প্রভাব হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরানের ফেডারেশন। অবশ্য ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানি সমর্থকদের ম্যাচ দেখার সুযোগ সর্বোচ্চ করার লক্ষ্যে একটি সঙ্গতিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে তারা ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার পর থেকেই উভয় দেশের সম্পর্কে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুদ্ধের কারণে ইরানের ঘরোয়া ফুটবল লীগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দলটির ২৬ সদস্যের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। এমনকি পূর্বপরিকল্পিতভাবে অ্যারিজোনার টুকসনে প্রশিক্ষণের পরিবর্তে ইরান ফুটবল দল এখন মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহর টিহুয়ানায় অবস্থান করছে। এছাড়া ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৬ জুন মিশরের বিরুদ্ধে সিয়াটলে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলোর জন্য ইরানের বেশ কয়েকজন ফেডারেশন কর্মকর্তাকেও মার্কিন ভিসা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানান, ইরানি দলটি ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। কিছু ইরানি কর্মকর্তার ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আইআরজিসির সাথে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, অনেকে নিজেদের কোচ দাবি করলেও তারা প্রকৃত কোচ নন।
২০১৭ সালে টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক হিসেবে উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর নাম ঘোষণার সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছিলেন, বিশ্বকাপে যোগ্যতাপ্রাপ্ত যেকোনো দলের সমর্থক ও কর্মকর্তাদের সেই দেশে অবাধ প্রবেশের সুযোগ থাকতে হবে, অন্যথায় কোনো বিশ্বকাপ হতে পারে না। তবে বাস্তব চিত্র এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ইরান দল যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে ম্যাচের আগের দিন

