হাজারতম ম্যাচের মাইলফলকের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপ

হাজারতম ম্যাচের মাইলফলকের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ ৯৬ বছরের পথচলায় বৈশ্বিক অনেক পরিবর্তনের মাঝেও ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনা রয়ে গেছে চিরযৌবনা। ১৯৩০ সালে শুরু হওয়া ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে বড় এ আয়োজন এবার এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরিতে বাংলাদেশ সময় রবিবার (২১ জুন) সকাল ১০টায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তিউনিসিয়া ও জাপান। ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। কারণ এটি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর ঐতিহাসিক এ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় চিরতরে খোদাই হয়ে যাবে তিউনিসিয়া ও জাপানের নাম।
মাইলফলক ছোঁয়ার বিশেষ ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন রোমানিয়ান রেফারি ইস্তভান কোভাকস। তাকে সাহায্য করবেন সহকারী রেফারি ফেরেনজ তুনিয়োগি এবং মিহাই মারিকা। এছাড়া চতুর্থ অফিসিয়াল এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে ম্যাচটিতে থাকছেন কোস্টারিকার জুয়ান ক্যালডেরন ও জুয়ান কার্লোস মোরা।
ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রেফারিং টিমের সকল সদস্য একটি বিশেষ ‘অ্যাডিডাস’ কিট পরিধান করবেন, যার স্লিভে বা হাতায় থাকবে সোনালী স্ট্রাইপ এবং একটি ‘ম্যাচ ১০০০’ লেখা সংবলিত বিশেষ প্যাচ। ফিফার প্রধান রেফারিং অফিসার পিয়েরলুইগি কলিনা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতেই কোভাকসকে এ ঐতিহাসিক ম্যাচ পরিচালনার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, যা এ মাইলফলকটিকে আরও বেশি অর্থবহ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালে মাত্র ১৩টি দল ও ১৮টি ম্যাচ নিয়ে যে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সময়ের বিবর্তনে তা আজ বিশাল রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপ পরিণত হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল আসরে। সুদীর্ঘ এইপথচলায় এক হাজার ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করার অপেক্ষায় এখন পুরো ফুটবল বিশ্ব।

দীর্ঘ ৯৬ বছরের পথচলায় বৈশ্বিক অনেক পরিবর্তনের মাঝেও ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনা রয়ে গেছে চিরযৌবনা। ১৯৩০ সালে শুরু হওয়া ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে বড় এ আয়োজন এবার এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরিতে বাংলাদেশ সময় রবিবার (২১ জুন) সকাল ১০টায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তিউনিসিয়া ও জাপান। ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। কারণ এটি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর ঐতিহাসিক এ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় চিরতরে খোদাই হয়ে যাবে তিউনিসিয়া ও জাপানের নাম।
মাইলফলক ছোঁয়ার বিশেষ ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন রোমানিয়ান রেফারি ইস্তভান কোভাকস। তাকে সাহায্য করবেন সহকারী রেফারি ফেরেনজ তুনিয়োগি এবং মিহাই মারিকা। এছাড়া চতুর্থ অফিসিয়াল এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে ম্যাচটিতে থাকছেন কোস্টারিকার জুয়ান ক্যালডেরন ও জুয়ান কার্লোস মোরা।
ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রেফারিং টিমের সকল সদস্য একটি বিশেষ ‘অ্যাডিডাস’ কিট পরিধান করবেন, যার স্লিভে বা হাতায় থাকবে সোনালী স্ট্রাইপ এবং একটি ‘ম্যাচ ১০০০’ লেখা সংবলিত বিশেষ প্যাচ। ফিফার প্রধান রেফারিং অফিসার পিয়েরলুইগি কলিনা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতেই কোভাকসকে এ ঐতিহাসিক ম্যাচ পরিচালনার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, যা এ মাইলফলকটিকে আরও বেশি অর্থবহ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালে মাত্র ১৩টি দল ও ১৮টি ম্যাচ নিয়ে যে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সময়ের বিবর্তনে তা আজ বিশাল রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপ পরিণত হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল আসরে। সুদীর্ঘ এইপথচলায় এক হাজার ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করার অপেক্ষায় এখন পুরো ফুটবল বিশ্ব।

হাজারতম ম্যাচের মাইলফলকের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ ৯৬ বছরের পথচলায় বৈশ্বিক অনেক পরিবর্তনের মাঝেও ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনা রয়ে গেছে চিরযৌবনা। ১৯৩০ সালে শুরু হওয়া ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে বড় এ আয়োজন এবার এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরিতে বাংলাদেশ সময় রবিবার (২১ জুন) সকাল ১০টায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তিউনিসিয়া ও জাপান। ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। কারণ এটি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর ঐতিহাসিক এ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় চিরতরে খোদাই হয়ে যাবে তিউনিসিয়া ও জাপানের নাম।
মাইলফলক ছোঁয়ার বিশেষ ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন রোমানিয়ান রেফারি ইস্তভান কোভাকস। তাকে সাহায্য করবেন সহকারী রেফারি ফেরেনজ তুনিয়োগি এবং মিহাই মারিকা। এছাড়া চতুর্থ অফিসিয়াল এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে ম্যাচটিতে থাকছেন কোস্টারিকার জুয়ান ক্যালডেরন ও জুয়ান কার্লোস মোরা।
ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রেফারিং টিমের সকল সদস্য একটি বিশেষ ‘অ্যাডিডাস’ কিট পরিধান করবেন, যার স্লিভে বা হাতায় থাকবে সোনালী স্ট্রাইপ এবং একটি ‘ম্যাচ ১০০০’ লেখা সংবলিত বিশেষ প্যাচ। ফিফার প্রধান রেফারিং অফিসার পিয়েরলুইগি কলিনা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতেই কোভাকসকে এ ঐতিহাসিক ম্যাচ পরিচালনার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, যা এ মাইলফলকটিকে আরও বেশি অর্থবহ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালে মাত্র ১৩টি দল ও ১৮টি ম্যাচ নিয়ে যে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সময়ের বিবর্তনে তা আজ বিশাল রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপ পরিণত হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল আসরে। সুদীর্ঘ এইপথচলায় এক হাজার ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করার অপেক্ষায় এখন পুরো ফুটবল বিশ্ব।

অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা আর্জেন্টিনা শিবিরে

