সঞ্চয়পত্র বা জমি-ফ্ল্যাট, রিটার্ন ছাড়া হবে না কিছুই

সঞ্চয়পত্র বা জমি-ফ্ল্যাট, রিটার্ন ছাড়া হবে না কিছুই
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী অর্থবছরের বাজেটে আয়কর রিটার্নসংক্রান্ত বেশ কিছু নতুন বিধান আনা হয়েছে। এর ফলে কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের সুবিধা বাড়বে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন বাধ্যবাধকতাও তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে শহর এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাটের নামজারি (মিউটেশন) ও বণ্টন করা যাবে না। একই সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা অগ্রিম কর ফেরত পেতেও রিটার্ন জমা দিতে হবে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১১ জুন আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটের অর্থবিলে এসব পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
রিটার্ন ছাড়া জমি-ফ্ল্যাটের নামজারি নয়
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের নামজারি বা বণ্টনের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
বর্তমানে জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি, লিজ, হস্তান্তর কিংবা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে নামজারি ও বণ্টনের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের মতে, শহর এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাট কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য যাদের আছে, তাদের করযোগ্য আয় থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তাই এ ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক।
সঞ্চয়পত্রের কর ফেরত পেতে রিটার্ন বাধ্যতামূলক
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর আর চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হবে না। বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করদাতারা প্রকৃত করের হিসাব মিলিয়ে অতিরিক্ত কাটা কর ফেরত চাইতে পারবেন।
ধরা যাক, একজন করদাতার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে বছরে ৩০ হাজার টাকা কর কেটে রাখা হয়েছে। কিন্তু রিটার্ন দেওয়ার পর দেখা গেল তার প্রকৃত কর দায় ২০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।
তবে এই টাকা ফেরত পেতে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। কিন্তু বর্তমান নিয়ম অনুসারে, ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) লাগে। তাই ছোট ছোট সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী কিন্তু তাদের করযোগ্য আয় নেই– এমন ব্যক্তিদের এখন টিআইএন নিয়ে বছর শেষে রিটার্ন দিয়ে সঞ্চয়পত্রের কেটে রাখা অগ্রিম করের টাকা ফেরত নিতে হবে।
রিটার্ন জমার সময় ব্যাংক হিসাব নম্বর দিয়ে কর ফেরতের আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে কর বিভাগ ১২০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেবে।
ছোট বিনিয়োগকারীদের ওপরও প্রভাব পড়বে
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকার কম সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। তাদের অনেকেই করযোগ্য আয়ের বাইরে থাকায় টিআইএন ছাড়াই বিনিয়োগ করেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে অগ্রিম কাটা কর ফেরত পেতে তাদেরও টিআইএন নিতে এবং রিটার্ন জমা দিতে হবে।
তবে যারা আগে থেকেই রিটার্ন জমা দেন, তারা সুবিধা পাবেন। কারণ এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কাটা কর ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এখন অতিরিক্ত কর কাটা হলে তা ফেরত নেওয়া যাবে।
বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর অগ্রিম করের হার ১০ শতাংশ। তবে ২০১৯ সাল থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য কিছু সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কর কাটা হচ্ছে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে আয়কর রিটার্নসংক্রান্ত বেশ কিছু নতুন বিধান আনা হয়েছে। এর ফলে কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের সুবিধা বাড়বে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন বাধ্যবাধকতাও তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে শহর এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাটের নামজারি (মিউটেশন) ও বণ্টন করা যাবে না। একই সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা অগ্রিম কর ফেরত পেতেও রিটার্ন জমা দিতে হবে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১১ জুন আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটের অর্থবিলে এসব পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
রিটার্ন ছাড়া জমি-ফ্ল্যাটের নামজারি নয়
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের নামজারি বা বণ্টনের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
বর্তমানে জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি, লিজ, হস্তান্তর কিংবা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে নামজারি ও বণ্টনের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের মতে, শহর এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাট কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য যাদের আছে, তাদের করযোগ্য আয় থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তাই এ ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক।
সঞ্চয়পত্রের কর ফেরত পেতে রিটার্ন বাধ্যতামূলক
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর আর চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হবে না। বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করদাতারা প্রকৃত করের হিসাব মিলিয়ে অতিরিক্ত কাটা কর ফেরত চাইতে পারবেন।
ধরা যাক, একজন করদাতার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে বছরে ৩০ হাজার টাকা কর কেটে রাখা হয়েছে। কিন্তু রিটার্ন দেওয়ার পর দেখা গেল তার প্রকৃত কর দায় ২০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।
তবে এই টাকা ফেরত পেতে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। কিন্তু বর্তমান নিয়ম অনুসারে, ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) লাগে। তাই ছোট ছোট সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী কিন্তু তাদের করযোগ্য আয় নেই– এমন ব্যক্তিদের এখন টিআইএন নিয়ে বছর শেষে রিটার্ন দিয়ে সঞ্চয়পত্রের কেটে রাখা অগ্রিম করের টাকা ফেরত নিতে হবে।
রিটার্ন জমার সময় ব্যাংক হিসাব নম্বর দিয়ে কর ফেরতের আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে কর বিভাগ ১২০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেবে।
ছোট বিনিয়োগকারীদের ওপরও প্রভাব পড়বে
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকার কম সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। তাদের অনেকেই করযোগ্য আয়ের বাইরে থাকায় টিআইএন ছাড়াই বিনিয়োগ করেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে অগ্রিম কাটা কর ফেরত পেতে তাদেরও টিআইএন নিতে এবং রিটার্ন জমা দিতে হবে।
তবে যারা আগে থেকেই রিটার্ন জমা দেন, তারা সুবিধা পাবেন। কারণ এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কাটা কর ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এখন অতিরিক্ত কর কাটা হলে তা ফেরত নেওয়া যাবে।
বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর অগ্রিম করের হার ১০ শতাংশ। তবে ২০১৯ সাল থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য কিছু সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কর কাটা হচ্ছে।

সঞ্চয়পত্র বা জমি-ফ্ল্যাট, রিটার্ন ছাড়া হবে না কিছুই
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী অর্থবছরের বাজেটে আয়কর রিটার্নসংক্রান্ত বেশ কিছু নতুন বিধান আনা হয়েছে। এর ফলে কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের সুবিধা বাড়বে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন বাধ্যবাধকতাও তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে শহর এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাটের নামজারি (মিউটেশন) ও বণ্টন করা যাবে না। একই সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা অগ্রিম কর ফেরত পেতেও রিটার্ন জমা দিতে হবে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১১ জুন আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটের অর্থবিলে এসব পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
রিটার্ন ছাড়া জমি-ফ্ল্যাটের নামজারি নয়
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের নামজারি বা বণ্টনের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
বর্তমানে জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি, লিজ, হস্তান্তর কিংবা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে নামজারি ও বণ্টনের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের মতে, শহর এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাট কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য যাদের আছে, তাদের করযোগ্য আয় থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তাই এ ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক।
সঞ্চয়পত্রের কর ফেরত পেতে রিটার্ন বাধ্যতামূলক
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর আর চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হবে না। বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করদাতারা প্রকৃত করের হিসাব মিলিয়ে অতিরিক্ত কাটা কর ফেরত চাইতে পারবেন।
ধরা যাক, একজন করদাতার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে বছরে ৩০ হাজার টাকা কর কেটে রাখা হয়েছে। কিন্তু রিটার্ন দেওয়ার পর দেখা গেল তার প্রকৃত কর দায় ২০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।
তবে এই টাকা ফেরত পেতে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। কিন্তু বর্তমান নিয়ম অনুসারে, ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) লাগে। তাই ছোট ছোট সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী কিন্তু তাদের করযোগ্য আয় নেই– এমন ব্যক্তিদের এখন টিআইএন নিয়ে বছর শেষে রিটার্ন দিয়ে সঞ্চয়পত্রের কেটে রাখা অগ্রিম করের টাকা ফেরত নিতে হবে।
রিটার্ন জমার সময় ব্যাংক হিসাব নম্বর দিয়ে কর ফেরতের আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে কর বিভাগ ১২০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেবে।
ছোট বিনিয়োগকারীদের ওপরও প্রভাব পড়বে
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকার কম সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। তাদের অনেকেই করযোগ্য আয়ের বাইরে থাকায় টিআইএন ছাড়াই বিনিয়োগ করেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে অগ্রিম কাটা কর ফেরত পেতে তাদেরও টিআইএন নিতে এবং রিটার্ন জমা দিতে হবে।
তবে যারা আগে থেকেই রিটার্ন জমা দেন, তারা সুবিধা পাবেন। কারণ এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কাটা কর ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এখন অতিরিক্ত কর কাটা হলে তা ফেরত নেওয়া যাবে।
বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর অগ্রিম করের হার ১০ শতাংশ। তবে ২০১৯ সাল থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য কিছু সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কর কাটা হচ্ছে।

সঞ্চয়পত্রে করের বোঝা দ্বিগুণ, কমবে মুনাফা


