শিরোনাম

বিশ্বকাপের রেকর্ড বইয়ে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড ম্যাচ

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
বিশ্বকাপের রেকর্ড বইয়ে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড ম্যাচ
ফ্রান্সের বিপক্ষে গোল করার সময় জুড বেলিংহাম। ছবি: রয়টার্স

মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলবন্যা দেখল ফুটবলবিশ্ব। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে ইংল্যান্ড। রোমাঞ্চকর এ জয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তৃতীয় স্থান অর্জন করার গৌরব অর্জন করল ইংলিশরা। এর আগে ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে চতুর্থ হয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।

১০ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের যৌথভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ হিসেবে নাম লিখিয়েছে। ১৯৮২ সালের পর এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে ১০টি গোল হলো। এর আগে সর্বশেষ ১৯৮২ সালে হাঙ্গেরি ১০-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল এল সালভাদরকে। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১২ গোলের রেকর্ডটি এখনো ১৯৫৪ সালের অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের দখলে রয়েছে। এছাড়া বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের ইতিহাসেও এটিই এখন সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড, যা ১৯৫৮ সালের ফ্রান্স বনাম পশ্চিম জার্মানির ৯ গোলের আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল। পাশাপাশি বিশ্বকাপে এক ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চ ৬ গোল দেওয়ার রেকর্ডেও ভাগ বসাল ইংলিশরা।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই ডেকলাইন রাইস, এজরি কনসা ও বুকায়ো সাকার দারুণ নৈপুণ্যে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় ইংল্যান্ড। তবে বিরতির পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ফরাসিরা। টানা তিন গোল করে ব্যবধান ৪-৩-এ নামিয়ে এনে ম্যাচে টানটান উত্তেজনা ফিরিয়ে আনে তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। ইংল্যান্ড আরও দুই গোল দিয়ে ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে।

অন্যদিকে, ম্যাচটি ফরাসিদের জন্য বেশ কিছু নেতিবাচক রেকর্ড বয়ে এনেছে। বিশ্বকাপ বা ইউরোর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রথমার্ধেই ৪টি গোল হজম করতে হলো তাদের। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে প্রায় ৭০ বছর পর প্রথমার্ধে এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়ল ফ্রান্স। পাশাপাশি, বিশ্বকাপ ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো ম্যাচে ৬টি গোল খেল তারা। ফরাসিদের জন্য এ পরাজয়টি আরও বেদনার ছিল কারণ এটি ছিল তাদের দীর্ঘ ১৪ বছরের সফল কোচ দিদিয়ের দেশমের বিদায়ী ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধে দল লড়াইয়ে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে গোল হজমের তিক্ত রেকর্ড নিয়েই বিদায় নিতে হলো দেশমকে।

/এমএকে/