আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে একের পর এক প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি হওয়া ইংল্যান্ড অবশেষে বড় স্বস্তির দেখা পাচ্ছে। মেক্সিকোর উচ্চভূমির প্রভাব ও তীব্র গরমের ধকল পেরিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে নামার আগে কেটে গেছে ইংলিশ শিবিরের আবহাওয়া সংক্রান্ত সব দুশ্চিন্তা।
এর আগে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১২০ মিনিটের ক্লান্তিকর লড়াই লড়তে হয়েছিল ইংলিশ ফুটবলারদের। দীর্ঘ একটি ঘরোয়া মৌসুম শেষ করে এসে এমন বিরূপ পরিস্থিতিতে টানা খেলায় স্বাভাবিকভাবেই দলের খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি ভর করেছিল। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের মহারণটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এমন এক ভেন্যুতে, যেখানে বাইরের বৈরী আবহাওয়ার কোনো প্রভাবই থাকবে না।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের অন্যতম অত্যাধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভেন্যু। প্রায় ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এ দৃষ্টিনন্দন মাঠে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় ছাদ ও শক্তিশালী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাইরের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর ছাদ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ভেতরের তাপমাত্রা খেলোয়াড়দের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে নিয়ে আসা হয়। ফলে ফুটবলারদের চরম গরম বা অতিরিক্ত আর্দ্রতার মুখোমুখি হতে হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফুটবলার জনাথন স্পেক্টর এ ভেন্যুকে ইংল্যান্ডের জন্য আদর্শ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এবার ইংলিশদের গরম বা আর্দ্রতা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবতে হবে না। তারা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং আন্তর্জাতিক মানের একটি চমৎকার মাঠে খেলার সুযোগ পাবে। তবে সূচির কারণে আর্জেন্টিনা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। মায়ামিতে ক্যাম্প করা ইংল্যান্ডকে ম্যাচের জন্য আটলান্টায় ভ্রমণ করতে হলেও, আর্জেন্টিনা আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছে। অবশ্য স্পেক্টরের বিশ্বাস, পুরো টুর্নামেন্টে এই ভ্রমণ সূচির মধ্যেও দারুণ পারফর্ম করা ইংল্যান্ডের জন্য এটি বড় কোনো বাধা হবে না।
স্টেডিয়ামের ভেতরের পরিবেশ নিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে সাবেক এ ফুটবলার জানান, ছাদ বন্ধ থাকা অবস্থায় সেখানে কোনো অস্বস্তিকর গরম বা আর্দ্রতা তৈরি হয় না। তিনি নিজে সেখানে একাধিক ম্যাচ পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, অত্যন্ত কার্যকর এসি ব্যবস্থার কারণে খেলোয়াড়রা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই রকম আরামদায়ক পরিবেশে খেলতে পারেন। মেক্সিকো বা মায়ামির তীব্র প্রতিকূলতার তুলনায় আটলান্টার এই মাঠের অভিজ্ঞতা হবে সম্পূর্ণ আলাদা। ফলে মাঠের বাইরের কোনো প্রভাব ছাড়াই কেবল ফুটবলীয় দক্ষতার লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে মাঠে নামবে এই দুই পরাশক্তি।

চলতি বিশ্বকাপে একের পর এক প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি হওয়া ইংল্যান্ড অবশেষে বড় স্বস্তির দেখা পাচ্ছে। মেক্সিকোর উচ্চভূমির প্রভাব ও তীব্র গরমের ধকল পেরিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে নামার আগে কেটে গেছে ইংলিশ শিবিরের আবহাওয়া সংক্রান্ত সব দুশ্চিন্তা।
এর আগে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১২০ মিনিটের ক্লান্তিকর লড়াই লড়তে হয়েছিল ইংলিশ ফুটবলারদের। দীর্ঘ একটি ঘরোয়া মৌসুম শেষ করে এসে এমন বিরূপ পরিস্থিতিতে টানা খেলায় স্বাভাবিকভাবেই দলের খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি ভর করেছিল। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের মহারণটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এমন এক ভেন্যুতে, যেখানে বাইরের বৈরী আবহাওয়ার কোনো প্রভাবই থাকবে না।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের অন্যতম অত্যাধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভেন্যু। প্রায় ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এ দৃষ্টিনন্দন মাঠে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় ছাদ ও শক্তিশালী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাইরের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর ছাদ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ভেতরের তাপমাত্রা খেলোয়াড়দের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে নিয়ে আসা হয়। ফলে ফুটবলারদের চরম গরম বা অতিরিক্ত আর্দ্রতার মুখোমুখি হতে হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফুটবলার জনাথন স্পেক্টর এ ভেন্যুকে ইংল্যান্ডের জন্য আদর্শ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এবার ইংলিশদের গরম বা আর্দ্রতা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবতে হবে না। তারা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং আন্তর্জাতিক মানের একটি চমৎকার মাঠে খেলার সুযোগ পাবে। তবে সূচির কারণে আর্জেন্টিনা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। মায়ামিতে ক্যাম্প করা ইংল্যান্ডকে ম্যাচের জন্য আটলান্টায় ভ্রমণ করতে হলেও, আর্জেন্টিনা আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছে। অবশ্য স্পেক্টরের বিশ্বাস, পুরো টুর্নামেন্টে এই ভ্রমণ সূচির মধ্যেও দারুণ পারফর্ম করা ইংল্যান্ডের জন্য এটি বড় কোনো বাধা হবে না।
স্টেডিয়ামের ভেতরের পরিবেশ নিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে সাবেক এ ফুটবলার জানান, ছাদ বন্ধ থাকা অবস্থায় সেখানে কোনো অস্বস্তিকর গরম বা আর্দ্রতা তৈরি হয় না। তিনি নিজে সেখানে একাধিক ম্যাচ পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, অত্যন্ত কার্যকর এসি ব্যবস্থার কারণে খেলোয়াড়রা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই রকম আরামদায়ক পরিবেশে খেলতে পারেন। মেক্সিকো বা মায়ামির তীব্র প্রতিকূলতার তুলনায় আটলান্টার এই মাঠের অভিজ্ঞতা হবে সম্পূর্ণ আলাদা। ফলে মাঠের বাইরের কোনো প্রভাব ছাড়াই কেবল ফুটবলীয় দক্ষতার লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে মাঠে নামবে এই দুই পরাশক্তি।

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে একের পর এক প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি হওয়া ইংল্যান্ড অবশেষে বড় স্বস্তির দেখা পাচ্ছে। মেক্সিকোর উচ্চভূমির প্রভাব ও তীব্র গরমের ধকল পেরিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে নামার আগে কেটে গেছে ইংলিশ শিবিরের আবহাওয়া সংক্রান্ত সব দুশ্চিন্তা।
এর আগে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১২০ মিনিটের ক্লান্তিকর লড়াই লড়তে হয়েছিল ইংলিশ ফুটবলারদের। দীর্ঘ একটি ঘরোয়া মৌসুম শেষ করে এসে এমন বিরূপ পরিস্থিতিতে টানা খেলায় স্বাভাবিকভাবেই দলের খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি ভর করেছিল। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের মহারণটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এমন এক ভেন্যুতে, যেখানে বাইরের বৈরী আবহাওয়ার কোনো প্রভাবই থাকবে না।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের অন্যতম অত্যাধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভেন্যু। প্রায় ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এ দৃষ্টিনন্দন মাঠে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় ছাদ ও শক্তিশালী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাইরের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর ছাদ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ভেতরের তাপমাত্রা খেলোয়াড়দের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে নিয়ে আসা হয়। ফলে ফুটবলারদের চরম গরম বা অতিরিক্ত আর্দ্রতার মুখোমুখি হতে হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফুটবলার জনাথন স্পেক্টর এ ভেন্যুকে ইংল্যান্ডের জন্য আদর্শ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এবার ইংলিশদের গরম বা আর্দ্রতা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবতে হবে না। তারা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং আন্তর্জাতিক মানের একটি চমৎকার মাঠে খেলার সুযোগ পাবে। তবে সূচির কারণে আর্জেন্টিনা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। মায়ামিতে ক্যাম্প করা ইংল্যান্ডকে ম্যাচের জন্য আটলান্টায় ভ্রমণ করতে হলেও, আর্জেন্টিনা আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছে। অবশ্য স্পেক্টরের বিশ্বাস, পুরো টুর্নামেন্টে এই ভ্রমণ সূচির মধ্যেও দারুণ পারফর্ম করা ইংল্যান্ডের জন্য এটি বড় কোনো বাধা হবে না।
স্টেডিয়ামের ভেতরের পরিবেশ নিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে সাবেক এ ফুটবলার জানান, ছাদ বন্ধ থাকা অবস্থায় সেখানে কোনো অস্বস্তিকর গরম বা আর্দ্রতা তৈরি হয় না। তিনি নিজে সেখানে একাধিক ম্যাচ পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, অত্যন্ত কার্যকর এসি ব্যবস্থার কারণে খেলোয়াড়রা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই রকম আরামদায়ক পরিবেশে খেলতে পারেন। মেক্সিকো বা মায়ামির তীব্র প্রতিকূলতার তুলনায় আটলান্টার এই মাঠের অভিজ্ঞতা হবে সম্পূর্ণ আলাদা। ফলে মাঠের বাইরের কোনো প্রভাব ছাড়াই কেবল ফুটবলীয় দক্ষতার লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে মাঠে নামবে এই দুই পরাশক্তি।

স্পেনের কাছে হারের পর যা বললেন এমবাপ্পে
ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে বাড়তি চাপ নিচ্ছেন না আলভারেজ





