এমবোলোর লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইস কোচ

এমবোলোর লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইস কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে সুইজারল্যান্ড, তবে এই হারকে ছাপিয়ে আলোচনায় এসেছে ম্যাচ পরিচালনায় রেফারির কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণ নিয়মের আওতায় সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়া এবং ম্যাচ শেষে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরোর ওপর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিনের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ফুটবল বিশ্বে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ হাইভোল্টেজ ম্যাচের দশম মিনিটেই আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ড্যান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফেরে তারা। তবে সমতার স্বস্তি স্থায়ী হয়নি সুইসদের ক্যাম্পে। এর পরপরই আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে সুইস ফরোয়ার্ড এমবোলোর ওপর ট্যাকল করার অপরাধে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু ভিএআর প্রযুক্তির হস্তক্ষেপে মুহূর্তেই দৃশ্যপট বদলে যায়। মাঠের পাশের স্ক্রিনে রিপ্লে দেখে রেফারি জোয়াও পিনহেইরো বুঝতে পারেন, পারেদেসের কোনো স্পর্শ ছাড়াই ইচ্ছে করেই ডাইভ দিয়েছিলেন এমবোলো। ফলে বিশ্বকাপে নতুন চালু হওয়া ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ প্রটোকল অনুযায়ী পারেদেসের কার্ড বাতিল করে উল্টো এমবলোকে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়। প্রথমার্ধেই একটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় এটি ছিল তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে এবং সুইজারল্যান্ড পরিণত হয় ১০ জনের দলে। চলতি বিশ্বকাপে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এ কম পরিচিত নিয়মটির প্রয়োগ দেখা গেল।
ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমের শান্ত ও হতাশাজনক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সুইস অধিনায়ক গ্রানিত জাকা বলেন, এ লাল কার্ডই ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং ই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। অন্যদিকে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারির ওপর নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেন সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন। তিনি এটিকে রেফারির বড় ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এমন একটি সাধারণ পরিস্থিতিতে ভিএআরের হস্তক্ষেপ এবং এই অদ্ভুত নিয়মের কারণে তাদের বড় মাশুল দিতে হয়েছে। এ ঘটনা পুরো ম্যাচটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নিয়মের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ইয়াকিন আরও যোগ করেন, এভাবে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়াটা ভীষণ কষ্টদায়ক হলেও বুক চিতিয়ে লড়াই করা নিজের খেলোয়াড়দের নিয়ে তিনি গর্বিত এবং তার চোখে তারাই আসল বীর।

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে সুইজারল্যান্ড, তবে এই হারকে ছাপিয়ে আলোচনায় এসেছে ম্যাচ পরিচালনায় রেফারির কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণ নিয়মের আওতায় সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়া এবং ম্যাচ শেষে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরোর ওপর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিনের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ফুটবল বিশ্বে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ হাইভোল্টেজ ম্যাচের দশম মিনিটেই আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ড্যান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফেরে তারা। তবে সমতার স্বস্তি স্থায়ী হয়নি সুইসদের ক্যাম্পে। এর পরপরই আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে সুইস ফরোয়ার্ড এমবোলোর ওপর ট্যাকল করার অপরাধে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু ভিএআর প্রযুক্তির হস্তক্ষেপে মুহূর্তেই দৃশ্যপট বদলে যায়। মাঠের পাশের স্ক্রিনে রিপ্লে দেখে রেফারি জোয়াও পিনহেইরো বুঝতে পারেন, পারেদেসের কোনো স্পর্শ ছাড়াই ইচ্ছে করেই ডাইভ দিয়েছিলেন এমবোলো। ফলে বিশ্বকাপে নতুন চালু হওয়া ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ প্রটোকল অনুযায়ী পারেদেসের কার্ড বাতিল করে উল্টো এমবলোকে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়। প্রথমার্ধেই একটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় এটি ছিল তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে এবং সুইজারল্যান্ড পরিণত হয় ১০ জনের দলে। চলতি বিশ্বকাপে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এ কম পরিচিত নিয়মটির প্রয়োগ দেখা গেল।
ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমের শান্ত ও হতাশাজনক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সুইস অধিনায়ক গ্রানিত জাকা বলেন, এ লাল কার্ডই ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং ই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। অন্যদিকে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারির ওপর নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেন সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন। তিনি এটিকে রেফারির বড় ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এমন একটি সাধারণ পরিস্থিতিতে ভিএআরের হস্তক্ষেপ এবং এই অদ্ভুত নিয়মের কারণে তাদের বড় মাশুল দিতে হয়েছে। এ ঘটনা পুরো ম্যাচটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নিয়মের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ইয়াকিন আরও যোগ করেন, এভাবে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়াটা ভীষণ কষ্টদায়ক হলেও বুক চিতিয়ে লড়াই করা নিজের খেলোয়াড়দের নিয়ে তিনি গর্বিত এবং তার চোখে তারাই আসল বীর।

এমবোলোর লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইস কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে সুইজারল্যান্ড, তবে এই হারকে ছাপিয়ে আলোচনায় এসেছে ম্যাচ পরিচালনায় রেফারির কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণ নিয়মের আওতায় সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়া এবং ম্যাচ শেষে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরোর ওপর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিনের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ফুটবল বিশ্বে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ হাইভোল্টেজ ম্যাচের দশম মিনিটেই আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ড্যান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফেরে তারা। তবে সমতার স্বস্তি স্থায়ী হয়নি সুইসদের ক্যাম্পে। এর পরপরই আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে সুইস ফরোয়ার্ড এমবোলোর ওপর ট্যাকল করার অপরাধে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু ভিএআর প্রযুক্তির হস্তক্ষেপে মুহূর্তেই দৃশ্যপট বদলে যায়। মাঠের পাশের স্ক্রিনে রিপ্লে দেখে রেফারি জোয়াও পিনহেইরো বুঝতে পারেন, পারেদেসের কোনো স্পর্শ ছাড়াই ইচ্ছে করেই ডাইভ দিয়েছিলেন এমবোলো। ফলে বিশ্বকাপে নতুন চালু হওয়া ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ প্রটোকল অনুযায়ী পারেদেসের কার্ড বাতিল করে উল্টো এমবলোকে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়। প্রথমার্ধেই একটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় এটি ছিল তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে এবং সুইজারল্যান্ড পরিণত হয় ১০ জনের দলে। চলতি বিশ্বকাপে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এ কম পরিচিত নিয়মটির প্রয়োগ দেখা গেল।
ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমের শান্ত ও হতাশাজনক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সুইস অধিনায়ক গ্রানিত জাকা বলেন, এ লাল কার্ডই ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং ই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। অন্যদিকে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারির ওপর নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেন সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন। তিনি এটিকে রেফারির বড় ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এমন একটি সাধারণ পরিস্থিতিতে ভিএআরের হস্তক্ষেপ এবং এই অদ্ভুত নিয়মের কারণে তাদের বড় মাশুল দিতে হয়েছে। এ ঘটনা পুরো ম্যাচটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নিয়মের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ইয়াকিন আরও যোগ করেন, এভাবে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়াটা ভীষণ কষ্টদায়ক হলেও বুক চিতিয়ে লড়াই করা নিজের খেলোয়াড়দের নিয়ে তিনি গর্বিত এবং তার চোখে তারাই আসল বীর।

আর্জেন্টিনার জয়ে ব্যর্থ স্পিডের ‘কুফা’ মিশন
ইংল্যান্ডের গোল নিয়ে বিতর্কের ঝড়, যা বললো ফিফা

