পানির স্রোতে সড়ক ধস, প্লাবিত ১০ গ্রাম

পানির স্রোতে সড়ক ধস, প্লাবিত ১০ গ্রাম
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

টানা চার দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রানীগঞ্জ ও আশারকান্দি ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পানির তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী-রৌয়াইল গ্রামের সড়কটি অতি বৃষ্টিতে ভেঙে যায়। এর ফলে স্রোতে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
শনিবারও (
এর আগে শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে সড়কটি ভেঙে যায়। বিকল্প সড়ক না থাকায় এলাকার জনসাধারণ কুশিয়ারা নদী পথে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করছেন। নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকদের আউশধান। এ ছাড়াও আমন ধানের বীজতলা ও চারা ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।
বালিশ্রী গ্রামের করিম আহমেদ বলেন, সড়কটি ভেঙে যাওয়ার কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন আরও বাড়তে পারে এবং আশপাশের এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
রৌয়াইল গ্রামের মিটু মিয়া বলেন, নদীতে পানি বাড়তে থাকায় হঠাৎ করে এই সড়কটি ভেঙে যায়। এই একটি সড়কের ওপর নির্ভর করেই প্রায় ১০-১২টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। এখন কয়েক কিলোমিটার ঘুরে অন্য পথে যেতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম বলেন, রাস্তা ভাঙার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। স্থায়ীভাবে সড়কটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন বলেন, এটা আমাদের নিজেদের কাজ নয়, তবু আমরা চেষ্টা করছি।

টানা চার দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রানীগঞ্জ ও আশারকান্দি ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পানির তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী-রৌয়াইল গ্রামের সড়কটি অতি বৃষ্টিতে ভেঙে যায়। এর ফলে স্রোতে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
শনিবারও (
এর আগে শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে সড়কটি ভেঙে যায়। বিকল্প সড়ক না থাকায় এলাকার জনসাধারণ কুশিয়ারা নদী পথে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করছেন। নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকদের আউশধান। এ ছাড়াও আমন ধানের বীজতলা ও চারা ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।
বালিশ্রী গ্রামের করিম আহমেদ বলেন, সড়কটি ভেঙে যাওয়ার কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন আরও বাড়তে পারে এবং আশপাশের এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
রৌয়াইল গ্রামের মিটু মিয়া বলেন, নদীতে পানি বাড়তে থাকায় হঠাৎ করে এই সড়কটি ভেঙে যায়। এই একটি সড়কের ওপর নির্ভর করেই প্রায় ১০-১২টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। এখন কয়েক কিলোমিটার ঘুরে অন্য পথে যেতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম বলেন, রাস্তা ভাঙার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। স্থায়ীভাবে সড়কটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন বলেন, এটা আমাদের নিজেদের কাজ নয়, তবু আমরা চেষ্টা করছি।

পানির স্রোতে সড়ক ধস, প্লাবিত ১০ গ্রাম
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

টানা চার দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রানীগঞ্জ ও আশারকান্দি ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পানির তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী-রৌয়াইল গ্রামের সড়কটি অতি বৃষ্টিতে ভেঙে যায়। এর ফলে স্রোতে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
শনিবারও (
এর আগে শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে সড়কটি ভেঙে যায়। বিকল্প সড়ক না থাকায় এলাকার জনসাধারণ কুশিয়ারা নদী পথে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করছেন। নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকদের আউশধান। এ ছাড়াও আমন ধানের বীজতলা ও চারা ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।
বালিশ্রী গ্রামের করিম আহমেদ বলেন, সড়কটি ভেঙে যাওয়ার কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন আরও বাড়তে পারে এবং আশপাশের এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
রৌয়াইল গ্রামের মিটু মিয়া বলেন, নদীতে পানি বাড়তে থাকায় হঠাৎ করে এই সড়কটি ভেঙে যায়। এই একটি সড়কের ওপর নির্ভর করেই প্রায় ১০-১২টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। এখন কয়েক কিলোমিটার ঘুরে অন্য পথে যেতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম বলেন, রাস্তা ভাঙার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। স্থায়ীভাবে সড়কটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন বলেন, এটা আমাদের নিজেদের কাজ নয়, তবু আমরা চেষ্টা করছি।




