আর্জেন্টিনার জয়ে ব্যর্থ স্পিডের ‘কুফা’ মিশন

আর্জেন্টিনার জয়ে ব্যর্থ স্পিডের ‘কুফা’ মিশন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর জয়ের দিনে মাঠের ফুটবলকে ছাপিয়ে গ্যালারিতে তৈরি হলো নতুন এক নাটক। আলবিসেলেস্তেদের হারাতে সুপরিকল্পিত ‘কুফা’ বা জিনক্স নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত স্ট্রিমার আইশোস্পিড (স্পিড)। তবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সামনে তার সেই অদ্ভুত পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়েছে। অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা যখন সেমিফাইনাল নিশ্চিত করছিল, তখন গ্যালারিতে স্পিডের চোখে-মুখে ছিল চরম হতাশা।
চলতি বিশ্বকাপে স্পিডের উপস্থিতি মানেই যেন সংশ্লিষ্ট দলের পরাজয়। তার অনুসারীদের মাঝে এমন একটি ধারণা বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। তিনি যে দলের জার্সি পরে মাঠে যান, সেই দলই শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এ অপবাদ বা জিনক্স এড়াতে নকআউট পর্বে এসে এর আগে তিনি দুই দলের জার্সি মিলিয়ে পরা শুরু করেছিলেন। এমনকি একই দিনে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের ম্যাচের সময় কানসাস সিটির ফ্যান ফেস্টেও তাকে অদ্ভুত সেই মিশ্র জার্সি পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। তবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিডের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। তিনি আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়িয়ে মনেপ্রাণে দলটির হার কামনা করছিলেন এবং ক্যামেরার সামনে তাদের সমর্থনের অভিনয় করছিলেন।
কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই স্পিডের সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেওয়ার পর ক্যামেরার সামনে অবিশ্বাসের সুরে স্পিড চিৎকার করে বলেন, ‘কী হচ্ছে? এটা তো কাজ করছে না, চ্যাট! আমাকে আর কী করতে হবে?’ অবশ্য পরে সুইজারল্যান্ড সমতাসূচক গোল করলে স্পিড উল্লাসে মেতে ওঠেন এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোয় বেশ আনন্দিত হন। তবে স্পিডের সেই আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত গোলের পর তার মুখের হাসি চটজলদি উবে যায়। এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করতেই মাঠে থাকার মানসিকতা হারিয়ে ফেলেন এ স্ট্রিমার। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষা না করেই চরম হতাশায় ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান জনপ্রিয় এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর জয়ের দিনে মাঠের ফুটবলকে ছাপিয়ে গ্যালারিতে তৈরি হলো নতুন এক নাটক। আলবিসেলেস্তেদের হারাতে সুপরিকল্পিত ‘কুফা’ বা জিনক্স নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত স্ট্রিমার আইশোস্পিড (স্পিড)। তবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সামনে তার সেই অদ্ভুত পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়েছে। অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা যখন সেমিফাইনাল নিশ্চিত করছিল, তখন গ্যালারিতে স্পিডের চোখে-মুখে ছিল চরম হতাশা।
চলতি বিশ্বকাপে স্পিডের উপস্থিতি মানেই যেন সংশ্লিষ্ট দলের পরাজয়। তার অনুসারীদের মাঝে এমন একটি ধারণা বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। তিনি যে দলের জার্সি পরে মাঠে যান, সেই দলই শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এ অপবাদ বা জিনক্স এড়াতে নকআউট পর্বে এসে এর আগে তিনি দুই দলের জার্সি মিলিয়ে পরা শুরু করেছিলেন। এমনকি একই দিনে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের ম্যাচের সময় কানসাস সিটির ফ্যান ফেস্টেও তাকে অদ্ভুত সেই মিশ্র জার্সি পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। তবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিডের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। তিনি আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়িয়ে মনেপ্রাণে দলটির হার কামনা করছিলেন এবং ক্যামেরার সামনে তাদের সমর্থনের অভিনয় করছিলেন।
কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই স্পিডের সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেওয়ার পর ক্যামেরার সামনে অবিশ্বাসের সুরে স্পিড চিৎকার করে বলেন, ‘কী হচ্ছে? এটা তো কাজ করছে না, চ্যাট! আমাকে আর কী করতে হবে?’ অবশ্য পরে সুইজারল্যান্ড সমতাসূচক গোল করলে স্পিড উল্লাসে মেতে ওঠেন এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোয় বেশ আনন্দিত হন। তবে স্পিডের সেই আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত গোলের পর তার মুখের হাসি চটজলদি উবে যায়। এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করতেই মাঠে থাকার মানসিকতা হারিয়ে ফেলেন এ স্ট্রিমার। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষা না করেই চরম হতাশায় ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান জনপ্রিয় এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

আর্জেন্টিনার জয়ে ব্যর্থ স্পিডের ‘কুফা’ মিশন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর জয়ের দিনে মাঠের ফুটবলকে ছাপিয়ে গ্যালারিতে তৈরি হলো নতুন এক নাটক। আলবিসেলেস্তেদের হারাতে সুপরিকল্পিত ‘কুফা’ বা জিনক্স নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত স্ট্রিমার আইশোস্পিড (স্পিড)। তবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সামনে তার সেই অদ্ভুত পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়েছে। অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা যখন সেমিফাইনাল নিশ্চিত করছিল, তখন গ্যালারিতে স্পিডের চোখে-মুখে ছিল চরম হতাশা।
চলতি বিশ্বকাপে স্পিডের উপস্থিতি মানেই যেন সংশ্লিষ্ট দলের পরাজয়। তার অনুসারীদের মাঝে এমন একটি ধারণা বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। তিনি যে দলের জার্সি পরে মাঠে যান, সেই দলই শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এ অপবাদ বা জিনক্স এড়াতে নকআউট পর্বে এসে এর আগে তিনি দুই দলের জার্সি মিলিয়ে পরা শুরু করেছিলেন। এমনকি একই দিনে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের ম্যাচের সময় কানসাস সিটির ফ্যান ফেস্টেও তাকে অদ্ভুত সেই মিশ্র জার্সি পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। তবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিডের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। তিনি আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়িয়ে মনেপ্রাণে দলটির হার কামনা করছিলেন এবং ক্যামেরার সামনে তাদের সমর্থনের অভিনয় করছিলেন।
কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই স্পিডের সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেওয়ার পর ক্যামেরার সামনে অবিশ্বাসের সুরে স্পিড চিৎকার করে বলেন, ‘কী হচ্ছে? এটা তো কাজ করছে না, চ্যাট! আমাকে আর কী করতে হবে?’ অবশ্য পরে সুইজারল্যান্ড সমতাসূচক গোল করলে স্পিড উল্লাসে মেতে ওঠেন এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোয় বেশ আনন্দিত হন। তবে স্পিডের সেই আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত গোলের পর তার মুখের হাসি চটজলদি উবে যায়। এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করতেই মাঠে থাকার মানসিকতা হারিয়ে ফেলেন এ স্ট্রিমার। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষা না করেই চরম হতাশায় ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান জনপ্রিয় এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

রেফারিকে মেসির কড়া বার্তা, ‘আমাকে সম্মান করুন’

