শিরোনাম

যৌন সহিংসতা বন্ধ করা আমাদের নৈতিক অঙ্গীকার: বেরোবি উপাচার্য

বেরোবি সংবাদদাতা
বেরোবি সংবাদদাতা
যৌন সহিংসতা বন্ধ করা আমাদের নৈতিক অঙ্গীকার: বেরোবি উপাচার্য
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী

পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ‘পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ করা কেবল একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক অঙ্গীকার।

তিনি আরও বলেন, মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পক্ষে সোচ্চার থাকা প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

দেশে ইভটিজিং ও অনলাইন সাইবার হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে উপাচার্য বলেন, কেবল আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা যথেষ্ট নয়। সহিংসতা প্রতিরোধে মানুষের মানসিকতার পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে কোনো নারী, শিক্ষার্থী বা কর্মী ভয়ের মধ্যে থাকবেন না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম। কমিটির সদস্যসচিব ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ প্রামানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট তশিবা কাশেম ও আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উপদেষ্টা মুবারক মোহাম্মদ।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, কর্মশালা আয়োজন এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

/এমআর/