সিনেমাকেও হার মানিয়েছে হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী

সিনেমাকেও হার মানিয়েছে হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী
সিজেডএন ডেস্ক

হ্যারি কেইনকে চিনেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। বুধবার বিশ্বকাপ নকআউট পর্বের ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ইংল্যান্ডের ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়ের নাম হ্যারি কেইন। মেসি-রোনালদোর গল্পতো অনেক শুনেছেন। এবার চলুন জেনে নেই হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী। যা হয়তো সিনেমার গল্পকেও হার মানাবে।
হ্যারি কেইনের মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে যখন সবাই উল্লাসে মেতেছেন, তখন মাঠের বাইরে কেউ কেউ আলোচনা করছেন তার প্রেমকাহিনী নিয়ে। কেটি গুডল্যান্ডের সঙ্গে হ্যারি কেইনের দীর্ঘদিনের প্রেম ও সংসার নিয়েও বাড়ছে কৌতূহল।
বর্তমানে তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার খবর প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু হ্যারি কেইন ও তার স্ত্রী কেটি গুডল্যান্ডের সম্পর্ক সেই আগের মতোই রয়েছে। শৈশবের বন্ধুত্ব থেকে শুরু হওয়া ভালোবাসা আজ চার সন্তানের পরিবারে পরিণতি পেয়েছে।
কেইন ও কেটির প্রথম পরিচয় পূর্ব লন্ডনের লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলে। তখন কেইনের বয়স ছিল মাত্র ১২, আর গুডল্যান্ডের ১১ বছর। পরে তারা একই এলাকায় চিংফোর্ড ফাউন্ডেশন স্কুলে পড়াশোনা করেন। স্কুলজীবনেই তাদের বন্ধুত্ব আরও শক্ত ভিত্তি পায়। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ডেভিড বেকহ্যাম স্কুল সফরে গেলে তার সঙ্গে এই দুই শিক্ষার্থীর একটি ছবিও তোলা হয়েছিল।
স্কুলজীবন শেষ হওয়ার পর ২০১২ সালে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয়। ধীরে ধীরে সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হয়। হ্যারি একাধিকবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, শৈশবের ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়াটা তার জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য।
তিনি বলেন, জীবনের শুরু থেকেই পাশে থাকা কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া তার জন্য আশীর্বাদ। ১৯৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া কেটি গুডল্যান্ড লন্ডনের মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৪ সালে স্পোর্টস সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি পেশাদার ফিটনেস কোচ ও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।
২০১৭ সালে বাহামাতে ছুটি কাটানোর সময় কেটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন হ্যারি। তখনই রাজি হয়ে বাগদান সম্পন্ন করে ফেলেন কেটি। দুই বছর পর ২০১৯ সালের গ্রীষ্মে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেটিকে নিজের ‘সেরা বন্ধু’ এবং ‘সোলমেট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন ইংল্যান্ডের এই তারকা ফরোয়ার্ড।
বর্তমানে এই দম্পতির ৪ সন্তান রয়েছে। তারা হলো আইভি জেন, ভিভিয়েন জেন, লুই হ্যারি এবং হেনরি এডওয়ার্ড। ব্যস্ত ফুটবল ক্যারিয়ারের মধ্যেও পরিবারকে সময় দেন হ্যারি কেইন।
কেইন বলেন, কেটের সমর্থন এবং পরিবারের ভালোবাসাই তাকে মাঠে সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার শক্তি দেয়।

হ্যারি কেইনকে চিনেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। বুধবার বিশ্বকাপ নকআউট পর্বের ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ইংল্যান্ডের ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়ের নাম হ্যারি কেইন। মেসি-রোনালদোর গল্পতো অনেক শুনেছেন। এবার চলুন জেনে নেই হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী। যা হয়তো সিনেমার গল্পকেও হার মানাবে।
হ্যারি কেইনের মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে যখন সবাই উল্লাসে মেতেছেন, তখন মাঠের বাইরে কেউ কেউ আলোচনা করছেন তার প্রেমকাহিনী নিয়ে। কেটি গুডল্যান্ডের সঙ্গে হ্যারি কেইনের দীর্ঘদিনের প্রেম ও সংসার নিয়েও বাড়ছে কৌতূহল।
বর্তমানে তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার খবর প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু হ্যারি কেইন ও তার স্ত্রী কেটি গুডল্যান্ডের সম্পর্ক সেই আগের মতোই রয়েছে। শৈশবের বন্ধুত্ব থেকে শুরু হওয়া ভালোবাসা আজ চার সন্তানের পরিবারে পরিণতি পেয়েছে।
কেইন ও কেটির প্রথম পরিচয় পূর্ব লন্ডনের লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলে। তখন কেইনের বয়স ছিল মাত্র ১২, আর গুডল্যান্ডের ১১ বছর। পরে তারা একই এলাকায় চিংফোর্ড ফাউন্ডেশন স্কুলে পড়াশোনা করেন। স্কুলজীবনেই তাদের বন্ধুত্ব আরও শক্ত ভিত্তি পায়। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ডেভিড বেকহ্যাম স্কুল সফরে গেলে তার সঙ্গে এই দুই শিক্ষার্থীর একটি ছবিও তোলা হয়েছিল।
স্কুলজীবন শেষ হওয়ার পর ২০১২ সালে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয়। ধীরে ধীরে সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হয়। হ্যারি একাধিকবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, শৈশবের ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়াটা তার জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য।
তিনি বলেন, জীবনের শুরু থেকেই পাশে থাকা কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া তার জন্য আশীর্বাদ। ১৯৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া কেটি গুডল্যান্ড লন্ডনের মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৪ সালে স্পোর্টস সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি পেশাদার ফিটনেস কোচ ও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।
২০১৭ সালে বাহামাতে ছুটি কাটানোর সময় কেটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন হ্যারি। তখনই রাজি হয়ে বাগদান সম্পন্ন করে ফেলেন কেটি। দুই বছর পর ২০১৯ সালের গ্রীষ্মে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেটিকে নিজের ‘সেরা বন্ধু’ এবং ‘সোলমেট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন ইংল্যান্ডের এই তারকা ফরোয়ার্ড।
বর্তমানে এই দম্পতির ৪ সন্তান রয়েছে। তারা হলো আইভি জেন, ভিভিয়েন জেন, লুই হ্যারি এবং হেনরি এডওয়ার্ড। ব্যস্ত ফুটবল ক্যারিয়ারের মধ্যেও পরিবারকে সময় দেন হ্যারি কেইন।
কেইন বলেন, কেটের সমর্থন এবং পরিবারের ভালোবাসাই তাকে মাঠে সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার শক্তি দেয়।

সিনেমাকেও হার মানিয়েছে হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী
সিজেডএন ডেস্ক

হ্যারি কেইনকে চিনেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। বুধবার বিশ্বকাপ নকআউট পর্বের ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ইংল্যান্ডের ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়ের নাম হ্যারি কেইন। মেসি-রোনালদোর গল্পতো অনেক শুনেছেন। এবার চলুন জেনে নেই হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী। যা হয়তো সিনেমার গল্পকেও হার মানাবে।
হ্যারি কেইনের মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে যখন সবাই উল্লাসে মেতেছেন, তখন মাঠের বাইরে কেউ কেউ আলোচনা করছেন তার প্রেমকাহিনী নিয়ে। কেটি গুডল্যান্ডের সঙ্গে হ্যারি কেইনের দীর্ঘদিনের প্রেম ও সংসার নিয়েও বাড়ছে কৌতূহল।
বর্তমানে তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার খবর প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু হ্যারি কেইন ও তার স্ত্রী কেটি গুডল্যান্ডের সম্পর্ক সেই আগের মতোই রয়েছে। শৈশবের বন্ধুত্ব থেকে শুরু হওয়া ভালোবাসা আজ চার সন্তানের পরিবারে পরিণতি পেয়েছে।
কেইন ও কেটির প্রথম পরিচয় পূর্ব লন্ডনের লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলে। তখন কেইনের বয়স ছিল মাত্র ১২, আর গুডল্যান্ডের ১১ বছর। পরে তারা একই এলাকায় চিংফোর্ড ফাউন্ডেশন স্কুলে পড়াশোনা করেন। স্কুলজীবনেই তাদের বন্ধুত্ব আরও শক্ত ভিত্তি পায়। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ডেভিড বেকহ্যাম স্কুল সফরে গেলে তার সঙ্গে এই দুই শিক্ষার্থীর একটি ছবিও তোলা হয়েছিল।
স্কুলজীবন শেষ হওয়ার পর ২০১২ সালে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয়। ধীরে ধীরে সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হয়। হ্যারি একাধিকবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, শৈশবের ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়াটা তার জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য।
তিনি বলেন, জীবনের শুরু থেকেই পাশে থাকা কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া তার জন্য আশীর্বাদ। ১৯৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া কেটি গুডল্যান্ড লন্ডনের মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৪ সালে স্পোর্টস সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি পেশাদার ফিটনেস কোচ ও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।
২০১৭ সালে বাহামাতে ছুটি কাটানোর সময় কেটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন হ্যারি। তখনই রাজি হয়ে বাগদান সম্পন্ন করে ফেলেন কেটি। দুই বছর পর ২০১৯ সালের গ্রীষ্মে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেটিকে নিজের ‘সেরা বন্ধু’ এবং ‘সোলমেট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন ইংল্যান্ডের এই তারকা ফরোয়ার্ড।
বর্তমানে এই দম্পতির ৪ সন্তান রয়েছে। তারা হলো আইভি জেন, ভিভিয়েন জেন, লুই হ্যারি এবং হেনরি এডওয়ার্ড। ব্যস্ত ফুটবল ক্যারিয়ারের মধ্যেও পরিবারকে সময় দেন হ্যারি কেইন।
কেইন বলেন, কেটের সমর্থন এবং পরিবারের ভালোবাসাই তাকে মাঠে সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার শক্তি দেয়।




