রাসুল (সা.) তরুণদের যেভাবে মূল্যায়ন করতেন

রাসুল (সা.) তরুণদের যেভাবে মূল্যায়ন করতেন
সিজেডএন ডেস্ক

যৌবনকাল এমন একটি সময়, যা উদ্দীপনা ও আবেগে পরিপূর্ণ। এ সময় মানুষ নিজের যোগ্যতা ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারে। তবে যৌবনের এই শক্তিকে সঠিক পথে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন একজন আদর্শ পথপ্রদর্শকের– যার জীবন অনুসরণযোগ্য এবং যাকে বাস্তবিক অর্থেই আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
আমরা সৌভাগ্যবান যে, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে পাঠিয়েছেন। তার পবিত্র জীবন থেকেই আমরা জীবনের লক্ষ্য ও আদর্শ লাভ করতে পারি। বিশেষ করে মহানবী (সা.) এর যৌবনকালের জীবনচরিত পর্যালোচনা করলে নতুন প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও আদর্শ জীবনযাপনের বহু দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। এসব শিক্ষা অনুসরণ করে তরুণরা নিজেদের জীবন সংশোধন করা যায়।
আসহাবে কাহফের তরুণদের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা ছিল কয়েকজন যুবক, তারা তাদের রবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎ পথে চলার শক্তি বৃদ্ধি করেছিলাম।’ (সুরা কাহফ, আয়াত: ১৩)
বাতিলের সামনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা হজরত ইবরাহিম (আ.) এর যৌবনের কথাও পবিত্র কোরআনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘তাদের কেউ কেউ বললো, আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহিম।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৬০)
তরুণদের মর্যাদা ও যৌবনের গুরুত্ব মহানবী (সা.) এর হাদিসেও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া লাভকারী সাত শ্রেণির মানুষের মধ্যে যুবকদের কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘(আরশের ছায়া লাভ করবে) এমন যুবক, যার বেড়ে ওঠা ও যৌবন আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত হয়েছে।’ (সহিহ বুখারি)
অন্যদিকে রাসুল (সা.) পাঁচটি বিষয়কে পাঁচটি বিষয়ের আগে মূল্যবান বিবেচনা করার তাগিদ দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো– বার্ধক্যের আগে যৌবনকে। (আলমুস্তাদরাক লিল-হাকিম)
তবে তরুণদের প্রতি মহানবী (সা.) এর মূল্যায়ন শুধু উপদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি তাদের ওপর বাস্তব দায়িত্ব অর্পণ করে আস্থার প্রমাণ রেখেছেন। রোমের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে অভিযানের জন্য তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সী তরুণ হজরত উসামা ইবনে জায়েদ (রা.) কে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তার বাহিনীতে হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত উমর (রা.) এর মতো প্রবীণ সাহাবিরাও ছিলেন।
মাত্র ২৭ বছর বয়সে মহানবী (সা.) হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) কে ইয়েমেনের গভর্নর ও বিচারক হিসেবে পাঠান। তার জ্ঞান ও ইজতিহাদি যোগ্যতার ওপর রাসুল (সা.) পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছিলেন।
একইভাবে মাত্র ২০-২১ বছর বয়সে মহানবী (সা.) হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) কে হিব্রু ভাষা শেখার দায়িত্ব দেন। পরবর্তী সময়ে পবিত্র কোরআন সংকলন ও সংরক্ষণের মতো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের নেতৃত্বও তার ওপর অর্পিত হয়।
এসব ঘটনা থেকে রাসুল (সা.) এর তরুণদের মূল্যায়নের একটি সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি সামনে আসে। তাই রাসুল (সা.) এর জীবনের শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক হিসেবে সমাজের উচিত তরুণদের যোগ্যতার ওপর আস্থা রাখা।

যৌবনকাল এমন একটি সময়, যা উদ্দীপনা ও আবেগে পরিপূর্ণ। এ সময় মানুষ নিজের যোগ্যতা ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারে। তবে যৌবনের এই শক্তিকে সঠিক পথে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন একজন আদর্শ পথপ্রদর্শকের– যার জীবন অনুসরণযোগ্য এবং যাকে বাস্তবিক অর্থেই আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
আমরা সৌভাগ্যবান যে, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে পাঠিয়েছেন। তার পবিত্র জীবন থেকেই আমরা জীবনের লক্ষ্য ও আদর্শ লাভ করতে পারি। বিশেষ করে মহানবী (সা.) এর যৌবনকালের জীবনচরিত পর্যালোচনা করলে নতুন প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও আদর্শ জীবনযাপনের বহু দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। এসব শিক্ষা অনুসরণ করে তরুণরা নিজেদের জীবন সংশোধন করা যায়।
আসহাবে কাহফের তরুণদের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা ছিল কয়েকজন যুবক, তারা তাদের রবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎ পথে চলার শক্তি বৃদ্ধি করেছিলাম।’ (সুরা কাহফ, আয়াত: ১৩)
বাতিলের সামনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা হজরত ইবরাহিম (আ.) এর যৌবনের কথাও পবিত্র কোরআনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘তাদের কেউ কেউ বললো, আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহিম।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৬০)
তরুণদের মর্যাদা ও যৌবনের গুরুত্ব মহানবী (সা.) এর হাদিসেও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া লাভকারী সাত শ্রেণির মানুষের মধ্যে যুবকদের কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘(আরশের ছায়া লাভ করবে) এমন যুবক, যার বেড়ে ওঠা ও যৌবন আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত হয়েছে।’ (সহিহ বুখারি)
অন্যদিকে রাসুল (সা.) পাঁচটি বিষয়কে পাঁচটি বিষয়ের আগে মূল্যবান বিবেচনা করার তাগিদ দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো– বার্ধক্যের আগে যৌবনকে। (আলমুস্তাদরাক লিল-হাকিম)
তবে তরুণদের প্রতি মহানবী (সা.) এর মূল্যায়ন শুধু উপদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি তাদের ওপর বাস্তব দায়িত্ব অর্পণ করে আস্থার প্রমাণ রেখেছেন। রোমের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে অভিযানের জন্য তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সী তরুণ হজরত উসামা ইবনে জায়েদ (রা.) কে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তার বাহিনীতে হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত উমর (রা.) এর মতো প্রবীণ সাহাবিরাও ছিলেন।
মাত্র ২৭ বছর বয়সে মহানবী (সা.) হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) কে ইয়েমেনের গভর্নর ও বিচারক হিসেবে পাঠান। তার জ্ঞান ও ইজতিহাদি যোগ্যতার ওপর রাসুল (সা.) পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছিলেন।
একইভাবে মাত্র ২০-২১ বছর বয়সে মহানবী (সা.) হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) কে হিব্রু ভাষা শেখার দায়িত্ব দেন। পরবর্তী সময়ে পবিত্র কোরআন সংকলন ও সংরক্ষণের মতো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের নেতৃত্বও তার ওপর অর্পিত হয়।
এসব ঘটনা থেকে রাসুল (সা.) এর তরুণদের মূল্যায়নের একটি সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি সামনে আসে। তাই রাসুল (সা.) এর জীবনের শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক হিসেবে সমাজের উচিত তরুণদের যোগ্যতার ওপর আস্থা রাখা।

রাসুল (সা.) তরুণদের যেভাবে মূল্যায়ন করতেন
সিজেডএন ডেস্ক

যৌবনকাল এমন একটি সময়, যা উদ্দীপনা ও আবেগে পরিপূর্ণ। এ সময় মানুষ নিজের যোগ্যতা ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারে। তবে যৌবনের এই শক্তিকে সঠিক পথে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন একজন আদর্শ পথপ্রদর্শকের– যার জীবন অনুসরণযোগ্য এবং যাকে বাস্তবিক অর্থেই আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
আমরা সৌভাগ্যবান যে, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে পাঠিয়েছেন। তার পবিত্র জীবন থেকেই আমরা জীবনের লক্ষ্য ও আদর্শ লাভ করতে পারি। বিশেষ করে মহানবী (সা.) এর যৌবনকালের জীবনচরিত পর্যালোচনা করলে নতুন প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও আদর্শ জীবনযাপনের বহু দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। এসব শিক্ষা অনুসরণ করে তরুণরা নিজেদের জীবন সংশোধন করা যায়।
আসহাবে কাহফের তরুণদের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা ছিল কয়েকজন যুবক, তারা তাদের রবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎ পথে চলার শক্তি বৃদ্ধি করেছিলাম।’ (সুরা কাহফ, আয়াত: ১৩)
বাতিলের সামনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা হজরত ইবরাহিম (আ.) এর যৌবনের কথাও পবিত্র কোরআনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘তাদের কেউ কেউ বললো, আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহিম।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৬০)
তরুণদের মর্যাদা ও যৌবনের গুরুত্ব মহানবী (সা.) এর হাদিসেও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া লাভকারী সাত শ্রেণির মানুষের মধ্যে যুবকদের কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘(আরশের ছায়া লাভ করবে) এমন যুবক, যার বেড়ে ওঠা ও যৌবন আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত হয়েছে।’ (সহিহ বুখারি)
অন্যদিকে রাসুল (সা.) পাঁচটি বিষয়কে পাঁচটি বিষয়ের আগে মূল্যবান বিবেচনা করার তাগিদ দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো– বার্ধক্যের আগে যৌবনকে। (আলমুস্তাদরাক লিল-হাকিম)
তবে তরুণদের প্রতি মহানবী (সা.) এর মূল্যায়ন শুধু উপদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি তাদের ওপর বাস্তব দায়িত্ব অর্পণ করে আস্থার প্রমাণ রেখেছেন। রোমের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে অভিযানের জন্য তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সী তরুণ হজরত উসামা ইবনে জায়েদ (রা.) কে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তার বাহিনীতে হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত উমর (রা.) এর মতো প্রবীণ সাহাবিরাও ছিলেন।
মাত্র ২৭ বছর বয়সে মহানবী (সা.) হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) কে ইয়েমেনের গভর্নর ও বিচারক হিসেবে পাঠান। তার জ্ঞান ও ইজতিহাদি যোগ্যতার ওপর রাসুল (সা.) পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছিলেন।
একইভাবে মাত্র ২০-২১ বছর বয়সে মহানবী (সা.) হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) কে হিব্রু ভাষা শেখার দায়িত্ব দেন। পরবর্তী সময়ে পবিত্র কোরআন সংকলন ও সংরক্ষণের মতো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের নেতৃত্বও তার ওপর অর্পিত হয়।
এসব ঘটনা থেকে রাসুল (সা.) এর তরুণদের মূল্যায়নের একটি সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি সামনে আসে। তাই রাসুল (সা.) এর জীবনের শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক হিসেবে সমাজের উচিত তরুণদের যোগ্যতার ওপর আস্থা রাখা।









